Sunday, October 29, 2017

ইসলাম ও ধর্ম


কাবা সম্পর্কে অজানা ১০টি তথ্য

পবিত্র কাবা শরিফ পৃথিবীতে আল্লাহপাকের একটি নিদর্শন। পৃথিবী সৃষ্টির সূচনাকাল থেকেই আল্লাহপাক কাবাকে তাঁর মনোনীত বান্দাদের মিলনমেলা হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। কাবা ইসলামের রাজধানী হিসেবে একটি পরিচিত নামও। পৃথিবীতে মাটির সৃষ্টি এ কাবাকে কেন্দ্র করেই। হাদিসে এমন এসেছে যে কাবার নিচের অংশটুকু পৃথিবীর প্রথম জমিন। বিশাল সাগরের মাঝে এর সৃষ্টি। ধীরে ধীরে এর চারপাশ ভরাট হতে থাকে। সৃষ্টি হয় একটি বিশাল মহাদেশের। এক মহাদেশ থেকেই সৃষ্টি হয় সাত মহাদেশের। মক্কা ও কাবার পরতে পরতে লুকিয়ে আছে ইবরাহীম (আ.)-এর পদচিহ্ন-স্মৃতি। বর্তমান আহলে কিতাব (আসমানি ধর্মগ্রন্থপ্রাপ্ত) ইহুদি ও নাসারাদের নবীরা তারই পুত্র ইসহাক (আ.)-এর বংশোদ্ভূত হওয়ায় কাবার মর্যাদা ও মাহাত্ম্য তাদের কাছেও সমানভাবে সমাদৃত।
পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহপাক কাবা সম্পর্কে বলেছেন, স্মরণ করুন সে সময়কে যখন আমি ইবরাহীমকে বাইতুল্লাহর স্থান নির্ধারণ করে বলেছিলাম যে আমার সঙ্গে কাউকে শরিক করো না। (সুরা হজ, ২৬) এখলাস ও একনিষ্ঠতা এ নির্মাণের অন্যতম উপকরণ ছিল। আল্লাহ বলেন, স্মরণ করো, যখন ইবরাহীম ও ইসমাইল কাবাগৃহের ভিত্তি স্থাপন করছিল। তারা দোয়া করেছিল, হে আমাদের রব! (এ কাজ) আপনি আমাদের পক্ষ থেকে কবুল করুন। (সুরা বাকারা, ১২৭) এই কাবা সর্ম্পকে কিছু অজানা ১০টি তথ্য নিম্নে তুলে ধরা হলো।
১.কাবার পুনর্গঠিন : কাবা অনেক বার পুনর্গঠিত হয়েছে। বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আবার হামলার কারণেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতিহাসবিদরা মনে করেন কাবা মোট ১২ বার পুনর্গঠিত হয়েছে। সর্বশেষ কাবায় পুনর্গঠনের কাজ হয় ১৯৯৬ সালে। কাবা নির্মাণে অংশগ্রহণ করেছেন, আদম (আ.) ইবরাহিম (আ.) এবং সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)
২.গিলাফের রঙ পরিবর্তন : কাবার গিলাফ বললেই কালো রংটা আমাদের সামনে ভেসে উঠে। আচ্ছা কাবা নির্মিণ হওয়ার পর থেকেই কি কাবার গিলাফের রং কালো? কাবাকে গিলাফ দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে এই প্রচলনই বা আসলো কবে? কাবাকে গিলাফ দিয়ে ঢেকে রাখার প্রচলন শুরু হয় মূলত জুরহাম গোত্রের শাসনামলে। পরে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি সাদা ইয়েমেনি কাপড় দিয়ে কাবাকে আব্রিত করেছিলেন। এর পর বিভিন্ন খলিফারা কাবার গিলাফের বিভিন্ন রং ব্যবহার করেছেন। কেউ ব্যবহার করেছেন লাল রংয়ের গিলাফ আবার কেউ ব্যবহার করেছেন সাদা রংয়ের গিলাফ। তবে আজকে যে আমরা কালো গিলাফ দেখতে পাই তার প্রচলন শুরু হয়েছে আব্বাসী শাসন আমলে।
৩.কাবার আকৃতি : কাবার মূলত ডি আকৃতির (আধা গোলাকার) ছিল, যা হযরত ইবরাহীম (আ.) নির্মাণ করেছিলেন। ইবরাহীম (আ.) এর পরে ইসলামের আগে কুরাইশরা কাবার পুনর্নির্মাণ করে। তখন তাদের টাকার অভাবের কারণে পুরো কাঠামো পুনর্গঠন করতে পারেনি। বর্তমানে যেমন আছে। বাকি স্থানটি এখন হাটিম বলা হয়। একটি ছোট প্রাচীর দ্বারা চিহ্নিত করা আছে।
৪.কাবার দরজা কয়টি : মূল কাবার দুটি দরজা ছিলো যার একটি দিয়ে প্রবেশ করা হত আর একটি বের হওয়ার জন্য ব্যবহৃত হত। এমন ছোট্ট একটি জানালাও ছিলো। তবে বর্তমানে কাবার মূল দরজা একটি। কিন্তু ভেতর দিয়ে কাবার ছাদে উঠার জন্য একটি দরজা আছে।
৫.কাবা ঘরের অভ্যন্তরে কী আছে? এ নিয়ে সবার মনেই প্রশ্ন জাগে। কাবার অভ্যন্তরে তিনটি পিলার মূল ছাদটিকে ধরে রেখেছে। দুই পিলারের মাঝে একটি টেবিলে সুগন্ধি রাখা আছে। দেয়ালের উপরাংশকে একটি সবুজ কাপড়াবৃত করে রেখেছে। কাপড়টিতে কোরআনের বিভিন্ন আয়াত ক্যালিগ্রাফি খচিত।
৬.হাজরে আসওয়াদ : হাজর আল আসওয়াদ পাথরটি এখন একটি ফ্রেমের মাঝে রাখ। এমনকি এখন এই পাথরটি বেশ কয়েকটি টুকরো। অবশ্য এক সময় একটি পাথরই ছিলো। কিন্তু বিভিন্ন কারণে পাথরটা ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে। তবে এই পাথর গুলোকে ফ্রেমের ভিতরে রাখার কাজটা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন জুবাইর।
৭.আল-শিবীবী পরিবার সর্বদা কাবার রক্ষক ছিলেন : ইসলাম আসার পূর্ব থেকেই এই পরিবারটি কাবার রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। মূলত তারা ১৫ শতাব্দির রক্ষক। এবং এই পরিবারের লোকেরাই উত্তরাধিকার সূত্রে কাবার রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে থাকেন।
৮. বছরে দুইবার কাবা পরিষ্কার করা হয় : আল-শিবীবী পরিবার শাওয়ান ও দুল-কায়েদা জুড়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। একটি বিশেষ পরিস্কার মিশ্রণ জমজম পানি থেকে প্রস্তুত করা হয়, তাফ রাশওয়াটার এবং ব্যয়বহুল তেল এতে ব্যবহার করা হয়। এই পরিষ্কার করার অনুষ্ঠানে গভর্নর কয়েকজনকে আমন্ত্রণ জানান।
৯.কাবা দরজা সকলের জন্য উন্মুক্ত : প্রথম দিকে প্রত্যেকে কাবার ভিতরে ঢুকতে পারতো এবং ভিতরে ইবাদত করতে পারবো। কেননা তখন কাবার দরজা সবার জন্যই উন্মুক্ত ছিলো। দিন দিন যেহেতু কাবার তোওয়াফকারীর সংখ্যার বৃদ্ধি পাচ্ছে তাই কাবার ভিতরে এখন আর সবাই প্রবেশ করতে পারে না। কাবার দরজা এখন বিশেষ অতিথিদের জন্য মাঝে মাঝে মাঝে খোলা হয়।
১০. কাবার তোওয়াফ কখনো থামে না : কাবার বিষয়ে সব থেকে বেশি আর্শ্চযের বিষয় হলো কাবার তোওয়াফ কখনো বন্ধ হয় না। ইতিহাস ঘাটলে এমন ঘটনাও পাওয়া যায় যে, বন্যার সময় মানুষ সাঁতার কেটে কেটে তোওয়াফ করেছে। তবুও কাবার তোওয়াফ কখনো বন্ধ হয়নি। সূত্র: টপ স্টোরিস




















































































Wednesday, October 18, 2017

চিকিৎসা

গরমে চোখ ওঠা রোগ থেকে মুক্ত থাকুন

চোখ ওঠা রোগটি জটিল কিছু নয়। তবে অন্য ঋতুর চেয়ে গরমকালে রোগটি একটু বেশি দেখা যায়। রোগটি হয়ে থাকে চোখের সাদা অংশ ও চোখের পাতার ভেতরের অংশে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটির নাম কনজাঙ্কটিভাইটিস। এটি হওয়ার মূল কারণ ভাইরাসের আক্রমণ। তবে ব্যাকটেরিয়া, অ্যালার্জি বা আঘাত পাওয়ায় রোগটি হতে পারে। চোখ ওঠা সমস্যা যে কোনো বয়সী নারী ও পুরুষের যে কোনো সময় হতে পারে। হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোÑ অপরিষ্কার বা নোংরা পরিবেশে জীবনযাপন।
লক্ষণ : চোখ লাল হয়ে যায়, চোখের রক্তনালিগুলো প্রদাহের কারণে ফুলে যায়, ঘুম থেকে উঠলে চোখ আঠা আঠা লাগে, সব সময় চোখের ভেতর কিছু একটা পড়েছেÑ এমন অনুভূতি হয়, চোখ চুলকায় এবং জ্বালাপোড়া করে, আলোর দিকে তাকালে অস্বস্তি লাগে, সব কিছু ঘোলা দেখে, চোখ দিয়ে পানি পড়ে, চোখের কোনায় ময়লা জমে ইত্যাদি।
ঝুঁকি : গরমকালে এ রোগটি হলে চোখের ক্ষতি হতে পারে। তাই একটু সাবধানতা অবলম্বন জরুরি। এ সময় জীবাণুর ওপর ওষুধের খুব বেশি প্রভাব পড়ে না। গরমের প্রভাব জীবাণু অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ফলে ওষুধ দিয়ে অনেক সময় জীবাণু প্রতিরোধ করা যায় না। আগেই বলা হয়েছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে এ সমস্যা একেবারেই সামান্য থাকে এবং নিজে থেকে ঠিক হয়ে যায়। তবে গুরুতর ক্ষেত্রে এটি ঠিক হতে অন্তত তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লেগে যায়। এ জীবাণুর প্রভাবে চোখের সাদা অংশ লাল হয়ে যায়। একজনের থেকে অন্যজনেও এ জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে।
রোগমুক্ত থাকার উপায় : পরিমাণমতো পানি পান এ রোগ থেকে রক্ষার সবচেয়ে ভালো উপায়। এ ছাড়া সবজি ও টাটকা ফল খাওয়া এবং পর্যাপ্ত ঘুমও এ রোগ থেকে রেহাই দিতে পারে। যার আগে থেকে এ রোগ রয়েছে, তিন মোটেও চোখে হাত দেবেন না। দিনে বেশ কয়েকবার ঠা-া পানি দিয়ে চোখ ধুতে হবে। বিশেষ করে সারাদিন কাজ করার পর বাড়ি ফিরে অবশ্যই এ কাজটি করতে হবে। অন্য কারো তোয়ালে, রুমাল, বালিশ, বিছানা ইত্যাদি ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। দুচাকার গাড়িতে যাতায়াতের সময় সানগ্লাস ব্যবহার করতে হবে। সাঁতার কাটার সময় চোখে চশমা ব্যবহার করুন। এ রোগ ছোঁয়াচে। তাই যারা এ রোগের শিকার হয়েছেন, তাদের থেকে দূরে থাকুন।

