Thursday, November 14, 2024

আলু বিরিয়ানি

  


*উপকরণ:

৩টি বড় আলু (হাফ করে কাটা)
- ২ কাপ বাসমতি চাল
- ১ কাপ পেঁয়াজ (কাটা)
- ২টি টমেটো (কাটা)
১/২ কাপ দই
- ২ টি কাঁচা লঙ্কা (কাটা)
- ১ চা চামচ আদা-রসুন বাটা
১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়া
- ১ চা চামচ জিরা গুঁড়া
- ১ চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া
১/২ চা চামচ বিরিয়ানি মশলা গুঁড়া
১/২ কাপ তেল বা ঘি
২ কাপ জল
- ১ চা চামচ লবণ (স্বাদ অনুযায়ী)
১/২ চা চামচ চিনি
১/৪ কাপ ধনেপাতা (কাটা)
১/৪ কাপ পুদিনাপাতা (কাটা)
- ২টি তেজপাতা
- ৪টি লবঙ্গ
- ২টি দারচিনি স্টিক
- ৪ টি এলাচ
- ১ চামচ গরম মশলা গুঁড়া

প্রস্তুত প্রণালী:

১. বড় আলু গুলোর খোসা ছাড়িয়ে নিন। হাফ করে কেটে নিন। তেলে লাল লাল করে ভেজে তুলে রাখুন।

২. বাসমতি চাল ৩০ মিনিট জলে ভিজিয়ে রাখুন।

৩. একটি বড় প্যানে তেল বা ঘি গরম করে তাতে তেজপাতা, লবঙ্গ, দারচিনি, এলাচ ফোঁড়ন দিন।

৪. তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা বাদামী হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন।


ডিম বিরিয়ানি বানানোর পদ্ধতি:

উপকরণ:

- ৬টি ডিম (সেদ্ধ)
- ২ কাপ বাসমতি চাল
- ১ কাপ পেঁয়াজ (কাটা)
- ২টি টমেটো (কাটা)
- ১/২ কাপ দই
- ২ টি কাঁচা লঙ্কা (কাটা)
- ১ চা চামচ আদা-রসুন বাটা
- ১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়া
- ১ চা চামচ জিরা গুঁড়া
- ১ চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া
- ১/২ চা চামচ বিরিয়ানি মশলা গুঁড়া
- ১/২ কাপ তেল বা ঘি
- ২ কাপ জল
- ১ চা চামচ লবণ (স্বাদ অনুযায়ী)
- ১/২ চা চামচ চিনি
- ১/৪ কাপ ধনেপাতা (কাটা)
- ১/৪ কাপ পুদিনাপাতা (কাটা)
- ২টি তেজপাতা
- ৪টি লবঙ্গ
- ২টি দারচিনি স্টিক
- ৪ টি এলাচ
- ১ চামচ গরম মশলা গুঁড়া

* প্রস্তুত প্রণালী:

১১. ডিমগুলোকে সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে নিন।

** ২. বাসমতি চাল ৩০ মিনিট জলে ভিজিয়ে রাখুন।

** ৩. একটি বড় প্যানে তেল বা ঘি গরম করে তাতে তেজপাতা, লবঙ্গ, দারচিনি, এলাচ ফোঁড়ন দিন।

৪. তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা বাদামী হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন। তারপর আদা-রসুন বাটা এবং কাঁচা লঙ্কা যোগ করুন। আরও কিছু সময় ভাজুন।

*** ৫. হলুদ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া যোগ করুন। ভালভাবে মিশিয়ে নিন।

* ৬. কাটা টমেটো যোগ করে ২-৩ মিনিট রান্না করুন। তারপর দই যোগ করুন এবং ভালোভাবে মেশান।

*৭. সেদ্ধ ডিমগুলো যোগ করুন এবং মিশ্রণটি কিছু সময় রান্না করুন।

* ৮. ভেজানো চাল যোগ করে ২ কাপ জল, লবণ ও চিনি যোগ করুন। ঢেকে দিন এবং মাঝারি আঁচে রান্না করুন যতক্ষণ না চাল সেদ্ধ হয়।

** ৯. রান্না শেষে কাটা ধনেপাতা এবং পুদিনা পাতা যোগ করুন। ভালোভাবে মেশান।

* ১০. শেষে বিরিয়ানি মশলা গুঁড়া ছড়িয়ে দিন ও গরম গরম পরিবেশন করুন। 


ইলিশ বিরিয়ানি বানানোর পদ্ধতি:


**উপকরণ:

ইলিশ মাছ: ৫-৬ টুকরা
বাসমতি চাল: ২ কাপ
আলু: ৩টি বড়
পেঁয়াজ (কুচি): ২টি বড়
টমেটো (কুচি): ১টি বড়
দই: ১/২ কাপ
আদা-রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ
কাঁচা লঙ্কা (কাটা): ৪-৫টি
হলুদের গুঁড়া: ১/২ চা চামচ
লঙ্কা গুঁড়া: ১ চা চামচ
গরম মসলা (জিরা, দারুচিনি, এলাচ): ১ টেবিল চামচ
ধনেপাতা (কাটা): ১/২ কাপ
পুদিনা (কাটা): ১/৪ কাপ
তেল: ১/৪ কাপ
ঘি: ২ টেবিল চামচ
লবণ: স্বাদমতো
চিনি: ১ চা চামচ
জলের পরিমাণ: ৩ কাপ

* প্রস্তুত প্রণালী:

** 1. মাছ প্রস্তুতি: ইলিশ মাছ টুকরো করে ধুয়ে লবণ ও হলুদের গুঁড়া মেখে ১৫-২০ মিনিট ম্যারিনেট করুন।

**2. চাল রান্না: চাল ধুয়ে ৩০ মিনিট জলে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ৩ কাপ জলে কিছু লবণ দিয়ে চাল আধ সেদ্ধ করে নিন।

** 3. মাছ ও আলু ভাজা: একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে ইলিশ মাছ টুকরো ভেজে নিন। মাছ সোনালী হলে তুলে রাখুন। আলু গুলোও টুকরো করে কেটে ভালো করে ভেজে তুলে নিন।

** 4. পেঁয়াজ ভাজা: একই তেলে পেঁয়াজ কুচি সোনালী বাদামী হওয়া পর্যন্ত ভেজে নিন।

* 5. মশলা তৈরি: পেঁয়াজ ভাজার পর আদা-রসুন বাটা, টমেটো,
হলুদের গুঁড়া, লঙ্কা গুঁড়া, এবং কাঁচা লঙ্কা দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে
নিন।

