Monday, May 28, 2018

ঔষধী গাছ

হাপানি-নিউমোনিয়া-ব্রংকাইটিস সারায় মুক্তাঝুরি

মুক্তাঝুরি সাধারণত পথের পাশে, জঙ্গলে হতে দেখা যায়। এই মুক্তাঝুরি গাছ ঔষুধী কাজের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ড. তপন কুমার দে তার ‘বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় গাছ-গাছড়া’ বইয়ে এর ঔষধী গুণাগুণ তুলে ধরেছেন।
একুশে টিভি অনলাইনে এর গুণাগুণ দেওয়া হলো-
ঔষধী ব্যবহার :
১) এই গুল্মটি ব্রঙ্কাইটিস, হাঁপানি, নিউমোনিয়া এবং বাতের চিকিৎসায় বিশেষভাবে উপকারী।
২) এর পাতার রস তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মালিশ করলে বাতের ব্যথার উপশম হয়।
৩) মুক্তাঝুরির পাতার রস পান করলে বমি উদ্রেক হয়।
৪) ক্ষত বা ঘায়ের জন্য এই উদ্ভিদের পাতার রস খুবই উপকারী।
৫) পুরো গাছের রস কান ও বাতের ব্যথা কমায়।
৬) পাতার রস তিলের তেলে মিশিয়ে ব্যবহারে অর্শ রোগের আরাম হয়।
৭) মুক্তাঝুরির পাতা ও কচি কাণ্ডের রসের সঙ্গে নিম রস মিশিয়ে শিশুদের জিভে লাগালে কোষ্ট পরিষ্কার হয়।
৮) শুকনো পাতার গুড়ো কৃমিনাশক ঔষধ হিসেবে খুবই কার্যকারী।
৯) আগুনে শরীরর কোন অংশ পুড়ে গেলে মুক্তাঝুরির পাতার ক্বাথ লাগালে জ্বালা- যন্ত্রণা কমে।
১০) এই ক্বাথ ঘুংড়ি, কাশি, যক্ষ্মা ও শিশুর শ্বাসনালীর প্রদাহে হিতকর।
১১) উন্মাদ রোগেও মুক্তাঝুরির ব্যবহারের কথা জানা যায়। এর পাতার ক্বাথ বিছার দংশনের ব্যথা-বেদনা নিরাময় করে।
পরিচিতি : মুক্তাঝুরি বর্ষজীবী গুল্ম। অবহেলিত এ গুল্মটি ৩০ থেকে ৭৫ সে.মি. লম্বা হয়। পাতার অগ্রভাগ করাতের মতো কাঁকরা কাটা রয়েছে। পাতা লোমযুক্ত ও ডিম্বাকৃতি। পাতার কোল থেকে বের হয় খাড়া পুষ্পমুঞ্জুরী। ফুলের বোঁটা ফুল অপেক্ষা ছোট সবুজ বর্ণ। বছরের সকল সময়ে ফুল ও ফল হয়।

