এগুলো মিশিয়ে এমনভাবে তরল তৈরি করুন যাতে তরল বেশি ঘন বা পাতলা না হয়।
একটি তাজা পাত্র নিন এবং এতে খুব অল্প পরিমাণে তেল মেশান।
তারপর, পাত্রটি গরম করুন এবং 2 টেবিল চামচ চালের গুঁড়া (জল এবং চালের গুঁড়া মিশ্রিত) দিয়ে ঢেকে দিন।
মাত্র 2 বা 3 মিনিট পরে, পাত্র থেকে কেকটি বের করুন।
তারপর 1 লিটার দুধ গরম করে অন্য একটি তাজা পাত্রে ঘন করে নিন।
তারপর, আরেকটি পাত্র নিন এবং 2 কাপ গুড় (গুড়) এবং দেড় কাপ জল দিয়ে গুড়ের কিছু সিরাপ তৈরি করুন।
তারপর কেকটি সিরাপটিতে রেখে চুলায় কিছুক্ষণ গরম করুন।
গরম করার পর ঠাণ্ডা হতে রেখে তাতে দুধ ঢেলে দিন।
তারপর সকালের নাস্তায় বা সন্ধ্যায় পরিবেশন করুন।

লেবুর পানিতে খুব কম ক্যালোরি থাকে। বিশেষত আপনি তাতে যদি চিনি না মেশান। লেবুর পানিতে ক্যালোরি কম থাকায় এবং সাধারণ পানীয়র মতোই এটি পূর্ণতা বাড়াতে পারে, যা ওজন ঝরানোর পক্ষে কার্যকর হয়ে উঠতে পারে।
মেটাবলিজমকে উদ্দীপিত করতে লেবুর পানি দিয়ে দিন শুরু করুন। সারাদিন লেবুজলে চুমুক দিলে তা আপনাকে দীর্ঘক্ষণ পূর্ণ রাখবে এবং ক্যালরি-সমৃদ্ধ খাবারের স্তূপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, খাবারের আগে পানি পান করলে খুদা কমে এবং তৃপ্তি বৃদ্ধি পায়। যেহেতু লেবুর পানিতে ক্যালোরি কম থাকে এবং ভিটামিন ‘সি’তে পূর্ণ, তাই নিয়মিত পানীয়র মতোই এটা আপনাকে পূর্ণ রাখবে। এটি আপনাকে ক্যালোরি গ্রহণ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
যদিও লেবুর রস অ্যাসিডিক পানির সঙ্গে মেশানো হলে এটি শরীরে একটি ক্ষারীয় প্রভাব ফেলে। পানি পান কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। লেবুর রসে থাকা অ্যাসিড খাবারকে আরও দক্ষতার সাথে ভেঙে ফেলতে সাহায্য করবে, শরীরের জন্য প্রতিটি খাবার থেকে সর্বাধিক পুষ্টি আহরণ করা সহজ করে তুলবে।
লেবুর পানি ডিটক্সিফায়ার হিসাবে কাজ করায়, এটি নিয়মিত পান করা উচিত এবং গরম পানিতে তাজা লেবুর রস ব্যবহার করলে তা উপকারী।
লেবুতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং স্বাস্থ্য বজায় রাখে। অসুস্থতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করতে পারে।
সকালে এক গ্লাস লেবুর পানি পান করা শুধুমাত্র আপনার শরীরকে রিহাইড্রেট করবে না, বরং আপনার দিন শুরু করার জন্য শক্তিও দেবে। এটি আপনার শরীর থেকে রাতারাতি কাজ করে এমন কোনো টক্সিনকে বের করে দিতে সাহায্য করবে।