* 6. মাছ ও আলু যোগ করা: কষানো মসলায় মাছ ও আলুর টুকরো গুলি দিয়ে আরও কিছু সময় রান্না করুন।

** 7. দই ও মশলা: দই, গরম মসলা, এবং একটু চিনি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

* ৪. বিরিয়ানি প্রস্তুতি: একটি বড় পাত্রে কিছু তেল ও ঘি গরম করে এক স্তরে সেদ্ধ চাল ছড়িয়ে দিন। তার ওপর মসলা ও মাছের মিশ্রণ ছড়িয়ে দিন। উপরে কিছু পুদিনা ও ধনেপাতা ছড়িয়ে দিন। এরপর আবার চাল দিয়ে একইভাবে স্তর তৈরি করুন।

*** 9. দমে রান্না: পাত্রটি ঢেকে কম আঁচে ২০-২৫ মিনিট দমে রান্না করুন যাতে সব স্বাদ একসাথে মিশে যায়।

** 10. পরিবেশন: রান্না হয়ে গেলে গ্যাস থেকে নামিয়ে কিছুক্ষণ রেস্ট করতে দিন। তারপর পরিবেশন করুন গরম গরম ইলিশ বিরিয়ানি। 


* চিকেন বিরিয়ানি বানানোর পদ্ধতি:


* উপকরণ:

* মেরিনেডের জন্য:
700 গ্রাম চিকেন
- 1 কাপ টক দই
- 1 টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা
- হলুদ গুঁড়ো 1 চা চামচ
- 1 চা চামচ লাল লঙ্কা গুঁড়ো
- 1 চা চামচ গরম মসলা লবন

* ভাতের জন্য:

বাসমতি চাল 2 কাপ
- 3-4 টি সবুজ গোটা এলাচ
4-5 লবঙ্গ
- 1 ইঞ্চি দারুচিনি কাঠি
- 2 টি তেজপাতা লবন

** বিরিয়ানির জন্য:

- 2 টি বড় পেঁয়াজ, পাতলা করে কাটা
- 4 টি সেদ্ধ ডিম
- 4 টি বড় আলু, হাফ করে কাটা
- 2 টি বড় টমেটো, কাটা
- 2-3 টি কাঁচা লঙ্কা, চেরা
- 2-3 টেবিল চামচ ঘি বা তেল
- 1 টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা
- 1/2 কাপ বিরিয়ানি মসলা
- 1/2 চা চামচ জাফরান স্ট্র্যান্ড (2) টেবিল চামচ গরম দুধে ভিজিয়ে রাখা)
- 1/2 কাপ দুধ
- 1/4 কাপ ভাজা পেঁয়াজ (ঐচ্ছিক)
- 1 টেবিল চামচ গোলাপ জল (ঐচ্ছিক)
- 1 টেবিল চামচ কেওড়া জল (ঐচ্ছিক)

* নির্দেশনা:

** 1. চিকেন মেরিনেট করুন:
একটি বড় পাত্রে দই, আদা-রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো, লাল লঙ্কার গুঁড়ো, গরম মসলা এবং লবণ দিয়ে চিকেনটা মেশান। 1 ঘন্টা মেরিনেট করুন।

**2. ভাত প্রস্তুত করুন:
- বাসমতি চাল ধুয়ে প্রায় ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। তারপর জল ফেলে দিন।
- একটি বড় পাত্রে জল ফুটিয়ে নিন। এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, তেজপাতা এবং লবণ যোগ করুন।
ভেজানো চাল যোগ করুন এবং 70-80% সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। জল ফেলে দিন এবং একপাশে রেখে দিন।

***3. চিকেন রান্না করুন:
- একটি বড় পাত্রে তেল গরম করুন। কাটা পেঁয়াজ যোগ করুন এবং সোনালি বাদামী হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।

- আদা-রসুন পেস্ট দিয়ে এক মিনিট ভাজুন। তারপর কাঁচা লঙ্কা ও কাটা টমেটো দিন। টমেটো নরম না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।

- ম্যারিনেট করা চিকেন ও হাফ করে কাটা আলু যোগ করুন এবং মাঝারি আঁচে রান্না করুন যতক্ষণ না চিকেন ভালো করে সেদ্ধ হচ্ছে ও আলু সেদ্ধ হচ্ছে। এটি একটি পাত্রে প্রায় 45 মিনিট সময় নিতে পারে।

** 4. বিরিয়ানি লেয়ার করুন:
একটি বড়, ভারী-নিচের পাত্রে, স্তর বানানো শুরু করুন: প্রথমে, রান্না করা আলু, ডিম ও চিকনের একটি স্তর, তারপরে আংশিকভাবে রান্না করা ভাতের একটি স্তর।

- উপরে বিরিয়ানি মসলা, জাফরান দুধ, গোলাপ জল, কেওড়া জল, এবং ভাজা পেঁয়াজ (যদি ব্যবহার করা হয়) ছিটিয়ে দিন।

- স্তরগুলি পুনরাবৃত্তি করুন, ভাতের একটি স্তর দিয়ে শেষ হবে।

**5. দম রান্না:
বাষ্প আটকানোর জন্য একটি টাইট-ফিটিং ঢাকনা দিয়ে পাত্রটি ঢেকে দিন বা ময়দা দিয়ে সিল করুন। প্রায় 20-30 মিনিটের জন্য খুব কম আঁচে রান্না করুন। এটি স্বাদগুলিকে মিশে যেতে এবং চালকে সম্পূর্ণ ভবে রান্না করতে দেয়।

** 6. পরিবেশন করুন:
- স্তরগুলি একত্রিত করার জন্য পরিবেশনের আগে আলতো করে বিরিয়ানি মেশান। রাইতা বা সালাদ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।


মটন বিরিয়ানি বানানোর পদ্ধতি:


* উপকরণ:

* মেরিনেডের জন্য:
- 700 গ্রাম মটন (হাড়ের টুকরো)
- 1 কাপ টক দই
- 1 টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা
- হলুদ গুঁড়ো 1 চা চামচ
- 1 চা চামচ লাল লঙ্কা গুঁড়ো
- 1 চা চামচ গরম মসলা লবন

* ভাতের জন্য:

বাসমতি চাল 2 কাপ
- 3-4 টি সবুজ গোটা এলাচ
- 4-5 লবঙ্গ
- 1 ইঞ্চি দারুচিনি কাঠি
- 2 টি তেজপাতা
লবন

বিরিয়ানির জন্য:

- 2 টি বড় পেঁয়াজ, পাতলা করে কাটা
- 4 টি বড় আলু, হাফ করে কাটা
- 2 টি বড় টমেটো, কাটা
- 2-3 টি কাঁচা লঙ্কা, চেরা
- 2-3 টেবিল চামচ ঘি বা তেল
- 1 টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা
- 1/2 কাপ বিরিয়ানি মসলা
- 1/2 চা চামচ জাফরান স্ট্র্যান্ড (2 টেবিল চামচ গরম দুধে ভিজিয়ে রাখা)
- 1/2 কাপ দুধ
- 1/4 কাপ ভাজা পেঁয়াজ (ঐচ্ছিক)
- 1 টেবিল চামচ গোলাপ জল (ঐচ্ছিক)
- 1 টেবিল চামচ কেওড়া জল (ঐচ্ছিক)

* নির্দেশনা:

*** 1. মটন মেরিনেট করুন:

একটি বড় পাত্রে দই, আদা-রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো, লাল লঙ্কার গুঁড়ো, গরম মসলা এবং লবণ দিয়ে মটন মেশান। সর্বোত্তম ফলাফলের জন্য ফ্রিজে কমপক্ষে 2 ঘন্টা বা সারারাত ম্যারিনেট করুন।

**2. ভাত প্রস্তুত করুন:
বাসমতি চাল ধুয়ে প্রায় ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। তারপর জল ফেলে দিন।
- একটি বড় পাত্রে জল ফুটিয়ে নিন। এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, তেজপাতা এবং লবণ যোগ করুন।

ভেজানো চাল যোগ করুন এবং 70-80% সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। জল ফেলে দিন এবং একপাশে রেখে দিন।

** 3. মটন রান্না করুন:
একটি বড় পাত্র বা প্রেসার কুকারে ঘি বা তেল গরম করুন। কাটা পেঁয়াজ যোগ করুন এবং সোনালি বাদামী হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
- আদা-রসুন পেস্ট দিয়ে এক মিনিট ভাজুন। তারপর কাঁচা লঙ্কা ও কাটা টমেটো দিন। টমেটো নরম না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।

ম্যারিনেট করা মটন ও হাফ করে কাটা আলু যোগ করুন এবং মাঝারি আঁচে রান্না করুন যতক্ষণ না মটন বাদামী হয়ে যায় ও আলু সেদ্ধ হয়। এটি একটি পাত্রে প্রায় 45 মিনিট থেকে এক ঘন্টা বা প্রেসার কুকারে 20-25 মিনিট সময় নিতে পারে।

*** 4. বিরিয়ানি লেয়ার করুন:
একটি বড়, ভারী-নিচের পাত্রে, স্তর বানানো শুরু করুন: প্রথমে, রান্না করা আলু ও মটনের একটি স্তর, তারপরে আংশিকভাবে রান্না করা ভাতের একটি স্তর।
- উপরে বিরিয়ানি মসলা, জাফরান দুধ, গোলাপ জল, কেওড়া জল, এবং ভাজা পেঁয়াজ (যদি ব্যবহার করা হয়) ছিটিয়ে দিন। - স্তরগুলি পুনরাবৃত্তি করুন, ভাতের একটি স্তর দিয়ে শেষ হবে।

*** 5. দম রান্না:

বাষ্প আটকানোর জন্য একটি টাইট-ফিটিং ঢাকনা দিয়ে পাত্রটি ঢেকে দিন বা ময়দা দিয়ে সিল করুন। প্রায় 20-30 মিনিটের জন্য খুব কম আঁচে রান্না করুন। এটি স্বাদগুলিকে মিশে যেতে এবং চালকে সম্পূর্ণ ভবে রান্না করতে দেয়।

*6. পরিবেশন করুন:
- স্তরগুলি একত্রিত করার জন্য পরিবেশনের আগে আলতো করে বিরিয়ানি মেশান। রাইতা বা সালাদ দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। 

Sunday, September 22, 2024

রান্নার উপকরণ, প্রণালী

 



 ১।সর্ষে ইলিশ

উপকরনঃ

কাঁচা মরিচ, সরিষার পেস্ট,  হলুদ গুড়া বা বাটা  , লবন।

প্রনালিঃ

একটি বাটি নিন, তাতে মাছের সঙ্গে হলুদ, লবন মিশিয়ে নিন। আর একটি প্যান নিন, তাতে তেল গরম করে মাছের টুকরো গুলো ভেজে নিন। ভাজা মাছে সামান্য পানি দিন, লবন, কাঁচামরিচ সরিষার পেস্ট দিয়ে মেশান। পানি ফুটে উঠলে কাঁচামরিচ সরিষার পেস্ট দিয়ে ঢাকনা  দিয়ে রান্না ক্রুন। ১০ মিনিট পরে ঢাকনা খুলুন, এবং পরিবেশন করুন।
 


।সাদা ইলিশ

উপকরনঃ

পেয়াজ কাটা, গুরা বা বাটা হ্লুদ, লবণ, ইলিশ মাছ, পানি  

প্রনালিঃ

প্রথমে চুলায় কড়াই বসিয়ে,তাতে তেল দিতে হবে। পরে অনেক পিয়াজ কাটা দিবো এবং পরে    পানি দিব। এবং সামান্য অল্প একটু হলুদ দিয়ে কশাব পরে কাঁচা মরিচ দিব। পরে ইলিশ মাছের টুকরা গুলি দিব। বেশি করে পানি দিবো, সামান্য পানি কমলেই ধনে পাতা দিয়ে নামিয়ে রাখব।  


৩।সাদা ইলিশ

উপকরণঃ পিয়াজ কাটা, পিয়াজ বাটা, গুরা বা বাটা হলুদ, লবন, ইলিশ মাছ, পানি, কাঁচামরিচ বাটা, আদা বাটা, ।

প্রনালিঃ প্রথমে চুলাতে কড়াই বসিয়ে মাছ টাকে হালকা ভেজে নিব। পরে পিয়াজ বাদামি রঙ করে নিব। পরে বাদামি রঙ হলে, পানি দিয়ে দিব। পরে পিয়াজ কাটা, পিয়াজ বাটা, কাচামরিচ বাটা, আদা বাটা, অল্প একটু হলুদ  লবন দিব। ২ মিনিট কষানোর পর পাণি দিয়ে দিব। পরে মাছটা দিয়ে ঢেকে দিব। ১০ মিনিট পর দেখা যাবে মাছটা হয়ে গেছে। 