Monday, October 9, 2017

জীবনধারা

অন্ধত্ব ও ক্যানসার প্রতিরোধে লালশাক

লালশাক রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ায়। ফলে যাদের রক্তস্বল্পতা রয়েছে, তারা নিয়মিত লালশাক খেলে রক্তস্বল্পতা পূরণ হয়।
তাছাড়া এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। লালশাক নিয়মিত খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে এবং অন্ধত্ব ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করা যায়।   লালশাক ভিটামিন ‘এ’-তে ভরপুর। লালশাকের ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও লালশাক যথেষ্ট উপকারী। এটি মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করে। দাঁতের মাড়ি ফোলা প্রতিরোধ করে। শিশুদের অপুষ্টি দূর করে। শরীরে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম জমে গিয়ে যেসব অসুখ হয়, তা প্রতিরোধ হয়। এ ছাড়া এটি শরীরের ওজন হ্রাস করে।
এর মধ্যে রয়েছে আরও প্রচুর স্বাস্থ্য গুণও! লাল শাকের বিটা-ক্যারোটিন হার্টস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে। আঁশ জাতীয় অংশ খাবার পরিপাকে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ভিটামিন ‘সি’-এর অভাবজনিত স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে লালশাক।

Monday, September 4, 2017

মতামত

বৃদ্ধাশ্রমের মানুষের জীবনে উৎসব

পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হল। কিন্তু এই উৎসব আনন্দে সবাই কি সমানভাবে যোগ দিতে পেরেছেন? সবার জীবনে কি এসেছে উৎসব? যে পিতা-মাতা এক সময় সন্তানের ভরসাস্থল সেই পিতামাতাকেই কিনা বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নিতে হয়। একবিংশ শতাব্দীতে এসে এও এক নিষ্ঠুর অমানবিক বাস্তবতা। বিশেষ করে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থায় যেখানে পিতা-মাতা ভাইবোন সন্তানসন্তুতি মিলে যৌথ পরিবারে সবাই মিলে মিশে বাস করে সেখানে পিতামাতাকে বয়স হলেই বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেয়া হবে-এ কেমন কথা! মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যে পিতা মাতা সন্তানদের মানুষ করেন তারাই কিনা বড় হয়ে পিতামাতাকে ছুঁড়ে ফেলেন। নিরুপদ্রব এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনযাপনের আশায়। তখন এসব পিতামাতার দুঃখের কোনো অন্ত থাকে না। বিশেষ করে উৎসবের দিনগুলোতে তারা অপেক্ষায় থাকেন স্বজনের।
বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রসহ (বৃদ্ধাশ্রম) বেসরকারি পর্যায়েও রয়েছে বৃদ্ধাশ্রম। সাধারণ দরিদ্র পরিবারের বয়স্করা যেমন আছেন এসব বৃদ্ধাশ্রমে তেমনি ধনাঢ্য পরিবারের অনেক প্রবীণ ব্যক্তিরাও আছেন। কিন্তু সবার অবস্থা আজ এক। সবাই অসহায়। বয়সের ভারে ন্যুজ্ব। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে একদিন সবাই বৃদ্ধ হবেন। আজ যে টগবগে তরুণ বয়সের ভারে সেও এক সময় ন্যুজ্ব হবে। কিন্তু নির্মম পরিহাস হচ্ছে এই কথাটি কেউ মনে রাখে না। আজ বৃদ্ধ পিতামাতাকে যে সন্তান বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দিচ্ছে কাল সেও যে তার সন্তান দ্বারা একই আচরণের শিকার হবে না তার কি কোনো গ্যারান্টি আছে।
‘ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর ঈদুল আজহায় মনুষ্যত্ব বোধের উন্মেষ ঘটবে-এটাই প্রত্যাশা।’
প্রবীণরা তাদের সমগ্র কর্মময় জীবন নিজ নিজ পরিবার গঠনে ও উন্নয়নে এবং সমাজ জাতির সার্বিক কল্যাণে ব্যয় করে বার্ধক্যে উপনীত হন। কিন্তু এই সমাজ তাদের কথা মনে রাখে না। ফলে শেষ বয়সে তাদের আশ্রয় হয় বৃদ্ধাশ্রমে। স্বাভাবিক নিয়মেই সন্তান সন্ততিরা তাদের পিতামাতার ভরণ পোষণের দায়িত্ব পালন করার কথা। বাঙালি একান্নবর্তী পরিবারের সংস্কৃতি এটাই। কিন্তু সময়ের অভিঘাতে পাল্টে যাচ্ছে সমাজ ব্যবস্থা। সেই সঙ্গে পাল্টে যাচ্ছে মূল্যবোধও।
নানা বাস্তবিক কারণে একান্নবর্তী পরিবারগুলো ভেঙে যাচ্ছে। তাই পিতামাতার স্থান হচ্ছে না সেখানে। অনেক পরিবারেই পিতামাতার ভরণ পোষণকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া বিবাদ লেগেই আছে। এ কারণেই ঝুট-ঝামেলা এড়াতে পিতামাতাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু সেখানে তাদের জীবন কিভাবে কাটে সে ব্যাপারে খোঁজ খবর নেওয়াটাও অনেকে প্রয়োজন মনে করে না। এই নিষ্ঠুর অমানবিকতা মনুষ্যত্বের পরিচয় বহন করে না।
এছাড়া আমাদের ধর্মীয় মূল্যবোধও তা সমর্থন করে না। এমনকি ঈদ কিংবা অন্যান্য বিশেষ দিনেও যদি পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের কোনো খোঁজ নেয়া না হয় এর চেয়ে দুঃখজনক আর কী হতে পারে। এক্ষেত্রে সরকারেরও কি করণীয় কিছু নেই? সিনিয়র সিটিজেনদের অধিকার রক্ষায় সরকারি তৎপরতা বাড়াতে হবে। এছাড়া মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, সমাজে ধর্মীয় অনুশাসন এবং নৈতিক, সামাজিক মূল্যবোধের অনুশীলন এক্ষেত্রে একান্ত অপরিহার্য। সমাজের একজন প্রবীণও যেন অবহেলা অনাদরে জীবন যাপন না করে সেটি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসতে হবে। ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর ঈদুল আজহায় মনুষ্যত্ব বোধের উন্মেষ ঘটবে-এটাই প্রত্যাশা।

Tuesday, August 8, 2017

চিকিৎসা

ক্যান্সার সারিয়ে তুলবে স্বর্ণের কণা: গবেষণা

ক্যান্সার চিকিৎসায় সাহায্য করবে স্বর্ণ, নতুন এক গবেষণায় ঠিক এমনটিই দাবি করা হয়েছে। ওই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ফুসফুসের ক্যান্সার চিকিৎসায় স্বর্ণের ছোট কণা ব্যবহার করা হলে তা ক্যান্সারবিরোধী ওষুধের কার্যকারিতা আরো বেশি বাড়িয়ে তুলবে।
স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গ ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের করা এই গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে জার্মান বিজ্ঞানভিত্তিক একটি জার্নাল ‘অ্যাঙওয়ান্তে কেমি’ তে। এতে বিজ্ঞানীরা বলছেন, জেব্রাফিশের মস্তিষ্কের মধ্যে স্বর্ণের টুকরা বসিয়ে তারা দেখেছেন সেটি ওষুধের কার্যকারিতার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তারা জানান, ছোট ছোট স্বর্ণের টুকরাগুলো মূলত ‘গোল্ড ন্যানোপার্টিকেল’ নামে পরিচিত। এগুলো শরীরের সুস্থ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে। টিউমার বা ক্যান্সার ধরা পড়ার কারণে কেমোথেরাপির সময় শরীরের অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে, স্বর্ণের ছোট কণিকার মাধ্যমে এক্ষেত্রে ‘ক্যান্সার কোষ’ বা ‘টিউমার’ সারাতে বেশ সাহায্য করতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা।
যদিও কোনো মানবদেহে এটি এখনো পরীক্ষা করে দেখেননি বিজ্ঞানীরা। তবে তারা আশা করছেন কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতে স্বর্ণের কণা দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে। যুক্তরাজ্যের ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট (সিআরইউকে) এবং ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড ফিজিক্যাল সাইন্স রিসার্চ কাউন্সিলের অর্থায়নে এই গবেষণা কাজটি হয়েছে। আর এতে সমন্বয় করেছে স্পেনের ইউনিভার্সটি অব জ্যারাগোজার ইনস্টিটিউট অব ন্যানোসাইন্স অব অ্যারাগোন। ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গের ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টারের গবেষক ড: অ্যাজিয়ের আনচিতি-ব্রোকেটা বলছেন, ‘আমরা স্বর্ণের নতুন বৈশিষ্ট্য আবিষ্কার করেছি যা আমরা আগে জানতাম না। এই ধাতুটি মানুষের শরীরে ওষুধের প্রয়োগ ঘটাতে পারে খুবই নিরাপদ উপায়ে।’ বিবিসি।