Tuesday, May 22, 2018

রুপচর্চা

চেহারায় জ্যোতি বাড়াতে ত্বক পরিষ্কার

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার জন্য এবং নিজেকে ফ্রেশ দেখাতে আমরা প্রতিদিন কয়েক বার মুখ ধুয়ে থাকি। মুখের অতিরিক্ত তেল, ধুলা-ময়লা পরিষ্কার করে নিজেকে ফ্রেশ দেখাতে হুটহাটই মুখে সাবান দেই। কিন্তু জানেন কি, আপনি যে মুখ ধুচ্ছেন বা ত্বক পরিষ্কার করছেন তা সঠিক নিয়মে হচ্ছে কিনা? আমরা এটা জানি যে অতিরিক্ত মুখ ধোয়া ঠিক নয়। শুধু তাই নয়, মুখ পরিষ্কারের ক্ষেত্রে আমরা কিছু ভুল করে থাকি, যা ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এতে ত্বক তার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা হারায়। তাই চেহারায় জ্যোতি বাড়াতে ত্বক পরিষ্কার করতে হবে সঠিক নিয়মে। আসুন জেনে নেই নিয়মগুলো-
পরিষ্কার: সুন্দর ত্বকের জন্য প্রথমেই মুখ ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। মুখের ময়লা ও ধুলাবালি দূর করতে হালকা ফেইসওয়াশ ব্যবহার করুন।
ফেইসওয়াশ হতে হবে অবশ্যই আপনার ত্বকের উপযোগী। ত্বকের উপযোগী না হলে আপনার ত্বকের আরো ক্ষতি হতে পারে।
নির্দিষ্ট টাইম মেনে মুখ ও ত্বক পরিষ্কার করুন। খুব ঘন ঘন মুখ ধোয়াও ত্বকের জন্য ক্ষতিকর।
মুখে ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
এছাড়াও চেহারায় জ্যোতি বাড়াতে ত্বক পরিষ্কার ও ত্বকের যত্নে জেনে নিন আরো কিছু টিপস ও উপায়।
স্ক্রাবিং: ত্বকের মৃতকোষ দূর করতে ও লোমকূপ পরিষ্কার রাখতে স্ক্রাবিং জরুরি। এজন্য প্রাকৃতিক ফেসস্ক্রাব- যাতে আছে বাদামি চিনি ও নারিকেল তেল এমন স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন।
টোনার: ত্বক এক্সফলিয়েট করার পর তাতে অবশ্যই টোনার লাগাতে হবে। এটা ত্বকের পিএইচ’য়ের মাত্রা ঠিক রাখতে এবং ত্বকে আরাম অনুভূত হতে সাহায্য করে।
ফেসপ্যাক: উন্নতমানের ফেইসপ্যাক ত্বক ভালো রাখতে এবং দীপ্তি বাড়াতে সাহায্য করে। যেকোনো মৌসুমে রোদে পোড়াভাব দূর করতে টকদই ও ময়দা মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করে লাগান। উজ্জ্বল ত্বকের জন্য এটা অন্যতম ঘরোয়া প্যাক।
ময়েশ্চারাইজার: ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে ফেসক্রিম ব্যবহার করুন। নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী ক্রিম নির্বাচন করুন। ত্বকে হালকাভাবে ঘষে ও গোলাকারভাবে ঘুরিয়ে ক্রিম লাগান।

রুপচর্চা

গরমে ত্বকের যত্নে তরমুজ

এই গরমের সময় বাইরে থেকে ঘরে ফিরে ফ্রিজ খুলে ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা তরমুজ খেলে প্রাণ জুড়িয়ে যাবে এই লোভ সামলানো খুবই কঠিন। গরমে হিট স্ট্রোকের হাত থেকে আপনাকে রক্ষা করবে এই তরমুজ। এটি দেহের ভেতর থেকে পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি আমাদের ত্বকও সুন্দর রাখে। ভিটামিন এ, বি, সি সমৃদ্ধ তরমুজ ত্বককে সজীব করে, পাশাপাশি উজ্জ্বল ও নরম রাখে। তাই নির্দ্বিধায় এই ফলটি ব্যবহার করা যায় রূপচর্চার কাজে।
ত্বকের ওপর আটকে থাকা ময়লা খুব গভীর থেকে পরিষ্কার করে স্বস্তি দিতে ক্লিনজারের কোনো তুলনা নেই। তরমুজের রস ও প্রাকৃতিক পরিষ্কারক লেবুর রস আপনার ত্বকের জন্য হতে পারে উপকারী ক্লিনজার। প্রতিদিন সকালে এটি লাগিয়ে অল্প ম্যাসাজ করুন। এবার কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, নিশ্চিত উপকার পাবেন।
মাস্ক হিসেবে তরমুজ ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে মটর ডালের বেসন, তরমুজের রস, সয়াবিনের গুঁড়ো একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার ত্বকে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। তৈলাক্ত মুখ ধুয়ে পান ত্বকে টানটান অনুভূতি।
শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের জন্যও আছে তরমুজের রূপচর্চা। তরমুজ, পাকা কলা, সয়াবিনের গুঁড়ো নিন। সয়াবিন গুঁড়োর বদলে চালের গুঁড়ো বা ময়দা ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন অন্তত একবার করে এই প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এবার সামান্য ম্যাসাজ করে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিতে হবে।

