Thursday, December 12, 2019

Education

বিশ্ব মুসলিমের জন্য একটি সেরা সংবাদ যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নাম ‘মুহাম্মাদ’ ইউরোপের পর এবার আমেরিকায়ও ব্যাপক জনপ্রিয়। আগে থেকেই ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্যে নবজাতক শিশুদের জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় নাম ছিল ‘মুহাম্মাদ’। এ তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে আমেরিকা।
যুক্তরাজ্যে তিন বছর ধরে নবজাতক শিশুদের যত নাম রাখা হয়েছে, এর মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক নাম রাখা হয়েছে ‘মুহাম্মাদ’। শুধু মুহাম্মাদ নামই নয়, বরং নবজাতক ছেলে ও মেয়েদের ক্ষেত্রে আরবি নামের দিকেই বেশি ঝুঁকছে ইউরোপের দেশগুলো।
 
যুক্তরাজ্যের শীর্ষ ১০০ নামের তালিকায় যেসব নাম রয়েছে সেগুলোর মধ্যে বেশি হচ্ছে-
>> মারিয়াম
>> ফাতিমা
>> জারা
>> নূর
>> নূহ
>> ইবরাহিম
>> আহমাদ
>> আলি
>> মুহাম্মাদ
আরবি নামগুলোর মধ্যে ‘মুহাম্মাদ’ যে শুধু এবারই সর্বাধিকসংখ্যক রাখা হয়েছে এমন নয়, বরং ২০১৫ সালেও যুক্তরাজ্যে ‘মুহাম্মাদ’ নামটি শীর্ষস্থানে ছিল। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল নূহ। ইউরোপের জনপ্রিয় নাম ‘অলিভার’ ৯ বছর ধরে শীর্ষ ৩-এ যেতে পারেনি।
যুক্তরাজ্যের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১৯২৪ সাল থেকে ইউরোপে ‘মুহাম্মাদ’ নামের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে, যা বর্তমানে প্রথম স্থান দলখ করে আছে।
যুক্তরাজ্যের বেবি সেন্টার শিশুদের নামের এ তালিকা নির্ণয় ও প্রকাশ করে। নামের প্রতিযোগিতায় যুক্তরাজ্যে ‘মুহাম্মাদ’ নামই সর্বাধিক রাখা হয়। বেবি সেন্টার সূত্রে পাওয়া মেয়ে শিশুদের ১০০ নামের তালিকার মধ্যে শীর্ষ তিনটি নাম হলো-
>> অলিভিয়া
>> সোফিয়া
>> ইফা
>> ফাতিমা (৩৩তম)
>> জারা (৩৭তম)
>> নূর (৪৫তম)
>> মারিয়াম (৫৯)
 
আমেরিকায় মুহাম্মাদ নাম
‘মুহাম্মাদ’সহ আরবি নাম রাখার ব্যাপারে যুক্তরাজ্যের এ প্রভাব পড়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। প্রথম বারের মতো ২০১৯-এ আমেরিকায় ব্যাপকহারে রাখা নাম হচ্ছে ‘মুহাম্মাদ’।
বেবি সেন্টারের নামের তালিকায় ইউরোপের যুক্তরাজ্যে মুহাম্মাদ নামটি শীর্ষ তালিকায় ছিল। এবার তা আমেরিকায় শীর্ষ নামের তালিকার দিকে এগুচ্ছে। ইউরোপ ও আমেরিকায় নবজাতকের নাম রাখার ক্ষেত্রে এ নামটিই অগ্রাধিকার পাচ্ছে বেশি।
আমেরিকার বেসরকারি এক তথ্য গবেষণা সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ‘মুহাম্মাদ’ নামটি ২০১৮ সাল থেকে ২০১৯-এ ২৯% বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। মেয়েদের মধ্যে আরবি নাম ‘আলিয়া’ ও ‘লায়লা’ শীর্ষ ১০ নামে স্থান করে নিয়েছে।
২০১৩ সালে ‘মুহাম্মাদ’ নামটি আমেরিকায় শীর্ষ ১০০ নামের তালিকায় এসেছিল। ২০১৯ সালে এসে ‘মুহাম্মাদ’ নামটি শীর্ষ ১০-এ স্থান করে নিয়েছে।
আমেরিকায় ছেলে শিশুদের শীর্ষ ১০ নাম-
>> লিয়াম
>> জ্যাকসন
>> নূহ
>> আইডেন
>> গ্রেসন
>> সেডেন
>> লুকাস
>> ইলিজাহ
>> অলিভার
>> মুহাম্মাদ
আর মেয়ে শিশুদের শীর্ষ ১০ নাম-
>> সোফিয়া
>> অলিভিয়া
>> ইম্মা
>> আভা
>> অরিয়া
>> ইসাবেলা
>> এমেলিয়া
>> মিয়া
>> রিলেই
>> আলিয়া।
ইউরোপ-আমেরিকায় ‘মুহাম্মাদ’সহ আরবি নামের ব্যাপক প্রচলনই প্রমাণ করে যে, মানুষ কুরআন ও হাদিসের দিকে খুঁজছে শান্তি ও নিরাপত্তা। এ নাম রাখাই তার বহিঃপ্রকাশ।