মানব দেহে যত রকম জটিল ও কঠিন রোগ আছে ক্যান্সার তার অন্যতম। মানুষের শরীরটা একটি চলমান ফ্যাক্টরি। মহান আল্লাহতায়ালা মানুষকে তৈরি করে শরীরের ভেতর ও বাহিরে যে সমস্ত অঙ্গ-প্রতঙ্গ দিয়েছেন তাদের প্রত্যেকটির নিদিষ্ট কাজ নির্ধারণ করে রেখেছেন। আমাদের নিত্যদিনের চলাফেরা ও খাওয়া-দাওয়ার ইত্যাদির নির্দিষ্ট জীবন আচরণে অনিয়ম হলেই আমারা অসুস্থ হয়ে পড়ি। বিভিন্ন রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ি। আমরা মানুষ বহুকোষী প্রাণী। অংসখ্য কোষের সমন্বয়ে মানবদেহ গঠিত হয়। প্রতিটি কোষের একটি নির্ধারিত আয়ুষ্কাল আছে। কোষ বিভাজনের মাধ্যমে শরীরে নতুন কোষ সৃষ্টি হয়। কিন্তু এটি অনিয়ন্ত্রিতভাবে হলে শরীরে মাংসের দলা বা চাকা সৃষ্টি হয়। এটিই টিউমার নামে পরিচিত। অনেক ক্ষেত্রে টিউমার ক্ষতিকর হয় না। কেবল ফুলে থাকে, এটি ‘বেনাইন টিউমার’ নামে পরিচিত। ক্ষতিকর টিউমারগুলো ম্যালিগন্যান্ট টিউমার বা ক্যান্সার নামে পরিচিত। শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্ত বা লসিকানালীর মাধ্যমে এটি ছড়িয়ে পড়ে অকাল মৃত্যু ডেকে আনতে পারে।
ক্যান্সার কোনোভাবেই সংক্রামক নয়, অর্থাৎ একজন থেকে আরেকজনে সংক্রমিত হয় না।
ক্যান্সারের কারণ
জীবনযাপন প্রণালী, পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস, ভৌগোলিক অবস্থান, বয়স, বংশানুক্রম ইত্যাদি বিষয় ক্যান্সার সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। সাধারণত জীবাণু দ্বারা ক্যান্সার হয় না, তবে পরিপাকতন্ত্রের ক্যান্সারসহ কিছু ক্ষেত্রে জীবাণুর প্রভাব রয়েছে ক্যান্সার সৃষ্টিতে।
বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার
প্রায় ২০০ রকমের ক্যান্সার শনাক্ত করা হয়েছে এ পর্যন্ত। বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারে চিকিৎসার ধরনও বিভিন্ন। চামড়া, হাড়, অস্থিমজ্জা, প্রেস্টেট, ব্রেস্ট, জরায়ু, কণ্ঠ, যকৃত, ফুসফুস প্রভৃতি অঙ্গে ক্যান্সার হতে পারে। সব বয়সী নারী-পুরুষেরই ক্যান্সার হতে পারে। তবে কিছু কিছু ক্যান্সার কোনো একটি বিশেষ বয়সে হয়।
ক্যান্সারের লক্ষণ
বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন লক্ষণ দেখা যায়। সাধারণ কিছু লক্ষণ হলো, খুব ক্লান্ত বোধ করা, ক্ষুধা কমে যাওয়া, শরীরের যে কোনো জায়গায় চাকা বা দলা দেখা দেয়া, দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা গলা ভাঙ্গা, হজমে সমস্যা হওয়া, মলত্যাগে পরিবর্তন আসা (ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা মলের সাথে রক্ত যাওয়া), জ্বর, রাতে ঠা-া লাগা বা ঘেমে যাওয়া, অস্বাভাবিকভাবে ওজন কমা, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ, ত্বকের পরিবর্তন দেখা যাওয়া, সহজে সারছে না এমন ক্ষত, গিলতে অসুবিধা হওয়া, তিল বা আঁচিলের সুস্পষ্ট পরিবর্তন।
তবে এসব লক্ষণ দেখা দেয়ার অর্থই ক্যান্সার নয়। এসব লক্ষণ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ হোমিও চিকিৎসককে দেখানো প্রয়োজন।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
যেসব ক্যান্সার এখানে বেশি দেখা যায় : ফুসফুস, স্বরযন্ত্র, মুখগহ্বর, গলনালী, আগ্নাশয়, বৃক্ক, মূত্রাশয়, জরায়ু মুখ, স্তন, পাকস্থলী, বৃহদন্ত্র, মলাশয় এবং যকৃত।
ক্যান্সার প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর খাবার :
ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার যেমন রঙিন শাকসবজি, ফল ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
বীজ বা মূল যেমন শুকনো মটর, মটরশুঁটি, শস্যজাত খাদ্য, আলু এসব খাবার ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এছাড়া শাকসবজি, শস্যজাত খাবার ও ফল বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত।
বাঁধাকপি, ওলকপি, শালগম ইত্যাদি পরিপাকতন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার ক্যান্সার সৃষ্টিতে বাধা দেয়। ভিটামিন সি এবং ই এন্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন। তাই ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন পেয়ারা, আমলকি, জাম্বুরা; ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার সবজির তেল, শস্যজাত খাবার, ডিম ইত্যাদি ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য উপকারী।
চর্বিযুক্ত মাংস, ঘি, মাখন, বনস্পতি ইত্যাদির পরিবর্তে সয়াবিন তেল ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
কৃত্রিম রং ক্যান্সারের একটি কারণ তাই এটি পরিহার করা উচিত।
মুখগহ্বরের ক্যান্সার এড়ানোর জন্য তামাক, পান-সুপারি ইত্যাদি বর্জন করা উচিত।
ক্যান্সারের চিকিৎসা

Tuesday, May 30, 2017

বাংলাদেশ

বিশ্বাস অযোগ্য হলেও সত্য

একটি ছবি হাজারটি কথা বলে। মঙ্গলবার সকালে তেমনি এক ঘটনা ঘটলো কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায়।
ঘূর্ণিঝড় 'মোরা'তে যখন বিধ্বস্ত বাড়ি-ঘর। তখন মানুষগুলো আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর দিকে ছুটছে। যে যার মতো নিরাপদে যাওয়ার চেষ্টা করছে। ঠিক  সে সময় ঘটলো এই ঘটনা!
চারদিকের এই বিপদের মধ্যে তখন একটি হাঁসের বাচ্চা পেল নিরাপদ আশ্রয়স্থল। সেই আশ্রয়স্থলটি আর কেউ নয়। সেটি হলো- একটি বিড়াল। বিড়ালটি বুকের মধ্যে নিজের বাচ্চা'র মতো আগলে রেখেছে হাঁসের বাচ্চাটিকে। এটি বিশ্বাস অযোগ্য হলেও বিষয়টি সত্য।

Sunday, April 30, 2017

Nazma chowdhury

Birth-15 February (3rd Falgun)
Father- Mohammed Fazle Ali khan
Brother- Five brother, two sister
First brother –Major Shawkat  Ali Khan now ritier and AZAX Jute mill MD.
Second brother-Anower  Ali khan work garments business
Third brother-Mustafizur Rahman khan, he is  police I. G.P  (Inspacter genarel of  police)
Fourth brother-Amanullah Khan, he is business man
Younger brother- Ahsanullah Khan he is American university P.S.D
My elder sister she is work London, his husband is counciler and then retair.
My husband Abdul Hameed Chowdhury, he is awami lege general secretary and then Qatar ambassador in Bangladesh.
My four daughter, elder daughter Asma Chowdhury Jhangirnager university  professor. His husband Dr. liaqat Ali Diabeties Hospital professor. His one daughter and one son. Daughter Dramatic graduate. Son Nibir read Dr. in Bogora.
My second daughter Salma Chowdhury Gold Medalist in painting and song. Now she began online job.
My third daughter Dr. Selina Chowdhury is Dhaka medical college Gynecologist. Now she is working job in UK. Forth daughter Shamima Chowdhury read college. Nazma chowdhury is Lions, Ladies, W.V.A member and Y.W.C  life member.

Thursday, April 13, 2017

বিনোদন

  দিনভর বৈশাখের আয়োজন

পহেলা বৈশাখ ১৪২৪ উপলক্ষে চ্যানেল আই ঐদিন ভোর ৫টা ৩০ মিনিট থেকে ‘সানসিল্ক হাজারও কণ্ঠে বর্ষবরণ-১৪২৪’ উদযাপন সরাসরি সম্প্রচারের মধ্য দিয়ে শুরু করবে ঐদিন মধ্যরাত পর্যন্ত বৈশাখ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচার। অনুষ্ঠিত হবে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে।
চ্যানেল আই ও সুরের-ধারা’র যৌথ আয়োজনে এ উৎসবের পৃষ্ঠপোষক ‘সানসিল্ক’। বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার নেতৃত্বে সুরের ধারা ও সারাদেশ থেকে নির্বাচিত এক হাজার শিল্পীর কণ্ঠে পরিবেশিত হবে বর্ষবরণের গান। রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার কণ্ঠে পঞ্চকবির গানসহ ছয়টি ৬টি একক পরিবেশনা থাকবে।
অনুষ্ঠানে আরো সংগীত পরিবেশন করবেন দেশের বিশিষ্ট রবীন্দ্র, নজরুল এবং আধুনিক গানের বরেণ্য শিল্পীবৃন্দ। আরো থাকবে ব্যান্ড লিজেন্ড আইয়ুব বাচ্চু ও এলআরবি’র পরিবেশনা ছাড়াও থাকছে ফ্যাশন শো। অনুষ্ঠানস্থলে থাকবে বাঙালির হাজার বছরের বিভিন্ন ঐতিহ্যের উপাদান দিয়ে সাজানো বৈশাখী মেলার হরেক রকম স্টল।
স্টলগুলোতে শোভা পাবে পিঠা-পুলি, মাটির তৈরি তৈজস, বেত, কাঁথা, পিতল, পাট-পাটজাত দ্রব্যের জিনিসপত্রসহ রকমারি ও ঐতিহ্য-সমৃদ্ধ নানান পণ্য সামগ্রী। বর্ষবরণ উৎসব চলবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন আমীরুল ইসলাম ও শহিদুল আলম সাচ্চু।
এরপর বিকেল ২টা ৪০ মিনিটে প্রথম টিভি ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘অজ্ঞাতনামা’র। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন তৌকীর আহমেদ।
‘অজ্ঞাতনামা’য় অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, নিপুন, শহীদুজ্জামান সেলিম, ফজলুর রহমান বাবু, শতাব্দী ওয়াদুদ, আবুল হায়াত, শাহেদ আলী প্রমুখ।
রাত ৭টা ৫০ মিনিটে দেখানো হবে হুমায়ূন আহমেদের নাটক ‘জহির কারিগর’। পরিচালনায় মোহাম্মদ ইব্রাহীম। অভিনয়ে সারিকা, পুষন, শবনম পারভীন, রফিকুল্লাহ সেলিম, সৈয়দ হাসান সোহেল, অরিত্রা সিংহ, মতিউল আলম প্রমুখ।
একইদিন রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে প্রচার হবে বৈশাখের আরেটি বিশেষ নাটক বদরুল আনাম সৌদ নির্মিত ‘আলো অন্ধকারে যাই’ এবং রাত ১১টা ৩০ মিনিটে রয়েছে মৌসুমী বড়ুয়ার উপস্থাপনা ও পরিচালনায় ‘এলোরে বৈশাখ’।