Tuesday, May 15, 2018

রুপচর্চা

ত্বকের যত্নে পেঁপের ফেসপ্যাক

পরিষ্কার ও ঝকঝকে ত্বক কে না চায়?কিন্তু আবহাওয়ার পরিবতর্ন কিংবা পরিবেশ দূষণের কারণে অনেক সময় ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। অনেকে ত্বক সুন্দর রাখতে দিনের পর দিন পার্লারে ছোটেন। পার্লারের বিভিন্ন রাসায়নিক উপকরন দিয়ে হয়তো সাময়িকভাবে ত্বক সুন্দর করা যায়। কিন্তু দিনের পর পর দিন ওইসব রাসায়নিক ব্যবহারে ত্বক আসল সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলতে পারে। এ কারণে ঘরে তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে পেঁপে বেশ উপকারী। বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানে ভরপুর পেঁপে শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, এটি ত্বকের জন্যও বেশ কার্যকরী।
পেঁপেতে থাকা এনজাইম ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। যাদের ত্বক শুষ্ক তারা ভালো ফল পেতে কয়েক টুকরা পাকা পেঁপে চটকে তার সঙ্গে সামান্য মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে নিন। তারপর সারা মুখে লাগিয়ে দশ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। একদিন পর একদিন এটি ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল।
যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা কয়েক টুকরা চটকানো পাকা পেঁপের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ কমলার রস মিশিয়ে নিন। যাদের ত্বকে দাগ আছে তারা মুখে এই মাস্কটি লাগাতে পারেন। ১৫ মিনিট পর মুখটা ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও মসৃণ।
যাদের ত্বক সাধারন তারা পেঁপে, কলা আর শসার রস দিয়ে একটি মাস্ক তৈরি করতে পারেন। তারপর সেটা মুখ, গলা এবং ঘাড়ে লাগান। ১০ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে মাস্কটা ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার ত্বকের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনবে। সেই সঙ্গে ত্বক উজ্জ্বলও দেখাবে।

Wednesday, May 2, 2018

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

সিম ছাড়াই মোবাইলে ফোন করা যাবে যে কোনও নম্বরে

নতুন এই প্রযুক্তিতে একটি অ্যাপের মাধ্যমে করা যাবে কল। এমন সুবিধা দিচ্ছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এজন্য প্রতিটি টেলকম সেবা প্রদানকারী সংস্থাকে আলাদা অ্যাপ লঞ্চ করতে হবে।
অ্যাপটি অ্যাকটিভেট করলে মিলবে ১০ সংখ্যার একটি মোবাইল নম্বর। এর পর ওয়াইফাই ব্যবহার করে অ্যাপের মাধ্যমে কল করা যাবে কোনও মোবাইল বা ল্যান্ডলাইন ফোনে। সেক্ষেত্রে সিম ও অ্যাপ কোম্পানির হলে বদলাতে হবে না নম্বরও। একই নম্বর ব্যবহার করে কল করা যাবে ফোন ও অ্যাপ থেকে।
দেশজুড়ে নেটওয়ার্ক কভারেজ ও কল ড্রপের সমস্যার সমাধানে ইন্টারনেট টেলিফোনি প্রযুক্তি ব্যবহারের ছাড়পত্র দিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে মোবাইল ফোনে সিমকার্ড না-থাকলেও কল করা যাবে যে কোনও মোবাইল ফোন বা ল্যান্ডলাইন ফোনে।
মোবাইল ফোনের সিগনাল নিয়ে ভারতে এমন অভিযোগ নতুন নয়। এখনো বহু দেশটির জায়গায় মোবাইল সিগনাল না থাকায় সমস্যায় পড়েন গ্রাহকরা। আর কল ড্রপ তো নৈমিত্তিক ঘটনা। এসবের সমাধানে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে দূরসঞ্চারের বিকল্প মাধ্যম ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিল টেলিকম নিয়ামক সংস্থা। পরামর্শ ছিল ইন্টারনেট টেলিফোনিকে ছাড়পত্র দেয়ার। সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় ইন্টার মিনিস্টিরিয়াল টেলিকম কমিশন।

six seasons

  There are six seasons in Bangladesh. Each season has its special feature. Dew drops fall at night during in winter. The spring is the king...