 


 ৩।  সাজান ডাল

উপকরনঃ

মুসুরির ডাল অল্প বা বেসি, পিয়াজ কাটা, কয়েকটা কাঁচা মরিচ সব রকমের মস্ললা, লবণ, আদা, রসুন বাটা, তেল পানি।    

প্রণালীঃ প্রথমে মুসুরের ডালকে ভালমত থুয়ে কোরাই বা ফ্রাইপেনে রাখব। পরে পিয়াজ কাটা দিবো, পরে সব রকমের মশলা , আদা, রসুন, পিয়াজ বাটা, কাঁচামরিচ ফালি, লবণ, টমেটুঁ ফালি এবং পরিমাণ মত পানি দিয়ে চুলাতে বসিয়ে দিবো। পরে আঠাল ভাব হলে থনে পাতা দিয়ে নামিয়ে রাখব।  তবে সাজান ডাল খুরছুনি দিয়ে লারতে হয় না। 


৫।সুজির পিঠা

উপকরনঃ সুজি,ডিম, চিনি

প্রণালীঃ প্রথমে একটা বড় বাটিতে সদস্য অনুযায়ী পরিমান মত সুজি,চিনি, ডিম একসাথে মাখিয়ে নিব,পরে একটা কড়াইয়ে বেশি করে তেল দিয়ে ডুবা তেলে গোল  করে হাত দিয়ে চ্যাপ্টা করে ভাজব। পরে পরিবেশন করব। 


৯। ভাবা পিঠা                                   

উপকরনঃ  

আতব চালের কেনা বা নিজের হাতে বাটা গুরা,বা ভাঙ্গান নারকেল কুরান, গুড়, লবন, পানি, ছোট বাটি

প্রনালিঃ  প্রথমেই চুলাই ভাপা পিঠার পাতিলে কিছু টা পানি গরম করতে দিব। আর অন্যদিকে  একটা বড় বাঁটিতে চালের বাটা বা গুরা  নিয়ে একটু পানি বা লবন দিয়ে হাত দিয়ে মাখাব। মেখে নরম করে নিবো। পরে এক টা ছোট বাটিতে প্রথমে চালের গুরা দিব, পরে নারিকেল গুরা দিব, পরে খেজুর গুরের গুরা  দিব, পরে আবার চালের গুরা দিব। পরে ছোট বাঁটিতে গুরা সহ সাদা পাতলা কাপড়ে জড়িয়ে দিব। পরে সেটা গরম পানির ডেকচিতে জরানো কাপড়টি উপরে বসিয়ে দিব এবং সাব থানে ছোট বাটিটি ভিতর থেকে বের করে নিব। পরে দেখলাম ভাপা পিঠা পুরা পুরি হয়েছে। তারপর সেই পিঠা প্লেটে রেখে দিলাম। এইভাবে পরিবারের সদস্য হিসাব করে যে কইটা দরকার সে কইটা বানাব।



 

১১।টমেটুঁ সুপ

উপকরণঃ টমেটুঁ, লবণ, কাচাম্ররিচ,

প্রনালিঃ টমেটুঁ কেটে বা আসত সিদ্দ দিতে হবে,পরে নামিয়ে হাত দিয়ে বা বড় চামুচ দিয়ে থেঁতো করে চুলাই বসাব। কিছুটা টানলে একটি কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা  aএবং লবণ দিiয়ে সুপের বাটিতে ঢেলে পরিবেশন করতে হবে।

 


১২। আলু ভাঁজি

 উপকরণঃ

তেল, পিয়াজ, কাঁচা মরিচ, লবণ, আলু, ধইনাপাতা,হলুদের গুঁড়া বা পেস্ট,

 

প্রণালীঃ আলু এবং পিয়াজ কুচি করে কাটব। পরে চুলায়ে কোড়াই বা ফ্রাইপেন বসাব। পরে আলুর পরিমান অনুসারে, যেমন বেশি হলে বেসি তেল, কম হলে কম তেল দিব। পরে পিয়াজ দিব। পরে পিয়াজ বাদামী রঙ হলে আলু কুচি গুলি ঢেলে দিব। অনেকে আবার আলু কুঁচির সাথে গাঁজর বা বটবটি কুঁচি দিতে পারে। পরে আলু কিছুখন লারাচাড়া করে বেশী করে পাণি দিয়ে দিব। অনেকে আবার সামান্য হলুদ দিতে পারে আলু ভাজিতে।  যখন পানি দিব তখনই কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিয়ে দিব। যখন কিছু টা শুকিয়ে যাবে, নামানোর আগে থনে পাতা দিয়ে নামিয়ে রাখবো। পরে পরিবেশন করবো।

 

 


১৩। কসানো মুরগী

উপকরণঃ এক বা একাধিক মুরগি, হলদি, মরিচ, ধনে, জিরা,আদা ও রসুন বাটা, লবন, তেজপাতা এলাচি, পানি,  কাঁচামরিচ,

প্রনালিঃ প্রথমে মুরগি ৮ টুকরা করে কেটে ভাল করে  নিব, পরে করাইয়ে পরিমান মত তেল দিব,পিয়াজ দিব পরে পেয়াজ বাদা্মি রঙ হলে একটু পানি দিব,পরে পাণিতে হলদি, মরিচ ধনে, জিরা,আদা, রসুন বাটা দিব।   

 


১৪। মাখানো ডাল

উপকরণঃ  ডাল,হলদি,মরিচ, ধইনা, জিরা, আদা, রসুন বাটা, পিয়াজ কাটা, আস্ত কাঁচা মরিচ, টমেটু ফালি, পানি।

প্রণালীঃ প্রথমে একটা ফ্রাইপেনে হলদি, মরিচ, ধইনা, জিরা, আদা, রসুন বাটা, পিয়াজ কাটা, আস্ত কাচা মরিচ, টমে টু ফালি দেওয়া যায় আবার নাও দেয়া যায় এবং পানি দিয়ে  চুলায় বসিয়ে দিব। তবে খুরছুনি দিয়ে লারব না,লারলে ডাল ভর্তা হয়ে যাবে, না নেড়ে নিজেই পানি টেনে যাবে। পানি টানলে পরে থনেপাতা দিয়ে নামিয়ে রাখব। পরে পরিবেশন করবো।

