Tuesday, July 30, 2019

সীতাকুণ্ড


সীতাকুণ্ড প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম একটি তীর্থস্থান। পূর্বদিকে সুবিশাল সমুদ্র, চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উপরে প্রাচীন মন্দির আর পাহাড়ি ঝরনা। মেঘ-পাহাড়ের সীতাকুণ্ডে সারা বছরই মেঘের খেলা করে। চারদিকে চিরহরিৎ সবুজের বাগান, ছোট-বড় পাহাড়, সীতাকুণ্ড এখন পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে অবস্থান করছে। আমরা সীতাকুণ্ডের দিকে চললাম। পথে একটি সুন্দর জায়গা পেলাম। জায়গাটি পাহাড়ের এক ধারে। কাছেই পাহাড় হতে একটি ঝরনা ঝরছে। পানি খুব স্বচ্ছ বরফের মত ঠান্ডা। ঝরনার কাছেই একটি গাছ। আমরা গাছের ছায়ায় বসলাম। দেখলাম, সামনে একটি দোকান একটি হোটেল। সেখান থেকে কিছু খাবার এনে খেলাম। অল্পক্ষণ বিশ্রামের পর আবার যাত্রা করলাম।

Tuesday, July 23, 2019

ত্বকের কথা

অনেক সময় ওজন কমানোর পর আর যাওয়া হয় না পুষ্টিবিদের কাছে। বাড়তি ওজন নেই। কিন্তু ক্ষতি হচ্ছে ত্বকের। আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে ত্বকে শুষ্কতা বাড়ছে খুব তাড়াতাড়ি। সেই সঙ্গে হয়তো বয়স, মানসিক চাপ বা অতিরিক্ত পরিশ্রমে তৈরি হচ্ছে ত্বকের নানা সমস্যা। অধুনার এবারের আয়োজনে থাকছে ত্বক সুস্থ রাখার জন্য নানা খাবারের খোঁজ।
তৈলাক্ত মাছ
একটু মোটা ত্বকযুক্ত তৈলাক্ত মাছে থাকে ওমেগা থ্রি, যা সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করবে। তৈলাক্ত মাছ ভিটামিন ‘ই’ এবং প্রোটিনের ভালো উৎস, যা একই সঙ্গে শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট তৈরি করবে, চামড়া কুঁচকে যাওয়া বা বয়সের ছাপ পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করবে। তৈলাক্ত মাছে প্রচুর পরিমাণে জিংক থাকে, যা নতুন কোষ তৈরি করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ত্বককে আগের মতো করতে সাহায্য করে।
অ্যাভোকাডো
৭০০ নারীর ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যাভোকাডো থেকে পাওয়া চর্বি শরীরের কাজ করার ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ত্বক নরম এবং মোলায়েম করে। এতে আছে ভিটামিন ‘ই’ এবং ‘সি’ যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের ভালো উৎস। প্রতিদিনের ধুলাবালিতে ত্বকের যে ক্ষতি হয়, তা থেকে রক্ষা করবে এটি। প্রতিদিন ১০০ গ্রাম অ্যাভোকাডো থেকে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘ই’-এর ১০ এবং ভিটামিন ‘সি’-এর ১৭ শতাংশ পাওয়া সম্ভব।
সূর্যমুখী বীজ
সূর্যমুখী বীজ পুষ্টির একটি চমৎকার উৎস। এতে আছে ভিটামিন, যা চামড়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এর মধ্যে রয়েছে লিনোলিক অ্যাসিড, যা ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। ২৮ গ্রাম সূর্যমুখী বীজে আছে প্রয়োজনীয় ৩২ শতাংশ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সেলেনিয়াম, ১০ শতাংশ জিংক, ৫. ৪ গ্রাম প্রোটিন ও ৩৭ শতাংশ ভিটামিন ‘ই’।
মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলু বিটা ক্যারোটিনের অন্যতম উৎস। বিটা ক্যারোটিন অনেকটা সানব্লকের মতো করে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
একটি ১০০ গ্রাম বেকড মিষ্টি আলুতে যে পরিমাণ বিটা ক্যারোটিন আছে, তা ভিটামিন ‘এ’ যুক্ত

