Sunday, February 21, 2021

Eid-ul-Azha being celebrated


Muslims throughout the country are celebrating Eid-ul-Azha with the sacrifice of animals and the distribution of the meat among neighbours, family members, and the poor.

The day commemorates Hazrat Ibrahim’s devotion to Allah as illustrated by his readiness to give up his beloved son Hazrat Ismail.
Eid means spreading happiness beyond boundaries, beyond age or beyond race.

Millions of Muslims offered prayers in Eidgahs (open spaces) and mosques this (Wednesday) morning all over the country, seeking divine blessings, peace and progress for the country.

In Dhaka, the main congregation of Eid-ul-Azha was held at the National Eidgah at 8am where President Abdul Hamid offered his Eid prayers along with hundreds of people from all walks of life.There was a separate arrangement at the National Eidgah for women to offer their Eid prayers.

The congregation at National Eidgah. Thousands gathered at the venue to offer prayers on Eid morning.

Besides, five Eid congregations were held at the Baitul Mukarram National Mosque at 7am, 8am, 9am, 10am and 10:45am.

Eid congregations were held at 409 spots in the capital. Of the total, 230 Eid jamaats, including the main Eid congregation, were held under the Dhaka South City Corporation (DSCC) while the rest 179 under Dhaka North City Corporation (DNCC).

Sholakia Eidgah in Kishoreganj and Gor-e-Shaheed Baro Maidan in Dinajpurhosted the country’s largest Eid congregations.
People offering prayers before Baitul Mukarram, the national Eidgah. Photo: Prabir Das

Meanwhile, the main city streets and road islands have been decorated with the national flags and banners inscribed with ‘Eid Mubarak’ in Bangla and Arabic.

Special diets are being served in hospitals, jails, government orphanages, centres for persons with disabilities, shelter homes and vagrant and destitute welfare centres.

Add a Comment

Logged in as salma. Log out?

00:00
02:44

Tuesday, February 16, 2021

Bangladesh

Google Doodle celebrates Pohela Boishakh

Over the years, it has become a key element of Pohela Boishakh celebrations

The world’s most popular search engine has created a doodle depicting the Mongol Shobhajatra procession to welcome Pohela Boishakh, the first day of the Bangla New Year.

The doodle, featuring a tiger, has been on Google’s homepage since early Sunday.

Mongol Shobhajatra was inscribed on Unesco’s Representative List of Intangible Cultural Heritage in November 2016.

The procession, introduced in Jessore in 1985—and replicated in Dhaka in 1989—features large colourful masks, carnival floats of birds and animals, and other motifs of Bangladeshi culture.

Over the years, it has become a key element of the Pohela Boishakh celebrations among Bangalis at home and abroad.

Radical Islamist groups and parties have been demanding that the procession be scrapped, dubbing it “anti-Islamic.”

Pohela Boishakh celebrations started during Mughal Emperor Akbar’s reign, when it was customary to clear all dues on the last day of the Bangla month Chaitra as businessmen would open “halkhata” —  new books of accounts for the new year.

A Google Doodle is a special, temporary, alteration of the logo on Google’s homepage that is intended to celebrate: holidays, events, achievements, and people. Google Doodles were introduced in 1998.

Tuesday, February 9, 2021

গোলাপের পাপড়ি


    গোলাপ ফুলকে বলা হয় ফুলের রানী  ভালবাসার মানুষদের উপহার দেওয়া হয়  ফুল। কিন্তু গোলাপ ফুল যে শুধুই ভালবাসার মানুষ কে দেওয়া হয় এমন টা নয়। যে কাউকেই উপহার দেওয়া যায় ফুল। তবে গোলাপ ফুল শুধুই উপহারের জন্য অথবা সাজ সজ্জার জন্য নয়। রূপচর্চাতেও রয়েছে এর বহু গুনাগুণ। গোলাপের পাপড়ি দিয়ে চুল এবং ত্বক উভয়ের যত্ন নেওয়া যায়।