১৫। হাঁসের মাংস

১। সেমাই

উপকরনঃ সেমাই, দুধ, এলাচি, কিশমিশ, তেজপাতা, দারচিনি, বাদাম।

প্রণালী, দুধ জ্বাল দিয়ে কিছু টা ঘন করলাম, তারপর সেমাই দিলাম, পরে লারাচাড়া করে সেমাই সিদ্দ হলে  পরিমাণ মত চিনি দিলাম। চিনি মিশে গেলে লারাচারা করে নামিয়ে রাখলাম। সেমাই এর মদ্দে অনেকে বাদাম, এলাচি, কিসমিশ,তেজপাতা,দারচিনি দিয়ে থাকে।

              

১৮। লাল শাঁখ দিয়ে করাল মাছের মাথা

উপকরণঃ লাল শাঁখ, করাল মাছের মাথা, হলদি, মরিচ, ধইনা, জীরা গুরা বা বাটা।

প্রণালীঃ

১৯। বেগুণ দিয়ে রুইমাছ

উপকরণঃ পিয়াজ, হলদি, মরিচ, ধনিয়া বাটা বা গুরা, কাঁচা মরিচ।

প্রনালিঃ

২০। কাঁঠালের বিচির টালা ভর্তা।

 

 

 


২১। গাজরের হালুয়া

উপকরনঃ গাজর,তেল,এলাচি,চিনি।

প্রনালিঃ প্রথমে গাজর ভালমত থুয়ে নিব। পরে বটি দিয়ে চাক চাক করে কেটে সিদ্দ করে নিব। পরে বেটে নিব। পরে করাই বা ফ্রাই পেনে তেল দিব। তেলে এলাচি দিয়ে গাঁজর বাটা ঠেলে দিব। লারতে লারতে বাদামি রঙ হলে এবং কিছু টা আঠাল হলে বুজব গাজরের হালুয়া হয়ে গিয়েছে।

২৩। তেলের পিঠা

২৪। মুরগীর রোস্ট-১

উপকরনঃ আদা, রসুন, পিয়াজ বাটা, টক দই, পানি, পিয়াজ, কাঁচা মরিচ, তেল

প্রণালীঃ প্রথমে করাই এ আদা, রসুন,পিয়াজ বাটা, টক দই দিয়ে সব দিয়ে পানি দিয়ে সিদ্দ দিব। পরে তেলের  পিয়াজ দিয়ে বেরেস্তা বানিয়ে তা মুরগির সিদ্দতে ছড়িয়ে দিব সাথে কাঁচা মরিচ ছড়িয়ে দিব। পরে থিরে থিরে সিদ্দর পানি মুরগির গায়ে লেগে রোস্ট হয়ে যাবে। পরে পরিবেশন করবো

২৫। খেজুর গুঁড়ের পায়েস

উপকরণঃ  


২৬। মুসুরির ডালের পিয়াজু

উপকরণঃ মুসুরির ডাল, পানি, পিয়াজ, মরিচ, ধনেপাতা।

প্রণালীঃ প্রথমে বেশি বা কম পরিমাণ মত মুসুরির ডাল পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরে ভাল করে ধুয়ে বাটতে হবে। পরে কাঁচা মরিচ, পিয়াজ, ধনেপাতা সব দিয়ে মাখিয়ে  পরে হাতে দিয়ে চাক চাক করে বড়া বানিয়ে তেলে ভেজে নিব।  

২৭। মুসুরির ডাল পাতলা করে রান্না

২৮। ডিম ভুনা

উপকরনঃ মুরগীর ডিম,  


২৯। রুই মাছের ডিম ভুনা                 

 উপকরণঃ রুই মাছের ডিম,হলদি,মরিচ,ধনে গুঁড়া বা বাটা, মরিচ কুচি, সামান্য পিয়াজ সব কিছু দিয়ে সিদ্দ দিবো।  

প্রনালিঃ রুই মাছের ডিম কে পানির মদ্দে প্রথমে হাত দিয়ে চটকিয়ে নিব, পরে পানি থাকতেই চুলাই বসিয়ে দিব, পরে হলদি, মরিচ,থনিয়া গুড়া বা বাটা দিব। পরে কাঁচা মরিচ কুচি এবং সামান্য পিয়াজ কুচি দিয়ে মাছের ডিম ভালমতো নেড়ে ভুনা করবো, পরে তেলে পিয়াজ দিয়ে ডিমের ভুনা বাগাড় দিব, পরে থনে পাতা দিয়ে নেড়ে নামিয়ে রাখব।

৩০। চিংড়ি ভাঁজা

৩১। মুগের ডাল

উপকরনঃ মুগের ডাল, পানি,

৩২। টমেটুর টক

উপকরনঃ

৩৩। মসলা মাছ দিয়ে টমেটুর টক

উপকরনঃ

৩৪। পেপে ভাজি

উপকরণঃ তেল, পিয়াজ, কাঁচা মরিছ, হলুদ, লবন, পানি

প্রনালিঃ                                

৩৫। টমেটুর চাটনি

উপকরনঃ শুকনা মরিচ,টমেটু, চিনি, লবণ।

 

প্রনালিঃ

৩৬। করল্লা দিয়ে টেংরা মাছ

৩৭। মুরগীর রোস্ট-২

উপকরণঃ মুরগী, আদা,লবন,

প্রণালীঃ প্রথমে মুরগীকে চার টুকরা করে কেটে নিব, পরে ভালো করে ধুয়ে আদা, লবণ দিয়ে ২০ মিনিট মেরিনেট করে রাখবো। পরে ডুবা তেলে মুরগীর টুকরাগুলি ভাজব। পরে সেই ভাঁজার তেলেই আদা, রসুন,পিয়াজ বাটা, টক দই, টমেটু সস, পস্ত বাটা, বাদাম বাটা, কিশমিশ সব দিয়ে অল্প পানি দিয়ে কশাব।

 

৩৮। পোলাও

৩৯। নুডেলস

উপকরণঃ

৪০।

৪১। দুধের সেমাই

৪২। তেহারির মাংস রান্না

উপকরনঃ খাসি, গরু বা মুরগীর মাংস, আদা, রসুন, পিয়াজ বাটা, হলদি, মরিচ, ধইনা, জিরা বাটা বা গুরা,দই

 