অনেক খাবার থেকে অন্তত চার গুণ ভালো। রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বকের মৃত কোষ পরিষ্কার এবং নতুন কোষ তৈরিতে মিষ্টি আলু খুব ভালো কাজ করে।
ক্যাপসিকাম
ক্যাপসিকামে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন এবং ভিটামিন ‘সি’ থাকে, যা ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। কোলাজেন তৈরির জন্য ভিটামিন ‘সি’ও প্রয়োজন। এটি এক ধরনের স্ট্রাকচারাল প্রোটিন, যা ত্বক শক্তিশালী করে।
ব্রকলি
ব্রকলি ভিটামিন, খনিজ ও ক্যারোটিনয়েডের একটি ভালো উৎস, যা ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এতে সলফোরফেনও রয়েছে। সলফোরফেন ত্বকের ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। ব্রকলি ত্বকের অ্যালার্জি কমাতে সাহায্য করে।
টমেটো
টমেটো ভিটামিন সি ও সব প্রধান ক্যারোটিনয়েডের একটি ভালো উৎস, বিশেষ করে লিকোফিন। এই ক্যারোটিনয়েড সূর্যের ক্ষতি থেকে ত্বক রক্ষা করে এবং বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
এ ছাড়াও সয়াবিন, ডার্ক চকলেট, কলা এসব খাবারও ত্বকের জন্য খুব উপকারী। এতে একদিকে যেমন ত্বক সুস্থ থাকবে, তেমন পরিবর্তন হতে থাকা এই আবহাওয়াতে শরীরকেও দেবে অনেকটা আরাম। সুস্থ থাকার জন্য পানির কোনো বিকল্প নেই। সূত্র: হেলথ ডটকম

Friday, July 12, 2019

হজের অন্যতম নিদর্শন মাকামে ইবরাহিম



বাইতুল্লাহ। মহান আল্লাহর ঘর। ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজরিত এ পাথর। মহান আল্লাহর কুদরতি আদেশে কাবা ঘর নির্মাণের সময় তা লিফটের কাজ করে। উপরে উঠার প্রয়োজন হলে উপরে উঠে যেত। আর নিচে নামার প্রয়োজন হলে নিচে নামত। পবিত্র কাবা শরিফ নির্মাণ করার সময় হজরত ইবরাহিম আলাইহিস পুত্র হজরত ইসমাইল আলাইহিস সালাম এ পাথরটি নির্বাচন করেছিলেন।

মাকামে ইবরাহিম এর উৎস

হজরত আমর বিন আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি- ‘নিশ্চয়ই হাজরে আসওয়াদ ও মাকামে ইবরাহিম বেহেশতের দুটি ইয়াকুত পাথর। আল্লাহ এই দুটি পাথরের নূর মিশিয়ে দিয়েছেন। এগুলোর আলোতে পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত সমস্ত ভূখ- আলোকোজ্জ্বল হয়ে যেত।’ (সুনানে তিরমিজি)

বর্ণিত আছে যে, হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম মাকামে ইবরাহিম পাথর নিয়ে এসে হজরত ইবরাহিম আলাইহি সালামের পায়ের নিচে রেখে দেন।

মাকামে ইবরাহিম স্থাপন

ইমাম বাইহাকি রহ. এর এক বর্ণনায় জানা যায়, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়কাল থেকে হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর খিলাফাতের সময় পর্যন্ত এ পাথর বাইতুল্লাহর সঙ্গে মিলিত ছিল।
হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর খিলাফাতের সময়কালে বন্যার ¯্রােতে এ পাথরটি ভেসে যায়। পরে তিনি তা সংগ্রহ করে বাইতুল্লাহ থেকে একটু দূরে সরিয়ে অন্য পাথর দিয়ে স্থায়ীভাবে পরিবেষ্টিত করে রেখে দেন। সে সময় থেকে আজও মাকামে ইবরাহিম নামের ঐতিহাসিক পাথরটি কাবা চত্ত্বরে কাঁচ দিয়ে ঘেরা অবস্থায় ঐ একই স্থানে সংরক্ষিত আছে।

লিফটের প্রেয়োজন পূরণে মাকামে ইবরাহিম

তা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের কাবা শরিফ নির্মাণ কালে লিফটের কাজটি সম্পন্ন করেছিলেন। কাবার গাঁথুনি যখন ধীরে ধীরে ওপরের দিকে ওঠছিল তখন ওপরের দিকে গাঁথুনি দিতে তিনি এ পাথরের ওপর উঠলে সেটি আল্লাহর কুদরতে ওপরে ওঠে যেত। নিচে নামার প্রয়োজন হলে নিচে নামত।