    এমনকি গোলাপ পাপড়ি নিয়ে প্রাচীন গ্রীসের এবং রোমানের একটি কথাও প্রচলিত আছে। তারা গোলাপের পাপড়ি ব্যাবহার করতো নিজেদের গোসলের জায়গায় সুগন্ধি হিসেবে। গোলাপের পাপড়ি দিয়ে তৈরি গোলাপজল ত্বকে টোনার হিসেবে কাজ করে। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে এক টুকরো তুলো গোলাপজলে ভিজিয়ে নিয়ে আলতো করে সম্পূর্ণ মুখ পরিষ্কার করে নিতে হবে। এভাবে ত্বকে জমে থাকা ময়লা, পাশাপাশি মেকআপ ভালো করে উঠে আসে।

    গোলাপের পাপড়ি তে থাকা প্রাকৃতিক তেল ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে। এভাবে ত্বক মসৃণ ও কোমল হতে থাকে। যাদের অনেক বেশি সংবেদনশীল তাদের জন্য গোলাপের পাপড়িতে থাকা চিনি অনেক বেশি কার্যকরী।

    গোলাপের পাপড়িতে অনেক বেশি পরিমানে ভিটামিন-সি সম্পন্ন; যা সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। ত্বকের জন্য মিশ্রণটি বানাতে শশার রসের সাথে গ্লিসারিন, এবং গোলাপজল মেশাতে হবে। ঘরের বাইরে যাওয়ার আগে মুখে মেখে নিতে হবে।

    ব্রণের সমস্যা দূর করায় ভূমিকা রাখে। এতে উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণ উঠার প্রবণতা দূর করে। ত্বকে মাঝে মাঝে প্রদাহ হয়, সেটিও দূর করতে পারে গোলাপ পাপড়ি। সেই সাথে ত্বকের লালচে ভাব, একজিমা এবং সোরিয়াসিস দূর করে।

    চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে। এক টুকরো তুলো নিয়ে গোলাপজলে ভিজিয়ে নিয়ে তা চোখের নিচে রাখতে হবে। কিছুক্ষন রেখে দিতে হবে। এভাবে টানা কয়েকদিন করলেই ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে।

    চুলের গোঁড়ায় পুষ্টি জোগায়। গোলাপের পাপড়ি চুলের ক্ষেত্রেও ব্যাপক ভূমিকা রাখে। চুলের গোঁড়ায় প্রায় সময় প্রয়োজনীয় পুষ্টি পৌঁছতে পারেনা। কিন্তু পাপড়ি তৈরি প্যাক গুলো প্রতিটি জায়গায় পৌঁছতে সক্ষম। চুলের গোঁড়ায় রক্ত চলাচল সচল করে এবং নতুন চুল গজাতে সহায়তা করে।





    Car


    Future 2018 Models Set to Arrive in Dealerships

    2018 is just around the corner, and many of next year’s cars are already on the streets. We have seen important updates to industry stalwarts like the Toyota Camry, Ford Expedition, and Honda Odyssey, as well as new introductions of some exciting niche products.

    The car industry doesn’t follow the calendar like the rest of us do. Models labeled 2018 can arrive anytime after 2017 starts, and many models in this slideshow are already available well before the 2018 calendar goes up on the wall.

    While some of these models are all-new, others are redesigns of existing ilimoww vehicles. That means you might be able to get a great new car deal on the outgoing model as dealers make space for the latest and greatest. Check out our new car deals page for more info.

    Check out the following slides to get a taste of what’s coming and get a look at anything you might have missed.