৪৩। গুঁড়ের শরবত

উপকরণঃ

৪৪। করল্লা দিয়ে চাপিলা মাছ

৪৫। মুরগীর কিমা

উপকরনঃ মুরগীর কিমা, হলদি,মরিচ, ধইনা, পেস্ট বা গুড়া, তেছপাতা, এলাছি,আদা, রসুন বাটা

প্রণালী, বাজার থেকে কিনে আনা কিমাকে

৪৬। ডাঁটা শাঁখ ভা্রিচ

৪৭। পালং শাঁখ ভাজি


 ৪৮। রুই মাছ ভাঁজা মশলা দিয়ে

উপকরণঃ প্রথমে রুই মাছ কেটে, ভালমত ধুয়ে, টুকরা করে হলুদ লবণ দিয়ে তাওয়াতে তেলে ভেজে নিব। পরে প্লেটে তুলে রাখবো। পরে ফ্রাইপেনে সেই তেলেই পিয়াজ দিবো এবং বাদামী রং করবো, বাদামী রঙ হলে পানি দিব, পিয়াজ বাটা দিব, হলদি, মরিচ,ধনে দিয়ে সামান্য পানি দিয়ে মসলা কসাব, পরে রুই মাছের টুকরা মসলাতে দিয়ে দিব, পরে কাঁচা মরিচ, ধনে পাতা দিয়ে দিব। পরে মসলা মাছের গায়ে গায়ে কিছুটা লেগে গেলে নামিয়ে রাখব।

 

 

৪৯। চাল কুমড়া দিয়ে মুরগী রান্না

উপকরন, মুরগী, চালকুমড়া,

৫০। রুই মাছের ডিম রান্না

উপকরনঃ রুই মাছের ডিম, পানি,  

৫১। খাসীর মাংসের খিচুড়ি

উপকরণঃ খাসীর মাংস,

৫২। লাউ দিয়ে চিংড়ি মাছ

উপকরনঃ লাউ, চিংড়িমাছ,  

৫৩। পেঁপে ভাঁজি

 


৫৪। ফ্রেঞ্জ টোস্ট

উপকরণঃ পাওয়রুটি, ডিম, চিনি, পিয়াজ, মরিচ, টমেটু, ধনেপাতা।

প্রণালীঃ পাউরুটি এক বা একের অথিক নিয়ে রুটির থাড়গুলি ছুরি দিয়ে কেটে নিবো। আরেক পাত্রে এক বা একের[A1]  বেশি ডিম ভেঙে নিবো। পরে ডিম গুলি চিনি বা পিয়াজ মরিচ টমেটু কুচি দিয়ে ফেটে নিব। পরে ফ্রাইপান বা তাওয়াতে তেল দিয়ে ভেজে নিব। পরে প্লেটে ঢেলে পরিবেশন করব।

 

 

৫৬। মাখানো মসল্লা দিয়ে কইমাছ

উপকরনঃ কইমা্‌ছ, হলদি, মরিছ, থনে,জিরা,লবন,পিয়াজ বত 


৪। ভাবা পিঠা                                    

উপকরনঃ  

আতব চালের কেনা বা নিজের হাতে বাটা গুরা,বা ভাঙ্গান নারকেল কুরান, গুড়, লবন, পানি, ছোট বাটি

প্রনালিঃ  প্রথমেই চুলাই ভাপা পিঠার পাতিলে কিছু টা পানি গরম করতে দিব। আর অন্যদিকে  একটা বড় বাঁটিতে চালের বাটা বা গুরা  নিয়ে একটু পানি বা লবন দিয়ে হাত দিয়ে মাখাব। মেখে নরম করে নিবো। পরে এক টা ছোট বাটিতে প্রথমে চালের গুরা দিব, পরে নারিকেল গুরা দিব, পরে খেজুর গুরের গুরা  দিব, পরে আবার চালের গুরা দিব। পরে ছোট বাঁটিতে গুরা সহ সাদা পাতলা কাপড়ে জড়িয়ে দিব। পরে সেটা গরম পানির ডেকচিতে জরানো কাপড়টি উপরে বসিয়ে দিব এবং সাব থানে ছোট বাটিটি ভিতর থেকে বের করে নিব। পরে দেখলাম ভাপা পিঠা পুরা পুরি হয়েছে। তারপর সেই পিঠা প্লেটে রেখে দিলাম। এইভাবে পরিবারের সদস্য হিসাব করে যে কইটা দরকার সে কইটা বানাব।


৫।সুজির পিঠা

উপকরনঃ সুজি,ডিম, চিনি

প্রণালীঃ প্রথমে একটা বড় বাটিতে সদস্য অনুযায়ী পরিমান মত সুজি,চিনি, ডিম একসাথে মাখিয়ে নিব,পরে একটা কড়াইয়ে বেশি করে তেল দিয়ে ডুবা তেলে গোল  করে হাত দিয়ে চ্যাপ্টা করে ভাজব। পরে পরিবেশন করব।

 

 

 

 


৬। লাও দিয়ে চিংড়ি মাছ

উপকরনঃ চিংড়ি মাছ, লাও, লবন, হলদি মরিচ, কাঁচা মরিচ, ধনে পাতা, পানি।

 

প্রনালিঃ প্রথমে লাও  খণ্ড খণ্ড করে কাটবো। পরে চিংড়ি মাছের খল,মাথা, এবং লেজের দিক ফেলে দিব। পরে ভাল করে চিংড়ি মাছ ধুয়ে নিবয়। এখন ছুলায় করাই বসাব, পরে তেল দিব, পরে পিয়াজ দিব। পরে পিয়াজ বাদামি রং হলে পানি দিব, হলুদ লবন দিয়ে চিংড়ি মাছ ভাজব পরে লাও দিবো মরিচ দিবো  পরে পরিমান মত পানি দিয়ে ঢেকে দিব। নামানোর আগে আগে কাঁচা মরিচ, ধনে পাতা দিয়ে ঝল ঘাড় হলে নামিয়ে রাখব। পরে পরিবেশন করব।

 


৭।গাজরের হালুয়া

উপকরনঃ গাজর,তেল,এলাচি,চিনি।

প্রনালিঃ প্রথমে গাজর ভালমত থুয়ে নিব। পরে বটি দিয়ে চাক চাক করে কেটে সিদ্দ করে নিব। পরে বেটে নিব। পরে করাই বা ফ্রাই পেনে তেল দিব। তেলে এলাচি দিয়ে গাঁজর বাটা ঠেলে দিব। লারতে লারতে বাদামি রঙ হলে এবং কিছু টা আঠাল হলে বুজব গাজরের হালুয়া হয়ে গিয়েছে। 