Sunday, April 2, 2017

জীবনধারা

অফিসে কেমন পোশাক পরবেন

কর্মক্ষেত্র মানেই হলো সময়ের সাথে দৌড়ানো। ব্যস্ত সময়ে কর্মক্ষেত্রে কী পরা উচিত আর উচিত নয় তা নিয়ে অনেকেই মাথা ঘামাতে চান না। বিশেষ করে যেসব অফিসে ড্রেস কোড ঠিক করে দেয়া নেই সেসব অফিসে পোশাক নিয়ে নানা রকম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
জেনে নিন অফিসে কী পরা উচিত আর কী পরা উচিত না সেই সম্পর্কে কিছু টিপস-
১। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রতিটি কোম্পানির নিজস্ব একটি ড্রেসকোড থাকে। কাজে ঢোকার পর সেই সম্পর্কে ভালো করে জেনে নেয়া উচিত। একেক ধরনের পেশার ক্ষেত্রে একেক রকম পোশাক গ্রহণযোগ্য হয়। আপনার পোশাকে আপনি পুরনো সময়কে যেমন বহন করবেন না, তেমনই এগিয়ে যাওয়ারও মানে হয় না। সময়মতো তাল মিলিয়ে নিজেকে বদলান। বিজ্ঞাপনের দুনিয়ায় যাঁরা কাজ করেন তাঁদের পোশাক আর যারা আইটি সেক্টরে কাজ করেন তাদের পোশাকে ভিন্নতা থাকবেই। তাই আপনার পেশায় তাঁরা কী ধরনের পোশাক পরছেন তা আগে থেকে যাঁরা আছেন তাদের দেখে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
২। অফিসের প্যান্ট সবসময় ফরমাল হওয়া উচিত। খুব বেশি ভিন্ন ধরনের কাট ছাঁটের ইনফরমাল প্যান্ট অফিসে না পরাই ভালো।
৩। অফিসে ফরমাল শার্ট পরাই ভালো। টি শার্ট পরে অফিসে আসতে চাইলে অবশ্যই কলার যুক্ত টি শার্ট পরা উচিত। গোল গলার টি শার্ট অফিসে খুবই বেমানান দেখায়।
৪। পুরুষদের ক্ষেত্রে পোশাকের রঙ নির্বাচন করুন হালকা-মার্জিত রঙ থেকে। খুব বেশি কড়া রঙের দৃষ্টিকটু পোশাক না পরাই ভালো।
৫। নারীরা অফিসে পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে শালীনতার বিষয়টি মাথায় রাখুন। যেই পোশাকই পরবেন সেটা যেন অফিসের সাথে মানানসই ও শালীন হয় সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখুন।
৬। অতিরিক্ত কাজ করা জবরজং পোশাক অফিসে মানায় না। তাই এ ধরণের পোশাক অফিসে এড়িয়ে চলবেন।
৭। নারীরা অফিসে হাতাকাটা পোশাক পরবেন না। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে অফিসে হাতাকাটা পোশাক একেবারেই মানানসই না।
৮। নারীরা অফিসে পরার পোশাকের গলা বড় রাখবেন না। বড় গলার পোশাকের বদলে হাই নেক, কলারযুক্ত কিংবা ছোট গলার পোশাক পরুন।
৯। পুরুষরা অফিসে সু পরুন। অফিসে স্যান্ডেল পরে আসা খুবই বেমানান দেখায়। হাঁটার সময় খুব বেশি শব্দ হয় এমন জুতা (যেমনঃ হাই-হিল বা পেন্সিল-হিল জাতীয় জুতা) না পরাই ভালো।
১০। অফিসে কড়া গন্ধের সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত নয়। হালকা ঘ্রাণের রুচিশীল সুগন্ধি ব্যবহার করুন।
১১। এমন পোশাক পরবেন না, যা আপনার সিনিয়র বা বসের পোশাকের থেকে জৌলুসে সব সময় কয়েক মাত্রা এগিয়ে থাকে। এক-দুইবার এ ধরনের পোশাক পরতেই পারেন। কিন্ত্ত সেটাই যেন নিয়ম না হয়ে যায়।
১২। নারীরা অফিসে এমন কোনো অলংকার পরবেন না যেগুলোতে শব্দের সৃষ্টি হয়। অলংকারের টুংটাং শব্দ অন্যদের কাজের মনোযোগ নষ্ট করতে পারে।
১৩। ক্যাজুয়াল ফ্রাইডে-তে খুব ক্যাজুয়াল পোশাক পরবেন কি না, ক্লায়েন্ট মিটিং-এ কী ধরনের পোশাক পরে যাবেন সিদ্ধান্ত নিতে আপনার সিনিয়র থেকে পরামর্শ নিতে পারেন।
১৪। ঈদ, পূজা, ক্রিস্টমাস এর মতো উৎসবের আমেজের পোশাক বেশিদিন পরে যাবেন না। তা আপনার সম্পর্কে অতিরিক্ত আমুদে এবং কর্মবিমুখ ইমেজ তৈরি করতে পারে।

Monday, March 27, 2017

ইসলাম ও ধর্ম

কোরআনে উল্লিখিত ফুলেফলে সাজানো মসজিদ

 পবিত্র কোরআনের বর্ণনায় আল্লাহর সৃষ্টির বৈচিত্র্য খুঁজে পাওয়া যায়। কোরআনে রয়েছে মানুষের কথা, ফুল, পাখি ও পাহাড়ের কথা। সাগর, নদী, মেঘমালা ও ঝরনার কথা। মৌলিকভাবে পৃথিবীর সব সৃষ্টির কথা। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘আমি এ গ্রন্থে কোনো কিছু ছাড়িনি।’ কোরআনে বর্ণিত বৈচিত্র্যের সঙ্গে পরিচিত করতে এবার নেয়া হয়েছে অভিনব এক উদ্যোগ। কোরআনের ফুলফল ও বৃক্ষে সাজানো হচ্ছে একটি মসজিদ এবং তার বাগানকে। আর সেই মসজিদটি হচ্ছে পৃথিবীর বুদ্ধিবৃত্তিক রাজধানী খ্যাত ক্যামব্রিজে।
ক্যামব্রিজের মুসলমানদের আবেদনে সাড়া দিয়ে মসজিদটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে তুরস্কের সরকার। সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে শুরু হওয়া নির্মাণ কাজ শেষ হবে জুন ২০১৭ সালে। ব্যয় হবে ১৮ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার। ব্যয় হওয়ার অর্থের সিংহভাগই আসবে তুর্কি সরকারের ভা-ার থেকে। বাকিটা সাধারণ মুসলমানের অনুদান থেকে সংগ্রহ করা হবে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময় সিমেন্টের সঙ্গে মেশানো হয় জমজমের পবিত্র পানি।
অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও উপাদান ব্যবহারে নির্মিত মসজিদটি হবে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব। এখানে ব্যবহার করা হবে সৌরবিদ্যুৎ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তাপচালিত পাম্প, অত্যাধুনিক পানিশোধন পদ্ধতি। মসজিদের নির্মাণ কাজ শেষ হলে এখানে ১ হাজার পুরুষ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। আর নারী মুসল্লিদের জন্য রয়েছে পৃথক ব্যবস্থা। সেখানে ৩০০ নারী একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন। এছাড়াও মসজিদ কমপ্লেক্সে থাকবে অত্যাধুনিক প্রদর্শনী হল, শব্দরোধী মাতৃ কেন্দ্র, নারী চিকিৎসা কেন্দ্র ও একটি ডিজিটাল কোরআনিক স্কুল। তবে ক্যামব্রিজ মসজিদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম মুরাদ বলেন, ‘দৃষ্টিনন্দন স্থাপনার বাইরে মসজিদের মূল আকর্ষণ তার চতুর্দিকের বাগান। বাগানটি কোরআনে বর্ণিত ফুলফল ও বৃক্ষ দ্বারা সাজানো।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোরআনে বর্ণিত প্রত্যেক ধরনের গাছের সঙ্গে কোরআনের সংশ্লিষ্ট আয়াত, গাছের পরিচয় ও বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্যের বিবরণ উল্লেখ করা হবে এবং বাগান উন্মক্ত থাকবে সব শ্রেণী ও ধর্মের মানুষের জন্য। যেন তারা কোরআনের সৌন্দর্য অনুভব করতে পারেন। তরুণ মুসলিমদের জন্য আল্লাহর বাণীর মর্ম বোঝা সহজ হবে।’
কোরআনে ৩১ প্রজাতির উদ্ভিদের উল্লেখ রয়েছে এবং এর সবই এখানে থাকবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
মসজিদ নির্মাণে ক্যামব্রিজের গুরুত্ব তুলে ধরে আবদুল হাকিম মুরাদ বলেন, এ শহরে এমন একটি মসজিদের বিশেষ প্রয়োজন ছিল। কেননা ক্যামব্রিজ হলো জ্ঞানচর্চা ও বুদ্ধিবৃত্তির আন্তর্জাতিক রাজধানী। এখানে নিউটন, ভিটগেনস্টাইন ও ডারউনের মতো বিশ্ববিখ্যাত ব্যক্তিরা পড়েছেন। পৃথিবীর সেরা ছাত্ররা এখানে ভর্তি হন এবং তারাই আগামী পৃথিবীর নেতৃত দেবে।
মসজিদ নির্মিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শহরের ৬ হাজার মুসলিম বাসিন্দা। মসজিদ নির্মিত হওয়ায় তাদের অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে। ক্যামব্রিজের বাসিন্দা সাঈদ মুহাম্মদ ফাদেল বলেন, আমাদের মসজিদটি ছিল খুব ছোট। আমরা একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারতাম না। শুক্রবার আমাদের রাস্তায় দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতে হতো। এখন আমাদের আর রাস্তায় দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতে হবে না। তাছাড়া কোরআনিক স্কুলটিও একটি ইতিবাচক উদ্যোগ।’