    Monday, February 8, 2021

    আলুবোখারা

    আলুবোখারা রোজেসি পরিবারভুক্ত সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি প্রজাতি। এটি ইংরেজিতে প্লাম হিসেবে পরিচিত এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম Prunus domestica। সপ্তদশ শতাব্দীতে দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে আলুবোখারার উন্নত জাতগুলো উদ্ভাবিত হয়। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় শীতপ্রধান ও অল্প উষ্ণ এলাকায় বিশেষ করে মধ্য, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা, পশ্চিম এশিয়া, চীন, ভারত, উত্তর আমেরিকা,অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকায় ব্যাপকভাবে আলুবোখারার আবাদ হচ্ছে। বিভিন্ন দেশে এটি বিভিন্ন নামে পরিচিত। বাংলাদেশ ও ভারতে একে আলুবোখারা নামে ডাকা হয়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মসলা গবেষণা কেন্দ্র থেকে উদ্ভাবিত বারি আলুবোখারা-১ জাতটি ২০১৩-১৪ সালে অনুমোদন করা হয়। এর গাছ মাঝারি আকারের, পাঁচ-ছয় মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট হয়ে থাকে। ফেব্রুয়ারিতে এ জাতটিতে ফুল আসে আর জুন মাসে ফল পাকে। আলুবোখারা আকর্ষণীয় উজ্জ্বল লাল রঙের মাঝারি আকারের সুগন্ধিযুক্ত ফল। ফলটি এক থেকে ইঞ্চি পর্যন্ত ব্যাসযুক্ত, গোলাকার ও ওভাল হয়। ফলের খাদ্যাংশ বেশি (৯৭%) এবং মাঝারি টক মিষ্টি স্বাদের হয়। গাছে প্রচুর ফল ধরে। এ জাতটিতে রোগবালাইয়ের আক্রমণ অনেক কম।

    আশ্চর্য রকমের সুস্বাদু ও রসালো এই ফল কাঁচা বা চিনি, মরিচ ও সরিষার তেল সহযোগে চাটনির মতো করে অথবা বিভিন্ন উপাদান যোগ করে রান্না করে খাওয়া যায়। আলুবোখারা দিয়ে জ্যাম, জেলি, চাটনি, কেক, আচার প্রভৃতি তৈরি করা যায়। মধ্য ইংল্যান্ডে সিডার জাতীয় অ্যালকোহলিক বেভারেজ যা প্লাম জাবকাস নামে পরিচিত তা আলুবোখারা থেকেই প্রস্তুত করা হয়।

    শুকনো আলুবোখারা মিষ্টি, রসালো ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এতে খাদ্যশক্তি কম (৪৬ কিলো ক্যালরি) থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিশেষ উপযোগী। এতে যথেষ্ট পরিমাণে পটাসিয়াম, ফ্লোরাইড ও লোহা রয়েছে, যা দেহকোষের সুরক্ষার জন্য উপযোগী। এর অন্য ভিটামিনগুলো শ্বেতসার মেটাবলিজমে এবং হাড়ের গঠনে ফসফরাস ও ভিটামিনকে রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে ও বয়স্কদের আলঝেইমার রোগ প্রতিরোধ করে।

    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের হাড় ক্ষয় হতে থাকে, আলুবোখারা হাড় ক্ষয় রোধ করে হাড়কে মজবুত করে। ডায়াবেটিস রোগের জন্য এই ফল বেশ উপকারী। এটি রক্তে গ্লুুকোজ কমায় এবং দেহে ইনসুলিনের পরিমাণ ঠিক রাখে। আলুবোখারা ক্যান্সার সেল ধ্বংস করে ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

    আলুবোখারা রোজেসি পরিবারভুক্ত সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি প্রজাতি। এটি ইংরেজিতে প্লাম হিসেবে পরিচিত এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম Prunus domestica। সপ্তদশ শতাব্দীতে দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে আলুবোখারার উন্নত জাতগুলো উদ্ভাবিত হয়। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় শীতপ্রধান ও অল্প উষ্ণ এলাকায় বিশেষ করে মধ্য, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা, পশ্চিম এশিয়া, চীন, ভারত, উত্তর আমেরিকা,অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকায় ব্যাপকভাবে আলুবোখারার আবাদ হচ্ছে। বিভিন্ন দেশে এটি বিভিন্ন নামে পরিচিত। বাংলাদেশ ও ভারতে একে আলুবোখারা নামে ডাকা হয়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মসলা গবেষণা কেন্দ্র থেকে উদ্ভাবিত বারি আলুবোখারা-১ জাতটি ২০১৩-১৪ সালে অনুমোদন করা হয়। এর গাছ মাঝারি আকারের, পাঁচ-ছয় মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট হয়ে থাকে। ফেব্রুয়ারিতে এ জাতটিতে ফুল আসে আর জুন মাসে ফল পাকে। আলুবোখারা আকর্ষণীয় উজ্জ্বল লাল রঙের মাঝারি আকারের সুগন্ধিযুক্ত ফল। ফলটি এক থেকে ইঞ্চি পর্যন্ত ব্যাসযুক্ত, গোলাকার ও ওভাল হয়। ফলের খাদ্যাংশ বেশি (৯৭%) এবং মাঝারি টক মিষ্টি স্বাদের হয়। গাছে প্রচুর ফল ধরে। এ জাতটিতে রোগবালাইয়ের আক্রমণ অনেক কম।