 


৯।টমেটুঁ সুপ  

উপকরণঃ টমেটুঁ, লবণ, কাচাম্ররিচ,

প্রনালিঃ টমেটুঁ কেটে বা আসত সিদ্দ দিতে হবে,পরে নামিয়ে হাত দিয়ে বা বড় চামুচ দিয়ে থেঁতো করে চুলাই বসাব। কিছুটা টানলে একটি কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা  aএবং লবণ দিiয়ে সুপের বাটিতে ঢেলে পরিবেশন করতে হবে।

 


১0। আলু ভাঁজি

 উপকরণঃ

তেল, পিয়াজ, কাঁচা মরিচ, লবণ, আলু, ধইনাপাতা,হলুদের গুঁড়া বা পেস্ট,

 

প্রণালীঃ আলু এবং পিয়াজ কুচি করে কাটব। পরে চুলায়ে কোড়াই বা ফ্রাইপেন বসাব। পরে আলুর পরিমান অনুসারে, যেমন বেশি হলে বেসি তেল, কম হলে কম তেল দিব। পরে পিয়াজ দিব। পরে পিয়াজ বাদামী রঙ হলে আলু কুচি গুলি ঢেলে দিব। অনেকে আবার আলু কুঁচির সাথে গাঁজর বা বটবটি কুঁচি দিতে পারে। পরে আলু কিছুখন লারাচাড়া করে বেশী করে পাণি দিয়ে দিব। অনেকে আবার সামান্য হলুদ দিতে পারে আলু ভাজিতে।  যখন পানি দিব তখনই কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিয়ে দিব। যখন কিছু টা শুকিয়ে যাবে, নামানোর আগে থনে পাতা দিয়ে নামিয়ে রাখবো। পরে পরিবেশন করবো।

 


১১। মাখানো ডাল

উপকরণঃ  ডাল,হলদি,মরিচ, ধইনা, জিরা, আদা, রসুন বাটা, পিয়াজ কাটা, আস্ত কাঁচা মরিচ, টমেটু ফালি, পানি।

প্রণালীঃ প্রথমে একটা ফ্রাইপেনে হলদি, মরিচ, ধইনা, জিরা, আদা, রসুন বাটা, পিয়াজ কাটা, আস্ত কাচা মরিচ, টমে টু ফালি দেওয়া যায় আবার নাও দেয়া যায় এবং পানি দিয়ে  চুলায় বসিয়ে দিব। তবে খুরছুনি দিয়ে লারব না,লারলে ডাল ভর্তা হয়ে যাবে, না নেড়ে নিজেই পানি টেনে যাবে। পানি টানলে পরে থনেপাতা দিয়ে নামিয়ে রাখব। পরে পরিবেশন করবো।

 


১২। দুধের সেমাই

উপকরনঃ সেমাই, দুধ, এলাচি, কিশমিশ, তেজপাতা, দারচিনি, বাদাম।

প্রণালী, দুধ জ্বাল দিয়ে কিছু টা ঘন করলাম, তারপর সেমাই দিলাম, পরে লারাচাড়া করে সেমাই সিদ্দ হলে  পরিমাণ মত চিনি দিলাম। চিনি মিশে গেলে লারাচারা করে নামিয়ে রাখলাম। সেমাই এর মদ্দে অনেকে বাদাম, এলাচি, কিসমিশ,তেজপাতা,দারচিনি দিয়ে থাকে। [A1]

২। বাসায় বানান ওভেন ছাড়া কেক

উপকরনঃ

ময়দা, তেল্, বাকিং পাউডার, চিনি, কিসমিস, বাদাম ভ্যানিলা এসসেন্স, ডিম, গুড়া দুধ

প্রনালিঃ

প্রথমে ডিম এর সাদা অংশ বিট করে নিন তারপর কুসুম দিয়ে আবার ফেটুন। ময়দা, বেকিং পাউডার, গুরা দুধ, একসাথে ঢেলে দিন। এরপর ডিম এর সাথে অল্প অল্প করে চিনি ও তেল মেশান। এরপর ময়দা, বেকিং পাউডার, গুড়া দুধ খামির এর সাথে অল্প অল্প করে মেসান।

এরপর ভ্যানিলা এসেন্স খামির এর সাথে মেসান। প্যান এর চারপাশে কাগজ দিয়ে খামির ঢেলে

দিন। একটা তলা ভারী সস প্যান নিন। খেয়াল রাখবেন সস প্যানটি যেন একদম সুকনা থাকে।

যদি এতে হালকা পরিমাণেরও তেল বা পানি রয়ে যায় তবে তা থেকে ধোঁয়ার সৃষ্টি হবে। সসপ্যানটিতে এমন একটি ঢাকনা দিয়ে আটকে দিতে হবে যেন এটা থেকে কোন বাতাস চলাচল করতে না পারে। সস প্যান চুলায় দিয়ে বেশি আঁচে খুব ভাল করে গরম ক্রুন। (৫মিনিট)

সস প্যানের মাঝখাত্ত ছোট্ট একটা রেক অথবা স্ট্যান্ড বসান। এখন কেকের ব্যাটার রাখা

বাটিটাকে সাবধানে স্ট্যান্ড এর উপর বসিয়ে দিন। সস্ প্যানের উপর ঢাকনা দিয়ে ভাল করে মুখ বন্ধ করুন। সস প্যানটিতে এমন একটি ঢাকনা দিয়ে আটকে দিতে হবে যেন এটা থেকে কোন বাতাস চলাচল করতে না পারে। এভাবে ৩০ মিনিট রাখুন। [ প্রথম ৫ মিনিট চুলার জ্বাল পুরো বাড়ানো থাকবে, আর পরের ২৫ মিনিটের জন্য চুলার জ্বাল মাযারি আঁচে থাকবে। ৩০ মিনিট পর কেকে একটি টুথপিক ঢুকিয়ে দেখুন পরিষ্কার হয়ে উঠে আসছে কিনা। পরিস্কার হয়ে উঠে না আসলে আরও ১০ মিনিট রাখুন।



৪।ইলিশ মাছের তেল দিয়ে পুঁইশাক

উপকরণঃ

পেঁয়াজ কাটা, হলুদ, মরিচ,ধনে গুরা বা পেস্ট, পুঁইশাক, ইলিশ মাছের তেল।

প্রনালিঃ প্রথমে পুইশাখ ডাটা থেকে বেশে নিলাম,

 