 
 

other

সরিষা ফুলে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠ

অগ্রহায়ণের হিমেল বাতাসে দোল খাচ্ছে হলুদ সরিষার ফুল। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত যেমন মাঠ, তেমনি বাম্পার ফলনের হাতছানিতে কৃষকের চোখেমুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি। যেন সরিষার হলুদ হাসিতে স্বপ্ন দেখছে কৃষক।
চলতি মৌসুমে যশোরের শার্শা উপজেলায় রেকর্ড পরিমাণ জমিতে উন্নত জাতের সরিষা চাষ হয়েছে। বেড়ে ওঠা গাছ আর ফুল দেখে বেশি ফলনের স্বপ্ন দেখছেন উপজেলার কৃষকরা। গত বছর স্থানীয় বাজারে উন্নত জাতের সরিষার দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা এবারও সরিষা চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর প্রত্যেক চাষি বেশি মুনাফা লাভ করবে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, শার্শা উপজেলা সরিষা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। চলতি মৌসুমে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ১ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যা গতবারের চেয়ে ২শ’ হেক্টর বেশি। গত মৌসুমে চাষ হয়েছিল ১ হাজার ২শ’ হেক্টর জমিতে। কৃষকরা অধিকাংশ জমিতে উচ্চ ফলনশীল (উফশী) বারি-১৪, বারি-৯, বিনা-৯/১০, সরিষা-১৫, সোনালি সরিষা (এসএস-৭৫) ও স্থানীয় টরি-৭ আবাদ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বছরের পর বছর স্থানীয় জাত চাষ করে ফলন কম হওয়া ও উৎপাদনে সময় বেশি লাগার কারণে কৃষকরা সরিষা চাষ অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। তবে চলতি মৌসুমের শুরুতে উপজেলা কৃষি বিভাগ ‘বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট’ উদ্ভাবিত বেশি ফলনশীল বারি-১৪ জাতের সরিষা চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে। এ জাতের সরিষা মাত্র ৭৫-৮০ দিনে ঘরে তোলা যায়। প্রতি হেক্টরে ফলন হয় প্রায় দেড় হাজার কেজি। সরিষা কেটে ওই জমিতে আবার বোরো আবাদ করা যায়। এতে কৃষি জমির সর্বাধিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়।
উপজেলার শ্যামলাগাছি গ্রামের সরিষা চাষি নজরুল ইসলাম জানান, তিনি এ বছর ২ বিঘা জমিতে বারি-১৪ ও বিনা-৯/১০ জাতের সরিষার আবাদ করেছেন। বিঘাপ্রতি তার প্রায় ৩-৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সরিষা ভালো হয়েছে। তিনি আশা করছেন বাম্পার ফলন হবে।
একই গ্রামের কৃষক আফজাল শেখ জানান, গত বছর বাজারে সরিষার দাম ভালো পাওয়ায় এবারও সরিষা চাষ করেছেন। ফলন ভালো ও দাম পেলে আগামী বছর সরিষা চাষে অনেকেই ঝুঁকে পড়বেন।
উপজেলার ঘিবা গ্রামের কৃষক মহিউদ্দিন জানান, কৃষি অফিসের পরামর্শে ২ বিঘা জমিতে উন্নত জাতের সরিষার আবাদ করেছেন। সরিষার জমিতে ধানের আবাদও ভালো হয় এবং বোরো চাষে খরচ কম হয়।
শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সৌতম কুমার শীল জানান, কৃষকদের যথাযথ পরামর্শ ও পরিচর্যার বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। বারি-১৪ সহ অন্যান্য সরিষা বপনের মাত্র ৭৫-৮০ দিনের মধ্যে এর ফলন পাওয়া যায়। এ সরিষা উঠিয়ে আবার বোরো আবাদ করতে পারেন বলে একে কৃষকরা ‘লাভের ফসল’ হিসেবে অভিহিত করে থাকেন।