Friday, March 10, 2017

রান্নার রেসিপি



টম্যাটো এন্ড চিকেন ম্যাগি নুডলস

উপকরণ :সিদ্ধ করা ম্যাগি নুডলস ১ প্যাকেট,রসুন এর পেস্ট ২ চা চামচ টমেটো পেস্ট ১ কাপ বড় , সিদ্ধ হাড় ছাড়া মুরগির পিস ১ কাপ বড় , লবন স্বাদমত , সর্ষের তেল ছোট ১ কাপ , ধনে পাতা অল্প। 

প্রণালি : এটা বানাতে আমরা আগে টমেটো পেস্ট নেব । টমেটো পেস্ট দিয়ে তাতে ১চা চামচ রসুন এর পেস্ট ,অল্প সর্ষের তেল, ধনে পাতা দিয়ে ভালো ভাবে ব্লেন্ড করে নিন, হয়ে গেল বেসিক পেস্ট। প্রথমে নন স্টিক ফ্রাইং প্যানে খানিকটা তেল দিয়ে তাতে বাকি রসুন পেস্টটা দিন, লাল করে ভাজুন। এবার ব্লেন্ড করা টমেটো পেস্ট টা দিয়ে দিন। সাথে সিদ্ধ মুরগির ছোট ছোট পিস গুলো দিন । ৩ মিনিট রান্না করুন, যখন এটা ফুটে উঠবে তখন সিদ্ধ করে রাখা ম্যাগি নুডলস দিন , লবন দিয়ে রান্না করুন আরো ৩ মিনিট। খেয়াল রাখেবন নুডলস যেন ড্রাই হয়ে না যায় এবং কিছুটা গ্রেভি যেন অবশ্যি থাকে । পরিবেশন করার আগে ধনে পাতা উপরে ছিটিয়ে দিতে পারেন।


Tuesday, March 7, 2017

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

ফোরকে এইচডিআর পর্দার স্মার্টফোন নিয়ে এলো সনি

প্রথমবারের মতো ফোরকে এইচডিআর পর্দার স্মার্টফোন বাজারে নিয়ে এলো সনি। দেড় বছর আগে এক্সপেরিয়া জেড৫ প্রিমিয়াম স্মার্টফোনে প্রথমবারের মতো ফোরকে রেজ্যুলুশনের পর্দা ব্যবহার করেছিল সনি। গত সপ্তাহে মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে এই ফোনটি উন্মোচন করা হয়। খবর জানিয়েছে ম্যাশেবল। 
এক্সপেরিয়া এক্সজেড প্রিমিয়াম নামের নতুন স্মার্টফোন শুধু পর্দা দিয়েই চমক জাগাচ্ছে না, ফোনটির ক্যামেরাতেও যথেষ্ঠ উন্নতি সাধন করেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। এক্সজেড প্রিমিয়ামের ক্যামেরা ৯৬০ ফ্রেম প্রতি সেকেন্ডে ভিডিও ধারণ করতে সক্ষম।
স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে কোয়াড এইচডি পর্দা এবং ফোরকে রেজ্যুলুশনের পর্দার মাঝে খুব বেশি মাত্রায় পার্থক্য খালি চোখে পাওয়া যাবে না। অন্যদিকে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি বা ভিআরের জন্য ফোরকে বেশ সুবিধাজনক হলেও সনির পক্ষ থেকে মোবাইল ভিআর সেট নির্মাণের কোনো তাগিদ দেখা যায়নি। তবে এইচডিআর পর্দা হওয়ার কারণে স্মার্টফোনটির পর্দায় আরো উজ্জ্বল এবং নিখুঁত দেখা যাবে যেকোনো ছবি কিংবা ভিডিও।
৫.৫ ইঞ্চি পর্দার এই ফোনে থাকছে কোয়ালকোমের সর্বশেষ প্রসেসর স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫, ৪ জিবি র‍্যাম, ৬৪ জিবি স্টোরেজ সুবিধা যা কি না মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহার করে বৃদ্ধি করা যাবে ২৫৬ গিগাবাইট পর্যন্ত। ৩,২৩০ এমএএইচ ক্ষমতার স্মার্টফোনে অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে থাকছে অ্যানড্রয়েড নুগাট।

অন্যান্য প্রিমিয়াম এক্সপেরিয়া স্মার্টফোনের মতো এই স্মার্টফোনটিও পানি ও ধূলারোধী। তা ছাড়া ফিংগারপ্রিন্ট স্ক্যানার ফিচারটিও বাদ যায়নি এখানে। 
ক্যামেরার ক্ষেত্রে বেশ বড় পরিবর্তন এনেছে সনি। ১৯ মেগাপিক্সেলের ‘মোশন আই’ ক্যামেরা ছবি তুলতে পারবে নিজ থেকেই; সনি এই ফিচারকে ডাকছে ‘প্রেডিক্টিভ ক্যাপচার’ নামে। আর ৯৬০ এফপিএসে ভিডিও ধারণ করতে সক্ষম এই ক্যামেরার মাধ্যমে উচ্চমানের স্লোমোশন ভিডিও ধারণ করা সম্ভব হবে। অন্যদিকে ফ্রন্ট ক্যামেরাতেও এসেছে পরিবর্তন। ১৩ মেগাপিক্সলের ফ্রন্ট ক্যামেরা থাকছে এক্সপেরিয়া এক্সজেডে।

দামের ব্যাপারে এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি সনি। তবে স্পেসিফিকেশন দেখে সহজেই আঁচ করা যায় এক্সপেরিয়া এক্সজেড প্রিমিয়ামের দাম নেহায়েত কম হবে না।

Monday, March 6, 2017

দিনের শুরুতেই টাইগারদের সাফল্য

গলে টেস্টে শুরুতেই সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশের বোলাররা। লঙ্কান উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান উপুল থারাঙ্গাকে ৪ রানে দুর্দান্ত বোল্ড করেন পেসার সুভাশিষ রায়। লঙ্কানদের সংগ্রহ ৭ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ২২ রান। ক্রিজে অপরাজিত আছেন কারুনারাত্নে (১৬) ও কুশাল মেন্ডিস(০)।
এরপর সুভাশিষের বলে বোল্ড হন কারুনারত্নে। কিন্তু নো বল হওয়ায় তিনি বেঁচে যান।
মঙ্গলবার সকালে গলেতে প্রথম টেস্টের টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে লঙ্কান দলপতি রঙ্গনা হেরাথ। 
সর্বশেষ টেস্ট থেকে বাংলাদেশ দলে তিনটি পরিবর্তন এসেছে। লিটন, সুভাশিষ ও মোস্তাফিজ দলে ঢুকেছেন।
বাংলাদেশ দল: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মোমিনুল ইসলাম, সাকিব আল হাসান, মাহমুদুল্লাহ, মুশফিকুর রহিম(অধিনায়ক), লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, সুভাশিষ রায়, তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান।
শ্রীলঙ্কা দল: দিমুথ কারুনারত্নে, উপুল থারাঙ্গা, কুশাল মেন্ডিস, দিনেশ চান্দিমাল, নিরোশান ডিকওয়াল্লা, আসেলা গুনারাত্নে, দিলুয়ারান পেরেরা, রঙ্গনা হেরাথ (অধিনায়ক), সুরঙ্গা লাকমাল, লাহিরু কামারা ও লক্ষণ সান্ডাকান।

Thursday, March 2, 2017

ওজন কমাতে সাহায্য করে পালং শাক

পালং শাকে রয়েছে থাইলোকোয়েড নামের একটি উপাদান। মানব দেহে খাবার গ্রহণের পর যে পরিতৃপ্তির সৃষ্টি হয় তা দেখা দেয় বিশেষ হরমোনের কারণে।  থাইলোকোয়েড এমন হরমোনের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া, চর্বি হজমের প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করে। দুইয়ে মিলে খাদ্যস্পৃহা এবং ক্ষুধাবোধ উভয়ই কমে। এ সংক্রান্ত গবেষণা  নিবন্ধ জার্নাল অব দ্যা আমেরিকান কলেজ অব নিউট্রিশনে প্রকাশিত হয়েছে। আমেরিকার লুজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের পেনিনংটন বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার এ গবেষণা চালিয়েছে। এ কাজে জড়িত অন্যতম গবেষক ফ্রাংক এল  গ্রিনওয়ে বলেন, খাদ্যস্পৃহা এবং ক্ষুধাবোধ কমাতে সাহায্য করে থাইলোকোয়েড। তাই উচ্চরক্ত চাপ এবং অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারে থাইলোকোয়েড। এখানে অবশ্য একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ্য করা প্রয়োজন আর তা হলো, চিকিৎসক যদি কোনো কারণ আপনাকে পালং শাক খেতে নিষেধ করে থাকেন তা হলে এটি পড়ে তা খেতে যাবেন না। আসলে গবেষণা সংক্রান্ত এ সব খবর কখনোই চিকিৎসকের পরামর্শের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে না। তাই খাদ্য বা চিকিৎসা গবেষণা সংক্রান্ত কোনো খবর পড়েই তা পালন করতে মেতে উঠবেন না। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই গ্রহণ করবেন। না হলে মারাত্মক বিপদ দেখা দিতে পারে।# 

Wednesday, March 1, 2017

যে ৩টি খাবার আপনার লিভারকে সুস্থ রাখবে

লিভার মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলিভার মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির লিভারের ওজন ৩ পাউন্ড। দেহের এই লিভার অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজের সাথে জড়িত। যেমন- হজম শক্তি, মেটবলিজম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, দেহে পুষ্টি যোগানো ইত্যাদি। সুস্থ লিভার দেহের রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করে, রক্ত থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়, দেহের সকল অংশে পুষ্টি যোগায়। এছাড়াও লিভার ভিটামিন, আয়রন এবং সাধারণ সুগার গ্লুকোজ সংরক্ষন করে।
যেহেতু লিভার আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ তাই যে কোন উপায়ে একে সুস্থ সবল রাখতে হবে। অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন দেহের লিভারের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। ওজন বৃদ্ধি, হৃদরোগ, দীর্ঘ সময় ক্লান্তি অনুভব করা, হজমের সমস্যা, এলার্জি ইত্যাদি এই সমস্ত অসুখ দেখা দিতে পারে অসুস্থ লিভারের কারণে। তাই দেহ ও লিভার সুস্থ রাখার জন্য চিনে নিন এমন কিছু খাবার যা সুস্থ রাখবে আপনাকে।