৫।গরম গরম ফুলকো পরোটা

উপকরনঃ

ময়দা- ৩ কাঁপ

তেল- ২ টেবিল চাম

৬। কাটবাদাম আর দুধ



৮। পাটিসাপটা পিঠা

উপকরনঃ

চালের গুরা, ময়দা, লবণ, চিনি, তরল দুধ, পানি, 

 

প্রনালিঃ প্রথমে একটা ফ্রাই প্যানে নিয়ে নিব এক কাপ শুকনা চালের গুরা। ইচ্ছা করলে আপনি কেনা বা ভেজা চালের গুঁড়া বেভহার করতে পারেন। এর সাথে দিয়ে দিলাম হাফ কাপ ময়দা, ময়দা দিলে পিঠাটা অনেক বেশি সফট হয় এবং অনেকক্ষণ সফট থাকে। দিয়ে দিচ্ছি স্বাদ মত কিছু টা লবণ আর ১ টেবিল চামুচ চিনি। এখন এই শুকনো উপকরন গুলো ভাল ভাবে একটু মিশিয়ে নিচ্ছি। শুকনো উপকরণ গুলো ভালভাবে মিশিয়ে নেয়ার পর,এখন একটা বেটার তৈরি করে নিব। প্রথমে দিয়ে দিচছি এক কাপ হালকা গরম তরল দুধ, এখানে এক কাপ দিয়েছি তরল দুধ আর এক কাপের কম নিয়েছি কিছু টা পানি, তবে পানি একবারে দিচছি না, অল্প অল্প করে পানি দিয়ে বেটারটা তৈরি করে নিবো। আর আমি এখানে এক কাপ দুধ


২২। মুরগীর রোস্ট-১

উপকরনঃ আদা, রসুন, পিয়াজ বাটা, টক দই, পানি, পিয়াজ, কাঁচা মরিচ, তেল

প্রণালীঃ প্রথমে করাই এ আদা, রসুন,পিয়াজ বাটা, টক দই দিয়ে সব দিয়ে পানি দিয়ে সিদ্দ দিব। পরে তেলের  পিয়াজ দিয়ে বেরেস্তা বানিয়ে তা মুরগির সিদ্দতে ছড়িয়ে দিব সাথে কাঁচা মরিচ ছড়িয়ে দিব। পরে থিরে থিরে সিদ্দর পানি মুরগির গায়ে লেগে রোস্ট হয়ে যাবে। পরে পরিবেশন করবো



২১।মুরগীর রস্ত-৩

উপকরনঃ মুরগি, তেল, লবণ, আদা বাঁটা, পিয়াজ বাঁটা, টক দই,

প্রনালিঃ প্রথমে মুরগীকে চার টুকরা করে, ভালোমতো থুয়ে সিদ্দ দিলাম, পরে তেলের মদ্দে ভাজলাম। পরে রোস্টগুলি প্লেটে উঠিয়ে রাখলাম।এখন চুলায় করাই বসালাম,পরে তেল দিলাম,পিয়াজ দিলাম, পিয়াজ বাদামী রং হলে একটু পানি দিয়ে পরে মসল্লা বানালাম আদা বাঁটা, পিয়াজ াটা, টক দই,লবন দিয়ে কসালাম, কসিয়ে রোস্টগুলি মসল্লায় দিয়ে

কশালাম পরে করাই ভরে পানি দিয়ে দিলাম।পরে মসলা শুকিয়ে রোস্ট এর গায়ে লেঘে গেলে, পরে নামিয়ে রাখলাম।পরে পরিবেশন করলাম।


২০। মলাই মাছের ভর্তা

উপকরনঃ তেল, পিয়াজ, রসুন, শুকনা মরিচ কিমবা কাচামরিছ, মলাই মাছের মাথা, লবন।

প্রনালিঃ প্রথমে তাওয়া কিনবা ফ্রাইপেনে পিয়াজ এবং রসুন বাদামি করে ভাজব।পরে শুকনা কিম্বা কাঁচা মরিচ ভাজব। কেও শুকনা মরিচ দিয়ে করে, আবার অনেকে কাঁচা মরিচ দিয়ে করে। পরে মলাই মাছের মাথা ভাজব।পরে সবগুলি প্লেটে রাখব। তারপর একসাথে লবন নিয়ে পাটাতে ভরতা বানাবো, অনেকে থনে পাতাও ভর্তাতে দিয়ে থাকে।


১৯। জ্বাল আলু রান্না 

উপকরনঃ তেল, আলু, হ্লুদ,লবণ,পিয়াজ, ধনে, মরিচ বাটা, দই, ধনেপাতা।

 

প্রনালিঃ প্রথমে আলুকে সিদ্দ করে ছিলে নিতে হবে। পরে আস্ত আলুকে হলুদ লবণ দিয়ে মাখাতে হবে, পরে করাইয়ে তেল দিয়ে আলুকে ভেজে নিতে হবে,পরে ভাজা আলুকে একটা বাটিতে তুলে রাখব। এখন কড়াইয়ে তেল দিব,পরে পেঁয়াজ দিব, পেঁয়াজ বাদামি রং হলে পরে ভাঁজা আলুগুলি ঢেলে দিব। পরে হলুদ এবং ধনে দিয়ে ভাজা আলু গুলি কসাব। কষানোর পর টক দই দিব, পরে কাঁচা মরিচ বাটা দিব। পরে সব দিয়ে ভালোভাবে কসাব। পরে আঠালো হলে ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করব।



১৪। ডিমের হালুয়া

উপকরণঃ ডিম, চিনি, তরল বা গুড়া দুধ, পানি, তেল

প্রণালীঃ ডিম, চিনি এবং দুথ একসাথে মিছিএ লারব। পরে একটা ফ্রাইপেন বা করাইয়ে মিশ্রণ গুলি ঢেলে দিবো। পরে খুরছুনি দিয়ে লারতে লারতে এক সময় দেখা গেল ডিমের জুরি জুরি হালুয়া হয়ে গিএছে।

কোন গোলাপ কিসের প্রতীক

  ভালোবাসার ফুল গোলাপ। এটি ভালোবাসার ভাষা বুঝতে ও বোঝাতে পারে। তাই উপহার হিসেবে গোলাপেরই চাহিদা এখন সবার উপরে। লাল গোলাপ প্রেমের কবিতা আর গল...