    আশ্চর্য রকমের সুস্বাদু ও রসালো এই ফল কাঁচা বা চিনি, মরিচ ও সরিষার তেল সহযোগে চাটনির মতো করে অথবা বিভিন্ন উপাদান যোগ করে রান্না করে খাওয়া যায়। আলুবোখারা দিয়ে জ্যাম, জেলি, চাটনি, কেক, আচার প্রভৃতি তৈরি করা যায়। মধ্য ইংল্যান্ডে সিডার জাতীয় অ্যালকোহলিক বেভারেজ যা প্লাম জাবকাস নামে পরিচিত তা আলুবোখারা থেকেই প্রস্তুত করা হয়।

    শুকনো আলুবোখারা মিষ্টি, রসালো ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এতে খাদ্যশক্তি কম (৪৬ কিলো ক্যালরি) থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিশেষ উপযোগী। এতে যথেষ্ট পরিমাণে পটাসিয়াম, ফ্লোরাইড ও লোহা রয়েছে, যা দেহকোষের সুরক্ষার জন্য উপযোগী। এর অন্য ভিটামিনগুলো শ্বেতসার মেটাবলিজমে এবং হাড়ের গঠনে ফসফরাস ও ভিটামিনকে রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে ও বয়স্কদের আলঝেইমার রোগ প্রতিরোধ করে।

    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের হাড় ক্ষয় হতে থাকে, আলুবোখারা হাড় ক্ষয় রোধ করে হাড়কে মজবুত করে। ডায়াবেটিস রোগের জন্য এই ফল বেশ উপকারী। এটি রক্তে গ্লুুকোজ কমায় এবং দেহে ইনসুলিনের পরিমাণ ঠিক রাখে। আলুবোখারা ক্যান্সার সেল ধ্বংস করে ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

    আলুবোখারা রোজেসি পরিবারভুক্ত সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি প্রজাতি। এটি ইংরেজিতে প্লাম হিসেবে পরিচিত এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম Prunus domestica। সপ্তদশ শতাব্দীতে দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে আলুবোখারার উন্নত জাতগুলো উদ্ভাবিত হয়। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় শীতপ্রধান ও অল্প উষ্ণ এলাকায় বিশেষ করে মধ্য, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা, পশ্চিম এশিয়া, চীন, ভারত, উত্তর আমেরিকা,অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকায় ব্যাপকভাবে আলুবোখারার আবাদ হচ্ছে। বিভিন্ন দেশে এটি বিভিন্ন নামে পরিচিত। বাংলাদেশ ও ভারতে একে আলুবোখারা নামে ডাকা হয়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মসলা গবেষণা কেন্দ্র থেকে উদ্ভাবিত বারি আলুবোখারা-১ জাতটি ২০১৩-১৪ সালে অনুমোদন করা হয়। এর গাছ মাঝারি আকারের, পাঁচ-ছয় মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট হয়ে থাকে। ফেব্রুয়ারিতে এ জাতটিতে ফুল আসে আর জুন মাসে ফল পাকে। আলুবোখারা আকর্ষণীয় উজ্জ্বল লাল রঙের মাঝারি আকারের সুগন্ধিযুক্ত ফল। ফলটি এক থেকে ইঞ্চি পর্যন্ত ব্যাসযুক্ত, গোলাকার ও ওভাল হয়। ফলের খাদ্যাংশ বেশি (৯৭%) এবং মাঝারি টক মিষ্টি স্বাদের হয়। গাছে প্রচুর ফল ধরে। এ জাতটিতে রোগবালাইয়ের আক্রমণ অনেক কম।