রসুন

লিভার পরিষ্কার রাখার জন্য উত্তম খাবার হল রসুন। রসুনের এনজাইম লিভারের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান পরিষ্কার করে। এতে আছে আছে আরও দুটি উপাদান যার নাম এলিসিন এবং সেলেনিয়াম যা লিভার পরিষ্কার রাখে এবং ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান হতে রক্ষা করে।
  • ১। প্রতিদিন যে কোন সময় ২/৩ টি রসুনের কোয়া খেয়ে নিন।
  • ২। আপনি চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে রসুন দিয়ে তৈরি ভিটামিনও খেতে পারেন।

লেবু

লেবুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান দেহের লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং ডি লিমনেন উপাদান লিভারে এনজাইম সক্রিয় করে। তাছাড়া লেবুর ভিটামিন সি লিভারে বেশি করে এনজাইম তৈরি করে যা হজম শক্তির জন্য উপযোগী। লেবুর মিনারেল লিভারের নানান পুষ্টি উপাদানগুলো শোষণ করার শক্তি বৃদ্ধি করে। বাসায় লেবুপানি পান করুন এবং যেকোন সময় পানের জন্য লেবুপানি বানিয়ে রাখুন। প্রতিদিন লেবুপানি পান করুন, চাইলে মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন।

আপেল

প্রতিদিন ১ টি করে আপেল খেলে তা লিভারকে সুস্থ রাখে। আপেলের পেক্টিন, ফাইবার দেহের পরিপাক নালী হতে টক্সিন ও রক্ত হতে কোলেস্টরোল দূর করে এবং সাথে সাথে লিভারকেও সুস্থ রাখে। আপেলে আছে আরও কিছু উপাদান- ম্যালিক এসিড যা প্রাকৃতিক ভাবেই রক্ত হতে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে। যেকোন ধরণের আপেলই দেহের লিভারের জন্য ভালো। তাই লিভার সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ১ টি করে আপেল খান।কটি অঙ্গ এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির লিভারের ওজন ৩ পাউন্ড। দেহের এই লিভার অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজের সাথে জড়িত। যেমন- হজম শক্তি, মেটবলিজম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, দেহে পুষ্টি যোগানো ইত্যাদি। সুস্থ লিভার দেহের রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করে, রক্ত থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়, দেহের সকল অংশে পুষ্টি যোগায়। এছাড়াও লিভার ভিটামিন, আয়রন এবং সাধারণ সুগার গ্লুকোজ সংরক্ষন করে।
যেহেতু লিভার আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ তাই যে কোন উপায়ে একে সুস্থ সবল রাখতে হবে। অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন দেহের লিভারের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। ওজন বৃদ্ধি, হৃদরোগ, দীর্ঘ সময় ক্লান্তি অনুভব করা, হজমের সমস্যা, এলার্জি ইত্যাদি এই সমস্ত অসুখ দেখা দিতে পারে অসুস্থ লিভারের কারণে। তাই দেহ ও লিভার সুস্থ রাখার জন্য চিনে নিন এমন কিছু খাবার যা সুস্থ রাখবে আপনাকে।

রসুন

লিভার পরিষ্কার রাখার জন্য উত্তম খাবার হল রসুন। রসুনের এনজাইম লিভারের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান পরিষ্কার করে। এতে আছে আছে আরও দুটি উপাদান যার নাম এলিসিন এবং সেলেনিয়াম যা লিভার পরিষ্কার রাখে এবং ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান হতে রক্ষা করে।
  • ১। প্রতিদিন যে কোন সময় ২/৩ টি রসুনের কোয়া খেয়ে নিন।
  • ২। আপনি চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে রসুন দিয়ে তৈরি ভিটামিনও খেতে পারেন।

লেবু

লেবুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান দেহের লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং ডি লিমনেন উপাদান লিভারে এনজাইম সক্রিয় করে। তাছাড়া লেবুর ভিটামিন সি লিভারে বেশি করে এনজাইম তৈরি করে যা হজম শক্তির জন্য উপযোগী। লেবুর মিনারেল লিভারের নানান পুষ্টি উপাদানগুলো শোষণ করার শক্তি বৃদ্ধি করে। বাসায় লেবুপানি পান করুন এবং যেকোন সময় পানের জন্য লেবুপানি বানিয়ে রাখুন। প্রতিদিন লেবুপানি পান করুন, চাইলে মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন।

আপেল

প্রতিদিন ১ টি করে আপেল খেলে তা লিভারকে সুস্থ রাখে। আপেলের পেক্টিন, ফাইবার দেহের পরিপাক নালী হতে টক্সিন ও রক্ত হতে কোলেস্টরোল দূর করে এবং সাথে সাথে লিভারকেও সুস্থ রাখে। আপেলে আছে আরও কিছু উপাদান- ম্যালিক এসিড যা প্রাকৃতিক ভাবেই রক্ত হতে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে। যেকোন ধরণের আপেলই দেহের লিভারের জন্য ভালো। তাই লিভার সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ১ টি করে আপেল খান।

Tuesday, February 28, 2017

আন্তর্জাতিক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র একদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছে। মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি ডেমোক্র্যাট পার্টির প্রতিনিধি পরিষদের নেতারও সমালোচনা করেন। মঙ্গলবার সকালে তার সাক্ষাৎকারটি প্রচার করা হয়। তিনি বলেন, হারার পর বামপন্থীরা সবসময় রেস কার্ড খেলেন।
ফক্স নিউজের ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ড’ প্রোগ্রামে হাজির হয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি আমার প্রেসিডেন্ট হওয়ার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার ঝুঁকির মধ্যে যাচ্ছে’। তিনি মার্কিন পার্লামেন্ট কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের নেতা ন্যান্সি পেলোসিকে ‘অযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ডেমোক্র্যাট পার্টি এখন সিনেটে এবং প্রতিনিধি  পরিষদ উভয় কক্ষে সংখ্যালঘু অবস্থানে আছে। ফলে ন্যান্সি পেলোসির নেতৃত্বও এখন ঝুঁকির মুখে। ট্রাম্প নিজে দুই পার্টি পদ্ধতি চান বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বামপন্থীরা যখন হেরে যান তখন রেস কার্ড খেলেন। গত কয়েক বছর ধরেই তিনি এই বিষয়টি লক্ষ্য করছেন। অস্কার পুরস্কার অনুষ্ঠানে উপস্থাপক তার সমালোচনা করায় তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আমাকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় অস্কারে এত বড় ভুল হয়েছে।
প্রেসিডেন্টের মন্তব্য মার্কিনীদের আশাহত করবে বলে মনে করা হচ্ছে। কংগ্রেসে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে দেশকে স্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছিল। তিনি কংগ্রেসম্যান ও সিনেটরদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে পারতেন। ডেমোক্র্যাটরা তার ভাষণের সময় উপস্থিত থাকবেন এবং পরে সাংবাদিকদের সামনে ভাষণের প্রতিক্রিয়া জানাবেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সহযোগী স্টিফেন মিলারকে সঙ্গে নিয়ে ভাষণের বিষয়বস্তু লিখেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু বিষয় তুলে ধরবেন। তবে ন্যান্সি পেলোসি বলেন, তার মনে হয় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভাষণ শপথ অনুষ্ঠানের ভাষণের মতোই হবে। সত্যিই যদি সেটা হয় তাহলে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য খুবই দু:খজনক হবে।

