Thursday, December 12, 2019

Education

বিশ্ব মুসলিমের জন্য একটি সেরা সংবাদ যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নাম ‘মুহাম্মাদ’ ইউরোপের পর এবার আমেরিকায়ও ব্যাপক জনপ্রিয়। আগে থেকেই ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্যে নবজাতক শিশুদের জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় নাম ছিল ‘মুহাম্মাদ’। এ তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে আমেরিকা।
যুক্তরাজ্যে তিন বছর ধরে নবজাতক শিশুদের যত নাম রাখা হয়েছে, এর মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক নাম রাখা হয়েছে ‘মুহাম্মাদ’। শুধু মুহাম্মাদ নামই নয়, বরং নবজাতক ছেলে ও মেয়েদের ক্ষেত্রে আরবি নামের দিকেই বেশি ঝুঁকছে ইউরোপের দেশগুলো।
 
যুক্তরাজ্যের শীর্ষ ১০০ নামের তালিকায় যেসব নাম রয়েছে সেগুলোর মধ্যে বেশি হচ্ছে-
>> মারিয়াম
>> ফাতিমা
>> জারা
>> নূর
>> নূহ
>> ইবরাহিম
>> আহমাদ
>> আলি
>> মুহাম্মাদ
আরবি নামগুলোর মধ্যে ‘মুহাম্মাদ’ যে শুধু এবারই সর্বাধিকসংখ্যক রাখা হয়েছে এমন নয়, বরং ২০১৫ সালেও যুক্তরাজ্যে ‘মুহাম্মাদ’ নামটি শীর্ষস্থানে ছিল। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল নূহ। ইউরোপের জনপ্রিয় নাম ‘অলিভার’ ৯ বছর ধরে শীর্ষ ৩-এ যেতে পারেনি।
যুক্তরাজ্যের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১৯২৪ সাল থেকে ইউরোপে ‘মুহাম্মাদ’ নামের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে, যা বর্তমানে প্রথম স্থান দলখ করে আছে।
যুক্তরাজ্যের বেবি সেন্টার শিশুদের নামের এ তালিকা নির্ণয় ও প্রকাশ করে। নামের প্রতিযোগিতায় যুক্তরাজ্যে ‘মুহাম্মাদ’ নামই সর্বাধিক রাখা হয়। বেবি সেন্টার সূত্রে পাওয়া মেয়ে শিশুদের ১০০ নামের তালিকার মধ্যে শীর্ষ তিনটি নাম হলো-
>> অলিভিয়া
>> সোফিয়া
>> ইফা
>> ফাতিমা (৩৩তম)
>> জারা (৩৭তম)
>> নূর (৪৫তম)
>> মারিয়াম (৫৯)
 
আমেরিকায় মুহাম্মাদ নাম
‘মুহাম্মাদ’সহ আরবি নাম রাখার ব্যাপারে যুক্তরাজ্যের এ প্রভাব পড়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। প্রথম বারের মতো ২০১৯-এ আমেরিকায় ব্যাপকহারে রাখা নাম হচ্ছে ‘মুহাম্মাদ’।
বেবি সেন্টারের নামের তালিকায় ইউরোপের যুক্তরাজ্যে মুহাম্মাদ নামটি শীর্ষ তালিকায় ছিল। এবার তা আমেরিকায় শীর্ষ নামের তালিকার দিকে এগুচ্ছে। ইউরোপ ও আমেরিকায় নবজাতকের নাম রাখার ক্ষেত্রে এ নামটিই অগ্রাধিকার পাচ্ছে বেশি।
আমেরিকার বেসরকারি এক তথ্য গবেষণা সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ‘মুহাম্মাদ’ নামটি ২০১৮ সাল থেকে ২০১৯-এ ২৯% বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। মেয়েদের মধ্যে আরবি নাম ‘আলিয়া’ ও ‘লায়লা’ শীর্ষ ১০ নামে স্থান করে নিয়েছে।
২০১৩ সালে ‘মুহাম্মাদ’ নামটি আমেরিকায় শীর্ষ ১০০ নামের তালিকায় এসেছিল। ২০১৯ সালে এসে ‘মুহাম্মাদ’ নামটি শীর্ষ ১০-এ স্থান করে নিয়েছে।
আমেরিকায় ছেলে শিশুদের শীর্ষ ১০ নাম-
>> লিয়াম
>> জ্যাকসন
>> নূহ
>> আইডেন
>> গ্রেসন
>> সেডেন
>> লুকাস
>> ইলিজাহ
>> অলিভার
>> মুহাম্মাদ
আর মেয়ে শিশুদের শীর্ষ ১০ নাম-
>> সোফিয়া
>> অলিভিয়া
>> ইম্মা
>> আভা
>> অরিয়া
>> ইসাবেলা
>> এমেলিয়া
>> মিয়া
>> রিলেই
>> আলিয়া।
ইউরোপ-আমেরিকায় ‘মুহাম্মাদ’সহ আরবি নামের ব্যাপক প্রচলনই প্রমাণ করে যে, মানুষ কুরআন ও হাদিসের দিকে খুঁজছে শান্তি ও নিরাপত্তা। এ নাম রাখাই তার বহিঃপ্রকাশ।