 

Tuesday, December 10, 2019

places and regions

শুরু হচ্ছে ঢাকা-দার্জিলিং-সিকিম বাস চলাচল 

ঢাকা থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং ও সিকিমে প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে বাস সার্ভিস।
আগামী ১২ ডিসেম্বর এ সার্ভিসের ট্রায়াল রান যাত্রা হবে বলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) সূত্রে জানা গেছে।
বিআরটিসি’র চেয়ারম্যান এহছানে এলাহী এ বিষয়ে বলেন, ১২ ডিসেম্বর দুটি বাস সিকিম ও দার্জিলিংয়ের পথে রওনা দেবে। বাস দুটি রাজধানীর মতিঝিল থেকে ছাড়বে। পাঁচ দিনের সফর শেষে ১৬ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসবে।
১২ ডিসেম্বরের যাত্রাটি ট্রায়াল রান হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ঢাকা-সিকিম রুটের বর্তমান অবস্থা, পর্যটক সুবিধা ও নিয়মিত বাস চালু করতেই ট্রায়াল রানটি চালানো হবে। ঢাকা থেকে ট্রায়াল রানে যাওয়া বাসগুলোতে বাংলাদেশ ও ভারতের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কারিগরি টিম থাকবে বলে জানা গেছে।
ঢাকা থেকে বাংলাবান্ধার দূরত্ব প্রায় ৫০০ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে শিলিগুড়ির দূরত্ব ৫২০ কিলোমিটার। সেখান থেকে সিকিমের গ্যাংটকের দূরত্ব আরও ১২০ কিলোমিটার। নতুন এ বাস সার্ভিস চালু হলে ভারতের এ দুটি পর্যটন গন্তব্যে আগের চেয়ে সহজে ও আরামদায়কভাবে যাতায়াত করতে পারবেন ভ্রমণপিপাসুরা।