    আশ্চর্য রকমের সুস্বাদু ও রসালো এই ফল কাঁচা বা চিনি, মরিচ ও সরিষার তেল সহযোগে চাটনির মতো করে অথবা বিভিন্ন উপাদান যোগ করে রান্না করে খাওয়া যায়। আলুবোখারা দিয়ে জ্যাম, জেলি, চাটনি, কেক, আচার প্রভৃতি তৈরি করা যায়। মধ্য ইংল্যান্ডে সিডার জাতীয় অ্যালকোহলিক বেভারেজ যা প্লাম জাবকাস নামে পরিচিত তা আলুবোখারা থেকেই প্রস্তুত করা হয়।

    শুকনো আলুবোখারা মিষ্টি, রসালো ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এতে খাদ্যশক্তি কম (৪৬ কিলো ক্যালরি) থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিশেষ উপযোগী। এতে যথেষ্ট পরিমাণে পটাসিয়াম, ফ্লোরাইড ও লোহা রয়েছে, যা দেহকোষের সুরক্ষার জন্য উপযোগী। এর অন্য ভিটামিনগুলো শ্বেতসার মেটাবলিজমে এবং হাড়ের গঠনে ফসফরাস ও ভিটামিনকে রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে ও বয়স্কদের আলঝেইমার রোগ প্রতিরোধ করে।

    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের হাড় ক্ষয় হতে থাকে, আলুবোখারা হাড় ক্ষয় রোধ করে হাড়কে মজবুত করে। ডায়াবেটিস রোগের জন্য এই ফল বেশ উপকারী। এটি রক্তে গ্লুুকোজ কমায় এবং দেহে ইনসুলিনের পরিমাণ ঠিক রাখে। আলুবোখারা ক্যান্সার সেল ধ্বংস করে ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

    সেন্টমার্টিনে গিয়ে যে ১৪টি কাজ করতে পারবেন না পর্যটকরা


    বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্টমার্টিনের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য অবলোকনে পর্যটকদের ভিড় লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকায় সেখানকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে

    দ্বীপটিতে প্রতিদিন অনিয়ন্ত্রিত পর্যটকদের যাতায়াত, অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ, পরিবেশ দূষণ, পর্যটকদের অসচেতনতা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের কারণে সেখানকার ইকো-সিস্টেম অর্থাৎ প্রতিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে-এ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

    বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়হীনতার কারণে দ্বীপটিকে বাঁচাতে কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দ্বীপটির পরিবেশ ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে জানান অধিদপ্তরের পরিচালক ফাহমিদা খানম। এসব কারণে দ্বীপটির প্রবাল, শৈবাল, সামুদ্রিক কাছিম, লাল কাঁকড়া, শামুক, ঝিনুকসহ নানা জলজ প্রাণী এবং জীব-বৈচিত্র্য এখন বিলুপ্ত হবার পথে।

    সেন্ট মার্টিনে যেকোনো ধরনের স্থাপনা গড়ে তোলার ব্যাপারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সেগুলো উপেক্ষা করেই গড়ে উঠছে একের পর এক রিসোর্ট, হোটেল, মোটেল।

    পর্যটকদের চাহিদা পূরণে দ্বীপের ভূগর্ভস্থ সুপেয় মিঠা পানির স্তরও নিচে নেমে গেছে। এ কারণে নলকূপ থেকে লবণাক্ত পানি আসছে। এছাড়া পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যত্রতত্র প্লাস্টিকের বর্জ্য ফেলা, ভারী জেনারেটর, পাম্প পরিচালনা, পাথর তোলা, সৈকতের বালি অপসারণ- এক কথায় পরিবেশ বিধ্বংসী সব ধরনের কাজই হচ্ছে দ্বীপটিতে।

    পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, অবৈধভাবে গড়ে উঠা সেন্টমার্টিনের এসব স্থাপনা উচ্ছেদে তারা কয়েক দফা অভিযানে গিয়ে দেখেছে যে বেশিরভাগই আদালতের থেকে এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ নিয়ে পরিচালনা করছে। এ কারণে অধিদপ্তরও কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি।

    যাত্রী নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে দ্বীপ বাঁচানো যাবে না

    দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রীদের আনা-নেয়ার বিষয়ে নৌ মন্ত্রণালয় ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হলেও এসব মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় করা যাচ্ছে না বলে উল্লেখ করেন ফাহমিদা খানম।

    পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে প্রতিদিন যদি পর্যটকদের সংখ্যা সীমিত করে ১০০০ বা ১২০০ জনের মধ্যে রাখা যায়, তাহলেও কিছুটা ভারসাম্য রাখা সম্ভব হবে। কিন্তু সেখানে প্রতিদিন কমপক্ষে আট থেকে দশ হাজার পর্যটক ভিড় করছে। যাত্রী নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে দ্বীপ বাঁচানো যাবে না। যদি সেন্টমার্টিনে রাতে থাকা বন্ধ করা হয়, তাহলে অনেক হোটেল মোটেল এমনি বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু সেটাই করা যাচ্ছে না।

    পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে থাকা এই দ্বীপটির স্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা প্রায় ৯ হাজার। এছাড়া পর্যটক মিলে প্রতিদিন দ্বিগুণ সংখ্যক মানুষের চাপ নিয়ে এক প্রকার মৃতপ্রায় অবস্থা সেন্টমার্টিনের।

    ১৪টি বিধিনিষেধ আরোপ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর

    এমন অবস্থায় সেন্টমার্টিনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ১৪টি বিধিনিষেধ দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

    দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও বিরল জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারসহ দ্বীপটিকে টিকিয়ে রাখার জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী দ্বীপে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সেগুলো হল-

    দ্বীপের সৈকত, সমুদ্র বা নাফ নদীতে সব ধরনের প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলা।
    পশ্চিম পাশের সৈকতে কোনাপাড়ার পর দক্ষিণ দিকে এবং পূর্ব পাশের সৈকতে গলাচিপার পর দক্ষিণ দিকে পরিভ্রমণ।
    দ্বীপের সৈকতে মোটরসাইকেলের মতো যান্ত্রিক বাহন থেকে শুরু করে সাইকেল, ভ্যান, রিকশার মতো অযান্ত্রিক বাহনের চালানো।
    দ্বীপের চারপাশে নৌ ভ্রমণ করা।
    জোয়ার ভাটা এলাকায় পাথরের ওপর হাঁটা চলা।
    সামুদ্রিক কাছিমের ডিম পাড়ার স্থানে চলাফেরা, সৈকতে রাতে আলো জ্বালানো এবং ফ্ল্যাশ লাইট ব্যবহার করে ছবি তোলা।
    সৈকতে রাতের বেলা কোন প্রকার আলো বা আগুন জ্বালানো, আতশবাজি ও ফানুশ ওড়ানো।
    সৈকতে মাইক বাজানো, হৈ-চৈ বা উচ্চস্বরে গান বাজনা করা, বার-বি-কিউ পার্টি করা।
    ছেঁড়াদিয়া দ্বীপে স্পিডবোট, কান্ট্রি বোট, ট্রলার বা অন্যান্য জলযানে যাতায়াত এবং নোঙর করা।
    সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণকৃত ছেঁড়াদিয়া দ্বীপ ভ্রমণ।
    প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, তারা মাছ, রাজ কাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস, সামুদ্রিক শৈবাল এবং কেয়া ফল সংগ্রহ ও ক্রয় বিক্রয়।
    জাহাজ থেকে পাখিকে চিপস ও অন্য খাবার খাওয়ানো।
    দ্বীপে ভুগর্ভস্থ সুপেয় পানি সীমিত বিধায়, পানির অপচয় করা।
    সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রতিবেশের জন্য ক্ষতিকর যেকোন কার্যক্রম গ্রহণ করা।

    শুধু আইন প্রয়োগ নয় বরং পর্যটকদের সচেতন করে তুলতে এ ধরণের প্রচারণাকে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

     

    কোন গোলাপ কিসের প্রতীক

      ভালোবাসার ফুল গোলাপ। এটি ভালোবাসার ভাষা বুঝতে ও বোঝাতে পারে। তাই উপহার হিসেবে গোলাপেরই চাহিদা এখন সবার উপরে। লাল গোলাপ প্রেমের কবিতা আর গল...