 
 

other

সরিষা ফুলে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠ

অগ্রহায়ণের হিমেল বাতাসে দোল খাচ্ছে হলুদ সরিষার ফুল। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত যেমন মাঠ, তেমনি বাম্পার ফলনের হাতছানিতে কৃষকের চোখেমুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি। যেন সরিষার হলুদ হাসিতে স্বপ্ন দেখছে কৃষক।
চলতি মৌসুমে যশোরের শার্শা উপজেলায় রেকর্ড পরিমাণ জমিতে উন্নত জাতের সরিষা চাষ হয়েছে। বেড়ে ওঠা গাছ আর ফুল দেখে বেশি ফলনের স্বপ্ন দেখছেন উপজেলার কৃষকরা। গত বছর স্থানীয় বাজারে উন্নত জাতের সরিষার দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা এবারও সরিষা চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর প্রত্যেক চাষি বেশি মুনাফা লাভ করবে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, শার্শা উপজেলা সরিষা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। চলতি মৌসুমে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ১ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যা গতবারের চেয়ে ২শ’ হেক্টর বেশি। গত মৌসুমে চাষ হয়েছিল ১ হাজার ২শ’ হেক্টর জমিতে। কৃষকরা অধিকাংশ জমিতে উচ্চ ফলনশীল (উফশী) বারি-১৪, বারি-৯, বিনা-৯/১০, সরিষা-১৫, সোনালি সরিষা (এসএস-৭৫) ও স্থানীয় টরি-৭ আবাদ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বছরের পর বছর স্থানীয় জাত চাষ করে ফলন কম হওয়া ও উৎপাদনে সময় বেশি লাগার কারণে কৃষকরা সরিষা চাষ অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। তবে চলতি মৌসুমের শুরুতে উপজেলা কৃষি বিভাগ ‘বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট’ উদ্ভাবিত বেশি ফলনশীল বারি-১৪ জাতের সরিষা চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে। এ জাতের সরিষা মাত্র ৭৫-৮০ দিনে ঘরে তোলা যায়। প্রতি হেক্টরে ফলন হয় প্রায় দেড় হাজার কেজি। সরিষা কেটে ওই জমিতে আবার বোরো আবাদ করা যায়। এতে কৃষি জমির সর্বাধিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়।
উপজেলার শ্যামলাগাছি গ্রামের সরিষা চাষি নজরুল ইসলাম জানান, তিনি এ বছর ২ বিঘা জমিতে বারি-১৪ ও বিনা-৯/১০ জাতের সরিষার আবাদ করেছেন। বিঘাপ্রতি তার প্রায় ৩-৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সরিষা ভালো হয়েছে। তিনি আশা করছেন বাম্পার ফলন হবে।
একই গ্রামের কৃষক আফজাল শেখ জানান, গত বছর বাজারে সরিষার দাম ভালো পাওয়ায় এবারও সরিষা চাষ করেছেন। ফলন ভালো ও দাম পেলে আগামী বছর সরিষা চাষে অনেকেই ঝুঁকে পড়বেন।
উপজেলার ঘিবা গ্রামের কৃষক মহিউদ্দিন জানান, কৃষি অফিসের পরামর্শে ২ বিঘা জমিতে উন্নত জাতের সরিষার আবাদ করেছেন। সরিষার জমিতে ধানের আবাদও ভালো হয় এবং বোরো চাষে খরচ কম হয়।
শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সৌতম কুমার শীল জানান, কৃষকদের যথাযথ পরামর্শ ও পরিচর্যার বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। বারি-১৪ সহ অন্যান্য সরিষা বপনের মাত্র ৭৫-৮০ দিনের মধ্যে এর ফলন পাওয়া যায়। এ সরিষা উঠিয়ে আবার বোরো আবাদ করতে পারেন বলে একে কৃষকরা ‘লাভের ফসল’ হিসেবে অভিহিত করে থাকেন।


 

