Thursday, September 24, 2020

কিডনির কার্যক্ষমতা বাড়বে সঙ্গে চুল পড়াও কমাবে লাল শাক



চিকিৎসকরা সব সময় সবুজ শাক-সবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে লাল শাকের মধ্যে কিছু প্রয়োজনীয় উপাদান থাকে যা শরীরের পক্ষে উপকারি। ৩০ বছর বয়সের পর আমাদের শরীরে নানান সমস্যা দেখা যায়। সেসব দূরে রাখতে লাল শাক খুবই উপযোগী। নিয়মিত লাল শাক খেলে কী কী উপকার পাওয়া যায় তা দেখে নেওয়া যাক-

> লাল শাকে ভিটামিন সি থাকায় চোখের রেটিনার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, যা দৃষ্টি শক্তির উন্নতিতে সাহায্য করে। যারা গ্লুকোমার সমস্যায় ভুগছেন, তারা প্রতিদিন এই শাক খান।

> নিয়মিত লাল শাক খেলে কিডনির কার্যক্ষমতা বেড়ে যায়। এছাড়াও রক্ত পরিশুদ্ধ হয়ে। এছাড়াও লাল শাক শরীরে রক্তের পরিমাণ বাড়ায়। তাই কেউ যদি অ্যানিমিয়ায় ভোগেন তাহলে আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন লাল শাক।

> লাল শাকের মূল দিয়ে দাঁত মেজে, লবণ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এর ফলে দাঁতের মধ্যে থাকা হলুদ ভাব কেটে যায়। এছাড়াও দাঁতের অন্যান্য সমস্যাও সেরে যায়।

> লাল শাক ভালো করে বেটে তার মধ্যে এক চামচ বেটে লবণ মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন এই মিশ্রণটি খান। চুল পড়া কমে যাবে অনেকটাই।

Thursday, September 10, 2020

  


রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় অবস্থিত টেরাকোটা শিল্পমন্ডিত বাঘা মসজিদ দেশের এক ব্যতিক্রমী প্রত্নসম্পদ। 

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় অবস্থিত টেরাকোটা শিল্পমন্ডিত বাঘা মসজিদ দেশের এক ব্যতিক্রমী প্রত্নসম্পদ। শত শত বছর আগের এই শিল্পনিদর্শন ও নির্মাণশৈলী দর্শক মনে বিস্ময় জাগায়। এটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সংরক্ষিত একটি নিদর্শন। প্রত্নতত্ত্ববিদ আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার মতে, হযরত মাওলানা মোয়াজ্জেম-উদ-দৌলা বা মোহাম্মদ দৌলা ওরফে শাহ দৌলা নামে পরিচিত দরবেশের সুদূর প্রসারী খ্যাতির কারণে বহু শিষ্য-সাগরেদের আগমন ঘটে। (বাঘের অভয়ারণ্যের কারণেই বোধ হয় এই স্থানের নাম ‘বাঘা’ হয়ে থাকবে।) এই স্থান আবাদের পর বাঘা নামে পরিচিত ঘটে। শাহ দৌলার ওফাতের পর জ্যেষ্ঠ পুত্র মাওলানা আব্দুল হামিদ দানিশমন্দ তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। এ সময় বাংলার সুলতান নাসির উদ্দীন নসরত শাহ ৯৩০হিজরী (১৫২৩ খ্রী.) এখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। মসজিদের সম্মুখে একটি শিলালিপি স্থাপন করেন। বর্তমানে তা করাচী যাদুঘরে আছে বলে জানা গেছে।

Cockatoo

 বাংলাদেশের সংগীত আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাসি। ও মা,অগ্রানে তোর ভরা খেতে আমি...