education

সুলতান মসজিদ

মসজিদে সুলতান বা সুলতান মসজিদ। ২০০ বছরের দীর্ঘ ঐতিহ্যকে সব ধর্মের লোকদের অন্তরে আপন নিবাস হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। 
১৮১৯ সালে সিঙ্গাপুর বিট্রিশদের আয়ত্বে চলে যায়। সে সময় সিঙ্গপুরের শাসন পরিচালনা করছিলেন টেমেংগং আব্দুল রহমান ও সুলতান হুসেন শাহ। সুলতান হুসেন শাহ-ই ১৮২৪ সালে তার বাড়ির পাশে সুলতান মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রায় ২০০ বছরের পুরনো এ মসজিদটি সব ধর্মের আশ্রয়হীন লোকদের নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। এটি সিঙ্গাপুরের রোচার জেলার কমপংগ্লাম অঞ্চলের মাসকট স্ট্রিট ও উত্তর ব্রিজ রোডে অবস্থিত।
১৮২৪ সালে সুলতান হুসেন শাহ তার বাড়ির পাশে এ মসজিদ নির্মাণ শুরু করলেও ৮ মার্চ ১৯৭৫ সালে অত্যাধুনিক ও সুন্দর অবকাঠামোতে পরিণত হয় এটি। সুলতান হুসেন শাহ-এর নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় সুলতান মসজিদ। এ মসজিদটি সিঙ্গাপুরের জাতীয় প্রতীক/স্তম্ভ হিসেবেও মনোনীত।
এ মসজিদটির অভ্যন্তরে একটি অংশ রয়েছে যেখানে গৃহহীন মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করে। তবে আগে থেকেই তাদেরকে নাম নিবন্ধন করতে হয়
১৮১৯ সালে সিঙ্গাপুর বিট্রিশদের আয়ত্বে চলে যায়। সে সময় সিঙ্গপুরের শাসন পরিচালনা করছিলেন টেমেংগং আব্দুল রহমান ও সুলতান হুসেন শাহ। সুলতান হুসেন শাহ-ই ১৮২৪ সালে তার বাড়ির পাশে সুলতান মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রায় ২০০ বছরের পুরনো এ মসজিদটি সব ধর্মের আশ্রয়হীন লোকদের নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। এটি সিঙ্গাপুরের রোচার জেলার কমপংগ্লাম অঞ্চলের মাসকট স্ট্রিট ও উত্তর ব্রিজ রোডে অবস্থিত।
১৮২৪ সালে সুলতান হুসেন শাহ তার বাড়ির পাশে এ মসজিদ নির্মাণ শুরু করলেও ৮ মার্চ ১৯৭৫ সালে অত্যাধুনিক ও সুন্দর অবকাঠামোতে পরিণত হয় এটি। সুলতান হুসেন শাহ-এর নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় সুলতান মসজিদ। এ মসজিদটি সিঙ্গাপুরের জাতীয় প্রতীক/স্তম্ভ হিসেবেও মনোনীত।
এ মসজিদটির অভ্যন্তরে একটি অংশ রয়েছে যেখানে গৃহহীন মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করে। তবে আগে থেকেই তাদেরকে নাম নিবন্ধন করতে হয় । মসজিদের পক্ষ থেকে তাদেরকে বিনামূল্যে পানি সরবরাহ করা হয়। গৃহহীনদের মসজিদে আশ্রয় নেয়ার অন্যতম শর্ত হলো- গৃহহীন এসব মানুষ মসজিদে থেকে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করতে পারে।
তবে গৃহহীন আশ্রয়গ্রহণকারীরা মসজিদের মূল ভবনের গেট দিয়ে বরাদ্দকৃত স্থানে প্রবেশ করতে পারবে না। ইবাদতকারীদের যেন নামাজে ব্যঘাত না ঘটে সে জন্য আশ্রয় অংশের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
মসজিদ কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞদের ধারণা, গৃহহীন মানুষ মসজিদে বিশ্রাম কিংবা আশ্রয় নেয়ার ফলে তাদের চলাফেরায় নৈতিক পরিবর্তন আসবে। পাশাপাশি তারা যদি অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে তবে তাদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা হ্রাস পাবে।
তবে মসজিদটিতে শুধু গৃহহীন পুরুষদেরই সার্বিক সহায়তা দেবে কর্তৃপক্ষ। মসজিদের আশ্রয় প্রকল্পের স্থান সীমিত হওয়ায় প্রত্যেক গৃহহীন নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পাওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত কিছুদিন এখানে থাকতে পারবেন।
আশ্রয়হীন ব্যক্তিরা মসজিদে অবস্থান করে রাষ্ট্রীয় সমাজ ও পরিবার উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (এমএসএফ) ও অন্যান্য সামাজিক পরিষেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তারা নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ পাবে।
মালয়েশিয়ানভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ওয়ার্ল্ড অব বাজ’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনের কাছে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সুলতান মসজিদের সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা আইজুদ্দিন জানান, ‘সম্প্রতি সিঙ্গপুরে মানুষের গৃহহীন হওয়ার বিষয়টি নতুনভাবে দেখা দিয়েছে। গৃহহীনদের নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ার আগ পর্যন্ত মসজিদের একটি নির্ধারিত স্থানে থাকার ব্যবস্থা করেছে কর্তৃপক্ষ। তারা গৃহহীনদের স্থায়ী বসবাসের স্থান খুঁজে দেয়ার ব্যবস্থাও অব্যাহত রাখবেন।‘
। মসজিদের পক্ষ থেকে তাদেরকে বিনামূল্যে পানি সরবরাহ করা হয়। গৃহহীনদের মসজিদে আশ্রয় নেয়ার অন্যতম শর্ত হলো- গৃহহীন এসব মানুষ মসজিদে থেকে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করতে পারে।
তবে গৃহহীন আশ্রয়গ্রহণকারীরা মসজিদের মূল ভবনের গেট দিয়ে বরাদ্দকৃত স্থানে প্রবেশ করতে পারবে না। ইবাদতকারীদের যেন নামাজে ব্যঘাত না ঘটে সে জন্য আশ্রয় অংশের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
মসজিদ কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞদের ধারণা, গৃহহীন মানুষ মসজিদে বিশ্রাম কিংবা আশ্রয় নেয়ার ফলে তাদের চলাফেরায় নৈতিক পরিবর্তন আসবে। পাশাপাশি তারা যদি অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে তবে তাদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা হ্রাস পাবে।
তবে মসজিদটিতে শুধু গৃহহীন পুরুষদেরই সার্বিক সহায়তা দেবে কর্তৃপক্ষ। মসজিদের আশ্রয় প্রকল্পের স্থান সীমিত হওয়ায় প্রত্যেক গৃহহীন নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পাওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত কিছুদিন এখানে থাকতে পারবেন।
আশ্রয়হীন ব্যক্তিরা মসজিদে অবস্থান করে রাষ্ট্রীয় সমাজ ও পরিবার উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (এমএসএফ) ও অন্যান্য সামাজিক পরিষেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তারা নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ পাবে।
মালয়েশিয়ানভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ওয়ার্ল্ড অব বাজ’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনের কাছে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সুলতান মসজিদের সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা আইজুদ্দিন জানান, ‘সম্প্রতি সিঙ্গপুরে মানুষের গৃহহীন হওয়ার বিষয়টি নতুনভাবে দেখা দিয়েছে। গৃহহীনদের নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ার আগ পর্যন্ত মসজিদের একটি নির্ধারিত স্থানে থাকার ব্যবস্থা করেছে কর্তৃপক্ষ। তারা গৃহহীনদের স্থায়ী বসবাসের স্থান খুঁজে দেয়ার ব্যবস্থাও অব্যাহত রাখবেন।‘