যা ছিল মহান আল্লাহর অনন্য নিদর্শন। আর এ কারণেই আল্লাহ তাআলা পিতা-পুত্রের কাজের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ পাথরটির নিকটে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ার কথা উল্লেখ করেছেন।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এবং (সেই সময় কে স্মরণ কর) যখন কাবাগৃহকে মানবজাতির সম্মিলনক্ষেত্র ও নিরাপত্তাস্থল করেছিলাম। (এবং বলেছিলাম) তোমরা মাকামে ইবরাহিমকে (ইবরাহিমের দাঁড়ানোর জায়গায়) নামাজের জায়গা হিসেবে গ্রহণ কর।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১২৫)

আল্লাহ তাআলার এ নির্দেশেই বুঝা যায় যে, মাকামে ইবরাহিমের মর্যাদা অনেক বেশি। আর হাজরে আসওয়াদ এবং মাকামে ইবরাহিম মুসলিম উম্মাহর জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে উপহার এবং প্রাচীন নির্দশন।

এ ঐতিহাসিক জান্নাতি পাথরটিতে হজরত ইবরাহিম আলাইহি সালামের পায়ের ছাপ এখনও বিদ্যমান। হজ ওমরা ও জিয়ারতকারীরা কাবা চত্ত্বরে কাঁচ ঘেরা মাকামে ইবরাহিমের পাশে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন এবং তা স্বচক্ষে দেখেন।

পিতা-পুত্রের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর যখন কাবা ঘর নির্মাণ শেষ হয়; তখন আল্লাহ তাআলা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে মাকামে ইবরাহিমে দাঁড়িয়ে বিশ্বব্যাপী হজের আহ্বান জানানোর নির্দেশ প্রদান করেন।
মুসলিম উম্মাহ তাওয়াফ সম্পন্ন করার পর মাকামে ইবরাহিমের নিকট দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করে। আল্লাহর নির্দেশে এ স্থানে নামাজ আদায় করেছেন প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সেই পাথর ও স্থান এখনো বিদ্যমান।

মহান আল্লাহ মুসলিম উম্মাহকে যথাযথভাবে হজ ও ওমরা পালন করার তাওফিক দান করুন। এবং ঐতিহাসিক ইসলামিক নিদর্শন স্বচক্ষে দেখার তাওফিক দান করুন। আমিন।

বাইতুল্লাহ। মহান আল্লাহর ঘর। ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজরিত এ পাথর। মহান আল্লাহর কুদরতি আদেশে কাবা ঘর নির্মাণের সময় তা লিফটের কাজ করে। উপরে উঠার প্রয়োজন হলে উপরে উঠে যেত। আর নিচে নামার প্রয়োজন হলে নিচে নামত। পবিত্র কাবা শরিফ নির্মাণ করার সময় হজরত ইবরাহিম আলাইহিস পুত্র হজরত ইসমাইল আলাইহিস সালাম এ পাথরটি নির্বাচন করেছিলেন।

মাকামে ইবরাহিম এর উৎস

হজরত আমর বিন আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি- ‘নিশ্চয়ই হাজরে আসওয়াদ ও মাকামে ইবরাহিম বেহেশতের দুটি ইয়াকুত পাথর। আল্লাহ এই দুটি পাথরের নূর মিশিয়ে দিয়েছেন। এগুলোর আলোতে পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত সমস্ত ভূখ- আলোকোজ্জ্বল হয়ে যেত।’ (সুনানে তিরমিজি)

বর্ণিত আছে যে, হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম মাকামে ইবরাহিম পাথর নিয়ে এসে হজরত ইবরাহিম আলাইহি সালামের পায়ের নিচে রেখে দেন।

মাকামে ইবরাহিম স্থাপন

ইমাম বাইহাকি রহ. এর এক বর্ণনায় জানা যায়, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়কাল থেকে হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর খিলাফাতের সময় পর্যন্ত এ পাথর বাইতুল্লাহর সঙ্গে মিলিত ছিল।
হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর খিলাফাতের সময়কালে বন্যার ¯্রােতে এ পাথরটি ভেসে যায়। পরে তিনি তা সংগ্রহ করে বাইতুল্লাহ থেকে একটু দূরে সরিয়ে অন্য পাথর দিয়ে স্থায়ীভাবে পরিবেষ্টিত করে রেখে দেন। সে সময় থেকে আজও মাকামে ইবরাহিম নামের ঐতিহাসিক পাথরটি কাবা চত্ত্বরে কাঁচ দিয়ে ঘেরা অবস্থায় ঐ একই স্থানে সংরক্ষিত আছে।