মোনালিসার হাসির রহস্য উন্মোচন

লেওনার্দো দা ভিঞ্চির বিখ্যাত চিত্রকর্ম মোনালিসা নিয়ে কয়েক শতাব্দী ধরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিতর্ক চলছে। মোনালিসার হাসিকে নিয়মিতভাবেই রহস্যজনক বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এবার গবেষকেরা বলছেন, মোনালিসার এই হাসি রহস্যজনক নয়। এই হাসিতে দ্ব্যর্থহীনভাবে ‘সুখ’ অভিব্যক্তি ফুটে উঠেছে।
গবেষকেরা বলছেন, ব্যতিক্রম একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, প্রায় শতভাগ লোকই মোনালিসার ওই অভিব্যক্তিকে দ্ব্যর্থহীনভাবে ‘খুশি’র অভিব্যক্তি বলে বর্ণনা করেছে।
গবেষণায় অংশ নেওয়া জার্মানির ফ্রেইবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরো সায়েন্টিস্ট জুয়েরগেন কর্নমিইর বলেন, ‘আমরা সত্যিই বিস্মিত।’ মানুষের মুখের অভিব্যক্তির মতো চাক্ষুষ ইঙ্গিত বিচারের ক্ষেত্রে প্রভাবিত করে এমন নিয়ামক নিয়ে পরিচালিত এ গবেষণায় কর্নমিইরসহ বিজ্ঞানীদের একটি দল বিখ্যাত এই চিত্রকর্মটি ব্যবহার করেন।
মোনালিসাকে প্রায়ই হেঁয়ালি মানসিক অবস্থার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়। এই চিত্রটি বেশির ভাগ লোকের কাছে প্রথমে ‘মিষ্টি হাসি’ বলে প্রতীয়মান হয়। তবে কেবল একটু বেশি সময় ধরে দেখলে ‘অখুশি’ বা ‘বিদ্রূপাত্মক হাসি’ বলে মনে হয়।
গবেষকেরা ভিঞ্চির ষোড়শ শতাব্দীর শুরুর দিকের সেরা এই চিত্রকর্মটির একটি সাদা-কালো কপির মডেলের মুখের কোনার অংশটি ওপর-নিচ করে রদবদল করেন। এভাবে তাঁরা আটটি ছবি তৈরি করেন। ওই রদবদলের করা চারটি ছবিতে ক্রমান্বয়ে ‘খুশি’ অভিব্যক্তি ফুটে ওঠে এবং চারটি ছবি ক্রমান্বয়ে ‘দুঃখ’ অভিব্যক্তি ফুটে ওঠে। এরপর ওই আটটি ছবি এবং মূল ছবিটি গবেষণায় অংশ নেওয়া ১২ জনকে আধা ঘণ্টা ধরে দেখানো হয়।
কর্নমিইর বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম মূল কপির অভিব্যক্তি সবচেয়ে রহস্যময় বলে বিবেচিত হবে।’ এর পরিবর্তে ৯৭ শতাংশ ক্ষেত্রে ‘আমরা দেখতে পেলাম মূল কপিটি অভিব্যক্তি সুখের বলে বিবেচিত হয়েছে।’
পরীক্ষার দ্বিতীয় পর্যায়ে মোনালিসার রদবদল করা ছবির মধ্যে দুঃখের অভিব্যক্তির আটটি সংস্করণ ও মূল সংস্করণটি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ব্যক্তদের দেখানো হয়। এই পরীক্ষায়ও মূল কপিটির অভিব্যক্তি সুখের বলে বর্ণনা করেন অংশগ্রহণকারীরা।
গবেষকেরা বলেন, এই ফল এটা নিশ্চিত করেছে যে ‘আমাদের মস্তিষ্কে সুখ ও দুঃখের অভিব্যক্তি নির্ণয়ে পরম কোনো মানদণ্ড নেই।..এটা অনেকখানি নির্ভর করে প্রাসাঙ্গিকতার ওপর।’
কর্নমিইর বলেন, ‘আমাদের মস্তিষ্ক খুব, খুবই দ্রুত পুরো বিষয়টি স্ক্যান করে ফেলে। আমরা সামগ্রিকভাবে দেখি এবং আমরা আমাদের অনুমান তৈরি করি আগের ইন্দ্রিয় অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে।’ তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়া মানসিক রোগের গবেষণা খুবই কার্যকরী বলে তাঁরা মনে করছেন।
আরেকটি মজার আবিষ্কার হলো, মানুষ মোনালিসার সুখের অভিব্যক্তিকে দ্রুত শনাক্ত করেছেন দুঃখের অভিব্যক্তির তুলনায়। কর্নমিইর বলেন, এতে এটাই প্রমাণিত হয় যে ‘মানুষের মধ্যে সুখের প্রতি অগ্রাধিকারমূলক মনোভাব রয়েছে’।
গবেষক দলটি মনে করেন, তাঁদের কাজ শেষ পর্যন্ত শতাব্দী পুরোনো প্রশ্নের মীমাংসা করেছে। কর্নমিইর বলেন, অন্য দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সেখানে কিছু অস্পষ্টতা রয়েছে। তবে সুখ ও দুঃখের অনুভূতিতে কোনো অস্পষ্টতা নেই।

 গাঁজা চাষ ও সেবনকে বৈধতা দিলো ইসরাইল

গাঁজা সেবন অপরাধ নয়, এই মর্মে অনুমোদন দিয়েছে ইসরাইলের মন্ত্রীসভা। বার্তা সংস্থা সিএনএন’র এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানানো হয়েছে।
গত কিছুদিন ধরেই দেশটির রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বাম ও ডানপন্থীদের মধ্যে এটি নিয়ে বিভেদের সৃষ্টি হচ্ছিলো। গত রবিবার দেশটির মন্ত্রীসভার এক বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি সমঝোতায় এসে গাঁজাকে স্বীকৃতি দেয় তারা। এখন থেকে দেশটিতে ভাং বা গাঁজা বিনোদনমূলক ব্যবহারে অনপরাধ হিসাবে গণ্য হবে, যা দেশটির রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রথমবার প্রকাশ্যে গাঁজা সেবনকারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়লে উক্ত ব্যক্তিকে ২৫০ ডলার জরিমানা গুনতে হবে শুধু। তবে এতে তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ দায়ের করা হবেনা। জরিমানার এই টাকা দেশটির মাদক পুনর্বাসন ও শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়।

 ডিমের ভেতরে প্লাস্টিকের কুসুম

মেয়েকে ডিমের ওমলেট করে খাওয়ানোর জন্য স্থানীয় দোকান থেকে কয়েকটি ডিম কিনেছিলেন কলকাতার কড়েয়া থানার এলাকার বাসিন্দা অনিতা কুমার। কিন্তু সেই ডিম ফাটাতেই যা বেরিয়ে এল তা রীতিমতো সন্দেহজনক। শেষ পর্যন্ত রহস্যজনক ডিম নিয়ে থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন ওই গৃহবধূ।
অনিতাদেবীর অভিযোগ, প্রথমে একটি ডিম ফাটাতেই তার মধ্যে থেকে প্লাস্টিক জাতীয় জিনিস বেরিয়ে আসে। প্রথমে তিনি করেন, ডিমটি হয়তো নষ্ট। ফের একটি ডিম ফাটাতেই একই ধরনের সন্দেহজনক জিনিস বেরিয়ে আসে। ওই গৃহবধূ এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা একমত হন, ডিমের ভিতরে প্লাস্টিক জাতীয় জিনিস রয়েছে।
অনিতাদেবীর সন্দেহ হয়, এগুলি চিনা নকল ডিমও হতে পারে। কারণ, ডিমের কুসুমগুলি ভাজার পরে সেগুলি প্লাস্টিকের মতোই শক্ত হয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, প্লাস্টিক পোড়া গন্ধও বেরোচ্ছিল বলে দাবি করেন ওই গৃহবধবূ। এর পরেই কড়েয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে গৃহবধূর পরিবার।
থানা থেকে জানানো হয়, পরীক্ষার জন্য ওই ডিমগুলি খাদ্য দফতরে পাঠানো হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। অনিতাদেবী জানিয়েছেন, তিনি চান এই ধরনের কৃত্রিম ডিমের বিষয়ে সচেতন হোক মানুষ।

জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও পশ্চিমবঙ্গের ‘দোহার’ ব্যান্ডের গায়ক-সংগীত পরিচালক কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য মারা গেছেন। মঙ্গলবার সকালে ভারতের হুগলিতে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি মারা গেছেন।
জানা গেছে, বীরভূমের সিউড়িতে একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে দল নিয়ে কলকাতা থেকে যাওয়ার পথে তাকে বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনায় পড়ে। কালিকাপ্রসাদসহ ৬ জন ছিলেন গাড়িতে। অন্যদের অবস্থাও গুরুতর।
কলকাতা থেকে বর্ধমান যাওয়ার পথে কালিকাপ্রসাদের গাড়িকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় একটি লরি। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে পড়ে শিল্পীর গাড়িটি। আহত অবস্থায় তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা কালিকাপ্রসাদকে মৃত ঘোষণা করেন।
কালিকাপ্রসাদ গত ২ মার্চ কলকাতা অভিনেতা পরমব্রত’র সঙ্গে ঢাকায় এসেছিলেন। উল্লেখ্য সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘ভুবন মাঝি’র জন্য গান করেছেন তিনি।
এ শিল্পীর অকাল প্রয়াণে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে শিল্পাঙ্গনে শোকের ছায় নেমে এসেছে। গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

যৌনতায় অনাগ্রহ জাপানিদের

জাপানি তরুণী আনা। সফল নির্বাহী হিসাবরক্ষক। সুন্দরী। বন্ধুদের সঙ্গে বেড়ানো, নৈশক্লাবে আড্ডা—সবই উপভোগ্য আনার কাছে। তবে যৌনতায় তাঁর আগ্রহ নেই।
২৬ বছরের জাপানি তরুণ আনো মাতসুয়ি। তিনি ও তাঁর বন্ধুরা নারীদের এড়িয়ে চলেন। প্রেমের বদলে বিভিন্ন শখের চর্চা করে সময় কাটান।
কেবল আনা বা মাতসুয়ি নন। নতুন জরিপ বলছে, ৪৩ শতাংশ জাপানি তরুণ-তরুণীর যৌন অভিজ্ঞতা নেই। ৬৪ শতাংশের কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই। ৩০ বছর বয়সেও যৌন অভিজ্ঞতা নেই—এমন জাপানি তরুণ-তরুণীর সংখ্যা বাড়ছে। তাঁদের বেশির ভাগই কোনো শারীরিক সম্পর্ক ছাড়াই জীবন যাপন করছেন।
জাপানে ভালোবাসা ও যৌনতার সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের। যৌনতা নিয়ে একধরনের ফ্যান্টাসি রয়েছে জাপানিদের মধ্যে। জাপানেই প্রথম প্রেমিক-প্রেমিকাদের ভালোবাসার সুযোগ দেওয়ার জন্য প্রচলন হয় ‘লাভ হোটেলে’র। প্রশ্ন হলো, হঠাৎ কী হলো প্রেমিক জাপানিদের?
এসবের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন বিবিসির টোকিও প্রতিনিধি রুপার্ট উইংফিল্ড হায়েস।
ফেরা যাক মাতসুয়ি ও আনার কথায়। ২৪ বছরের আনো মাতসুয়ি কৌতুক অভিনেতা। রুপার্টের প্রশ্নের উত্তরে জানালেন, নারীরা তাঁকে পছন্দ করেন না। তাই তাঁর আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে। একবার এক নারীকে তিনি ডেট করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রত্যাখ্যাত হন। এতে তাঁর মন আরও ভেঙে যায়।
সাংবাদিক রুপার্ট উইংফিল্ড আনুমাৎসো ও তার বন্ধুদের সম্পর্কে জানতে চান। উত্তরে আনুমাৎসো বলেন, অনেক বন্ধুর অবস্থা তাঁর মতোই। তাঁরা নারীদের ভয় পান। নারীদের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ভয়ে থাকে। প্রেমের বদলে তাই বিভিন্ন শখের চর্চা করে তাঁরা সময় কাটান। অনেক সময় নিজের জন্য দুঃখ হয়। কিন্তু কিছু করার নেই।
কথা হয় শিল্পী নকু দেনাসিকোর সঙ্গে। তিনি থ্রিডি ইমেজ শিল্পী। এ জগতে খুবই জনপ্রিয়। তাঁকে নিয়ে আরও দুই নারীর সঙ্গে আলোচনায় বসেন রুপার্ট। পরিস্থিতি শুনে ওই নারীরা বিস্মিত। কারণ, তাঁদের কাছে সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সংসর্গ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেনাসিকোর কাছে তাঁরা যৌনতায় অনাগ্রহ সম্পর্কে জানতে চান।
নকু দেনাসিকো বলেন, একটা সম্পর্ক গড়ে তোলা সহজ নয়। সম্পর্কের শুরুতেই একজন তরুণ ডেট করার প্রস্তাব দেয় তরুণীকে। এটি করতে গিয়ে অনেকে বিব্রতবোধ করেন। পুরুষেরা পর্নোগ্রাফি দেখেন। এভাবেই তাঁরা যৌনতৃপ্তি পান। বোঝা গেল, জাপানি তরুণেরা ইন্টারনেটে পর্নোগ্রাফি দেখেন। তাহলে জাপানি তরুণীরা কী করেন?
২৪ বছরের আনা যথেষ্ট সুন্দরী। তিনি নির্বাহী হিসাবরক্ষক। যৌনতার বদলে খেতে ও ঘুমাতে পছন্দ করেন আনা। যৌনতা তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় বিষয় নয়। এ ব্যাপারে তাঁর আগ্রহ নেই। আনার মা-বাবা কড়া শাসনে বড় করেছেন তাঁকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি স্বাধীনতা পান। বন্ধুদের সঙ্গে অনেক রাত পর্যন্ত বাইরে ঘুরে বেড়ানো, পান করা—এসবই উপভোগ্য আনার কাছে। এসবের মধ্যেই একজন ছেলেবন্ধু তাঁকে ডেট করার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু আনা তা চাননি।
জাপানের তরুণ প্রজন্মের যৌনতায় অনাগ্রহের কারণ হতে পারে পর্নোগ্রাফি, আত্মবিশ্বাসের অভাব অথবা অনাগ্রহ। কারণ যা-ই হোক, বাস্তবতা হলো, ৩০ বছরে পা রাখা জাপানিদের যৌনতার কোনো অভিজ্ঞতা নেই।

 নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক

উত্তর কোরিয়ার সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। 
পিয়ং ইয়ংয়ের সর্বশেষ চারটি ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পর যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের অনুরোধে বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১০ টায় এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। উৎক্ষেপণ করা এসব ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে তিনটি জাপান সাগরে পড়েছে।
উত্তর কোরিয়ার একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার এটি ছিল সর্বশেষ ঘটনা। যেকোনো ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর ক্ষেত্রে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দেশটি এসব ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে।
টুইটারে এক বার্তায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হলে জানান, উত্তর কোরিয়া এ ধরনের ‘ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড’ অব্যাহত রাখলে বিশ্ব তা মেনে নেবে না। এএফপি।

 রাহুলকে চ্যালেঞ্জ শেহজাদের

সভাপতি নির্বাচনের প্রাক্কালে কংগ্রেস সহসভাপতি রাহুল গান্ধীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বসলেন মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস সম্পাদক শেহজাদ পুনাওয়ালা। রাহুলকে লেখা এক চিঠিতে তিনি বলেছেন, সহসভাপতির পদ ছাড়ুন। প্রকৃত প্রতিনিধিদের ভোটদানের অধিকার দেওয়া হোক। আমি আপনার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুত।
শেহজাদ পুনাওয়ালা চিঠিতে লিখেছেন, যেটা হতে চলেছে তা নির্বাচনের নামে প্রহসন। পছন্দের প্রতিনিধিদের দিয়ে ভোট করানো হয়। রাহুলের উদ্দেশে তিনি বলেন, এটা একটা গণতান্ত্রিক দলের নির্বাচন। নিশ্চিতভাবেই কোনো পারিবারিক ব্যবসা নয়।
কংগ্রেস সভাপতি পদে নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। রাহুলের নাম কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি ইতিমধ্যে সর্বসম্মতভাবে প্রস্তাব করেছে। আর কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা না দিলে ডিসেম্বরেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাহুলের জয় ঘোষিত হওয়ার কথা। কিন্তু তার মাত্র কদিন আগেই এই চ্যালেঞ্জ।
রাহুলকে এই চ্যালেঞ্জ জানানোর পরিণতি কী, তা শেহজাদের জানা। সে কথা লিখে তিনি বলেছেন, ‘অনেক সাহস লাগে অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্বর তুলতে। আসুন আমি ও আপনি দল নিয়ে দুজনের ভাবনাচিন্তা কী সে বিষয়ে মুখোমুখি টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নিই।’ চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘দলের সংবিধান মেনে ভোট হলে আমি লড়তে রাজি। কিন্তু ভোটের নামে যা হতে চলেছে তা প্রহসন। কারচুপিতে ভরা। যাঁরা ভোটদানের অধিকারী, তাঁরা কেউই নিয়ম মাফিক নির্বাচিত নন। সবাই মনোনীত।’ রাহুলের উদ্দেশে তিনি এ কথাও বলেন, কংগ্রেস দলে এমন একটা নিয়ম থাকা উচিত, যাতে এক পরিবারের একজনই দলীয় টিকিট পেতে পারেন।

পর্যটকদের কাছে দ্বিতীয় পছন্দ তাজমহল

ইউনেসকো–ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় থাকা স্থানগুলোর মধ্যে ভ্রমণপিপাসুদের কাছে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে তাজমহল। পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম আগ্রার তাজমহল।
ভারতের অনলাইন ট্রাভেল পোর্টাল ‘ট্রিপ অ্যাডভাইজর’-এর এক সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে আসে।
সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়, বছরে ৮০ লাখেরও বেশি মানুষ তাজমহল দেখতে যায়।
বিশ্বে ভ্রমণপিপাসুদের কাছ থেকে দেওয়া নম্বর ও মতামতের ভিত্তিতে এ তালিকা তৈরি করা হয়। ইউনেসকোর কালচারাল অ্যান্ড ন্যাচারাল হেরিটেজ তালিকাভুক্ত স্থানগুলোর ওপর এ সমীক্ষা চালানো হয়।
মুঘল সম্রাট শাহজাহান স্ত্রী মমতাজের মৃত্যুর পর তাঁর স্মৃতিতে আগ্রায় যমুনার তীরে এই স্মৃতিসৌধ তৈরি করেছিলেন। তাজমহল এখন বিশ্বে প্রেমের চিরন্তন প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি ১৬৩১ থেকে ১৬৪৮ সালের মধ্যে তৈরি হয়। আর ১৯৮৩ সালে এটি ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত হয়।
ট্রিপ অ্যাডভাইজারের তৈরি করা এই সমীক্ষায় প্রথম স্থানে রয়েছে কম্বোডিয়ার অ্যাঙ্করভাট মন্দির। আরও রয়েছে চীনের প্রাচীর, পেরুর মাচুপিচু, ব্রাজিলের ইগুয়াজোর নামও।

  পুতিনের বিরুদ্ধে লড়তে চান মুসলিম নারী

রাশিয়ায় আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন এক মুসলিম নারী। আইনা গামজাতোভা নামের ওই নারী শনিবার ডাজেস্তানের রাজধানী মাখাচখালায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেন।
এসময় তার পাশে সমর্থকরা ছিল। তিনি রাশিয়ার সবচেয়ে বড় মুসলিম মিডিয়া ‘ইসলাম ডট আরইউ’ পরিচালনা করেন। এই সংস্থার মাধ্যমে তিনি টেলিভিশন, রেডিও এবং পত্রিকা চালান। তার স্বামী আখমাত আব্দুলায়েভ ডাজেস্তানের একজন মুফতি।
নির্বাচনে তিনি জিততে পারবেন না। কেবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাই তার মূল উদ্দেশ্য বলে জানা গেছে। তার প্রার্থীতার ঘোষণায় রাশিয়ায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দেশটিতে ১৪ কোটি মানুষের মধ্যে দুই কোটি মুসলিম আছে। খবর আল জাজিরা

ভ্যাট চালু করলো সৌদি আরব এবং আরব আমিরাত

সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রথমবারের মতো ভ্যাট চালু করেছে। দেশ দুটিতে অধিকাংশ পণ্য এবং সেবার ক্ষেত্রে এখন থেকে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট কার্যকরী হবে। উপসাগরীয় দেশ দুটি বিদেশী শ্রমিকদের পছন্দের তালিকায় আছে কারণ এখানে বসবাসের ক্ষেত্রে কোন ধরনের কর দিতে হয় না। কিন্তু তেলের দাম কমে যাবার কারণে দেশ দুটি অন্যান্য সূত্র থেকে তাদের আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে দেশ দুটিতে ভ্যাট কার্যকরী হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত বলছে চলতি বছরে ভ্যাট থেকে তাদের আয় হবে ৩৩০ কোটি ডলার। পেট্রোল, ডিজেল, খাদ্য, বস্ত্র, নানা ধরনের বিল এবং হোটেল রুমের উপর ভ্যাট কার্যকরী হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসা সেবা, আর্থিক সেবা এবং পাবলিক যানবাহনের ভাড়ার ক্ষেত্রে কোন ভ্যাট প্রযোজ্য হবে না।
তেল বিক্রি ছাড়া অন্য কোন উপায়ে সরকারের আয় বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল দীর্ঘ দিন ধরেই উপসাগরীয় দেশগুলোকে পরামর্শ দিয়ে আসছে। সৌদি আরবে মোট বাজেটের ৯০ শতাংশের বেশি আসে তেল বিক্রি থেকে। অন্যদিকে এ খাত থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আয় ৮০ শতাংশের মতো।
সরকারের আয় বাড়ানোর জন্য উভয় দেশ এরই মধ্যে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। সৌদি আরব এরই মধ্যে সিগারেট এবং কোমল পানীয়ের উপর কর আরোপ করেছে। এছাড়া রাষ্ট্র যেসব ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেয় সেগুলো কোন কোন ক্ষেত্রে কমিয়ে এনেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে রাস্তা ব্যবহারের উপর কর বাড়ানো হয়েছে এবং পর্যটনের উপর নতুন করে কর আরোপ করা হয়েছে। তবে আয়কর চালুর কোন উদ্যোগ দেশটিতে নেই।
উপসাগরীয় অন্যান্য দেশ- বাহরাইন, কুয়েত, ওমান এবং কাতার ভ্যাট চালু করবে বলে জানিয়েছে। তবে কোন কোন দেশ ২০১৯ সাল পর্যন্ত এ পরিকল্পনা স্থগিত করেছে।-বিবিসি।

কোন গোলাপ কিসের প্রতীক

  ভালোবাসার ফুল গোলাপ। এটি ভালোবাসার ভাষা বুঝতে ও বোঝাতে পারে। তাই উপহার হিসেবে গোলাপেরই চাহিদা এখন সবার উপরে। লাল গোলাপ প্রেমের কবিতা আর গল...