lifestyle

মাড়ি ফোলার সমস্যা

দাঁতের সমস্যার মতোই মাড়ির সমস্যাও বেশ অস্বস্তিকর ও কষ্টদায়ক।
মাড়ি ফোলার সমস্যা হলে খেতে যেমন সমস্যা হয়, তেমনি একটু খোচা বা চাপ লাগলেও মাড়ি থেকে রক্ত বের হতে পারে। মাড়ির সমস্যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। অপুষ্টি, মুখের সংক্রমণ, দাঁতের যত্ন না নেয়া ও ভালো করে মুখের ভেতর নিয়মিত পরিষ্কার না করা। এ ধরনের সমস্যায় ঘরোয়া কিছু উপায় খুব উপকারী।
আদা: মুখের যেকোনো সংক্রমণে আদা সেই প্রাচীনকাল থেকে ঔষধি হিসেবে চলে আসছে। শুধু সংক্রমণ নষ্ট করাই নয়, মুখে নতুন করে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণও অনেকটা রোধ করে।
লবণপানি: লবণপানি দিয়ে কুলকুচি করলে মুখের সংক্রমণ বা জীবাণু নষ্ট হয়। ফলে অনেকটা আরাম মেলে। সংক্রমণ দূর হয় বলে মাড়ির ফোলাভাবটাও সঙ্গে সঙ্গে অনেকটাই কমে যায়।
লবঙ্গ: দাঁতের সমস্যায় লবঙ্গ এককথা
য় সবচেয়ে উপকারী ঘরোয়া টোটকা। দাঁতের ব্যথা হোক বা মাড়ি ফোলা সমস্যায় লবঙ্গ দ্রুত মুক্তি দিতে সাহায্য করে।
ক্যাস্টর অয়েল: ক্যাস্টর অয়েল শুধু চুলের জন্যই ভালো নয়, দাঁতের জন্যও যথেষ্ট উপকারী। এই তেল যদি আক্রান্ত স্থানে লাগানো যায়, তাহলে অবশ্যই উপকার পাওয়া যায়।
সরিষার তেল: সরিষার তেলে যন্ত্রণা উপশমকারী একাধিক দ্রব্য রয়েছে। তেলের সঙ্গে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে মাড়িতে মালিশ করলে উপকার পাওয়া যাবে।
লেবুপানি: সকালে দাঁত মাজার আগে লেবুর টক পানি দিয়ে মুখ ভালো করে কুলকুচি করলে মাড়ির সমস্যা অনেকাংশে রোধ করা যায়।
টি ট্রি অয়েল: মাড়ির সমস্যায় উপকারী উপকরণ হলো টি ট্রি অয়েল। এ তেল দিয়ে দাঁতের গোড়ায় মালিশ করলে ফোলা মাড়ির অস্বস্তির হাত থেকে অনেকটা নিস্তার পাওয়া যায়।





কোন গোলাপ কিসের প্রতীক

  ভালোবাসার ফুল গোলাপ। এটি ভালোবাসার ভাষা বুঝতে ও বোঝাতে পারে। তাই উপহার হিসেবে গোলাপেরই চাহিদা এখন সবার উপরে। লাল গোলাপ প্রেমের কবিতা আর গল...