লিফটের প্রেয়োজন পূরণে মাকামে ইবরাহিম

তা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের কাবা শরিফ নির্মাণ কালে লিফটের কাজটি সম্পন্ন করেছিলেন। কাবার গাঁথুনি যখন ধীরে ধীরে ওপরের দিকে ওঠছিল তখন ওপরের দিকে গাঁথুনি দিতে তিনি এ পাথরের ওপর উঠলে সেটি আল্লাহর কুদরতে ওপরে ওঠে যেত। নিচে নামার প্রয়োজন হলে নিচে নামত।

যা ছিল মহান আল্লাহর অনন্য নিদর্শন। আর এ কারণেই আল্লাহ তাআলা পিতা-পুত্রের কাজের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ পাথরটির নিকটে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ার কথা উল্লেখ করেছেন।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এবং (সেই সময় কে স্মরণ কর) যখন কাবাগৃহকে মানবজাতির সম্মিলনক্ষেত্র ও নিরাপত্তাস্থল করেছিলাম। (এবং বলেছিলাম) তোমরা মাকামে ইবরাহিমকে (ইবরাহিমের দাঁড়ানোর জায়গায়) নামাজের জায়গা হিসেবে গ্রহণ কর।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১২৫)

আল্লাহ তাআলার এ নির্দেশেই বুঝা যায় যে, মাকামে ইবরাহিমের মর্যাদা অনেক বেশি। আর হাজরে আসওয়াদ এবং মাকামে ইবরাহিম মুসলিম উম্মাহর জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে উপহার এবং প্রাচীন নির্দশন।

এ ঐতিহাসিক জান্নাতি পাথরটিতে হজরত ইবরাহিম আলাইহি সালামের পায়ের ছাপ এখনও বিদ্যমান। হজ ওমরা ও জিয়ারতকারীরা কাবা চত্ত্বরে কাঁচ ঘেরা মাকামে ইবরাহিমের পাশে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন এবং তা স্বচক্ষে দেখেন।

পিতা-পুত্রের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর যখন কাবা ঘর নির্মাণ শেষ হয়; তখন আল্লাহ তাআলা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে মাকামে ইবরাহিমে দাঁড়িয়ে বিশ্বব্যাপী হজের আহ্বান জানানোর নির্দেশ প্রদান করেন।
মুসলিম উম্মাহ তাওয়াফ সম্পন্ন করার পর মাকামে ইবরাহিমের নিকট দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করে। আল্লাহর নির্দেশে এ স্থানে নামাজ আদায় করেছেন প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সেই পাথর ও স্থান এখনো বিদ্যমান।

মহান আল্লাহ মুসলিম উম্মাহকে যথাযথভাবে হজ ও ওমরা পালন করার তাওফিক দান করুন। এবং ঐতিহাসিক ইসলামিক নিদর্শন স্বচক্ষে দেখার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Wednesday, July 10, 2019

স্বাগতম বর্ষা

এলো বর্ষা আনন্দের দোলা বয়ে, গেলো সকলের মনে
মেঘে মেঘে ঘর্ষণ, বৃষ্টি ঝরে অবিরল
পানিতে ভরে গেলো রাস্তা ঘাট, মাঠ জনপদ
এবার চাষীরা বুনবে ধান পাট, আরও কত কি
নতুন ফসল ফলবে, সোনা ফলবে মাঠে মাঠে,
গাছে গাছে কদম ফুল ফুটবে
আহা কি সুন্দর এদেশ আমার
ফলে ফুলে ভরা
বুক ভরা আসায় সবার মনে দোলা লাগবে
রাখালেরা আপন মনে বাঁশি বাজাবে
সবাই আনন্দের কোলাহলে কাটাবে দিন

কোন গোলাপ কিসের প্রতীক

  ভালোবাসার ফুল গোলাপ। এটি ভালোবাসার ভাষা বুঝতে ও বোঝাতে পারে। তাই উপহার হিসেবে গোলাপেরই চাহিদা এখন সবার উপরে। লাল গোলাপ প্রেমের কবিতা আর গল...