Tuesday, December 10, 2019

places and regions

শুরু হচ্ছে ঢাকা-দার্জিলিং-সিকিম বাস চলাচল 

ঢাকা থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং ও সিকিমে প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে বাস সার্ভিস।
আগামী ১২ ডিসেম্বর এ সার্ভিসের ট্রায়াল রান যাত্রা হবে বলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) সূত্রে জানা গেছে।
বিআরটিসি’র চেয়ারম্যান এহছানে এলাহী এ বিষয়ে বলেন, ১২ ডিসেম্বর দুটি বাস সিকিম ও দার্জিলিংয়ের পথে রওনা দেবে। বাস দুটি রাজধানীর মতিঝিল থেকে ছাড়বে। পাঁচ দিনের সফর শেষে ১৬ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসবে।
১২ ডিসেম্বরের যাত্রাটি ট্রায়াল রান হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ঢাকা-সিকিম রুটের বর্তমান অবস্থা, পর্যটক সুবিধা ও নিয়মিত বাস চালু করতেই ট্রায়াল রানটি চালানো হবে। ঢাকা থেকে ট্রায়াল রানে যাওয়া বাসগুলোতে বাংলাদেশ ও ভারতের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কারিগরি টিম থাকবে বলে জানা গেছে।
ঢাকা থেকে বাংলাবান্ধার দূরত্ব প্রায় ৫০০ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে শিলিগুড়ির দূরত্ব ৫২০ কিলোমিটার। সেখান থেকে সিকিমের গ্যাংটকের দূরত্ব আরও ১২০ কিলোমিটার। নতুন এ বাস সার্ভিস চালু হলে ভারতের এ দুটি পর্যটন গন্তব্যে আগের চেয়ে সহজে ও আরামদায়কভাবে যাতায়াত করতে পারবেন ভ্রমণপিপাসুরা।

education

সুলতান মসজিদ

মসজিদে সুলতান বা সুলতান মসজিদ। ২০০ বছরের দীর্ঘ ঐতিহ্যকে সব ধর্মের লোকদের অন্তরে আপন নিবাস হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। 
১৮১৯ সালে সিঙ্গাপুর বিট্রিশদের আয়ত্বে চলে যায়। সে সময় সিঙ্গপুরের শাসন পরিচালনা করছিলেন টেমেংগং আব্দুল রহমান ও সুলতান হুসেন শাহ। সুলতান হুসেন শাহ-ই ১৮২৪ সালে তার বাড়ির পাশে সুলতান মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রায় ২০০ বছরের পুরনো এ মসজিদটি সব ধর্মের আশ্রয়হীন লোকদের নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। এটি সিঙ্গাপুরের রোচার জেলার কমপংগ্লাম অঞ্চলের মাসকট স্ট্রিট ও উত্তর ব্রিজ রোডে অবস্থিত।
১৮২৪ সালে সুলতান হুসেন শাহ তার বাড়ির পাশে এ মসজিদ নির্মাণ শুরু করলেও ৮ মার্চ ১৯৭৫ সালে অত্যাধুনিক ও সুন্দর অবকাঠামোতে পরিণত হয় এটি। সুলতান হুসেন শাহ-এর নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় সুলতান মসজিদ। এ মসজিদটি সিঙ্গাপুরের জাতীয় প্রতীক/স্তম্ভ হিসেবেও মনোনীত।
এ মসজিদটির অভ্যন্তরে একটি অংশ রয়েছে যেখানে গৃহহীন মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করে। তবে আগে থেকেই তাদেরকে নাম নিবন্ধন করতে হয়
১৮১৯ সালে সিঙ্গাপুর বিট্রিশদের আয়ত্বে চলে যায়। সে সময় সিঙ্গপুরের শাসন পরিচালনা করছিলেন টেমেংগং আব্দুল রহমান ও সুলতান হুসেন শাহ। সুলতান হুসেন শাহ-ই ১৮২৪ সালে তার বাড়ির পাশে সুলতান মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রায় ২০০ বছরের পুরনো এ মসজিদটি সব ধর্মের আশ্রয়হীন লোকদের নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। এটি সিঙ্গাপুরের রোচার জেলার কমপংগ্লাম অঞ্চলের মাসকট স্ট্রিট ও উত্তর ব্রিজ রোডে অবস্থিত।
১৮২৪ সালে সুলতান হুসেন শাহ তার বাড়ির পাশে এ মসজিদ নির্মাণ শুরু করলেও ৮ মার্চ ১৯৭৫ সালে অত্যাধুনিক ও সুন্দর অবকাঠামোতে পরিণত হয় এটি। সুলতান হুসেন শাহ-এর নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় সুলতান মসজিদ। এ মসজিদটি সিঙ্গাপুরের জাতীয় প্রতীক/স্তম্ভ হিসেবেও মনোনীত।
এ মসজিদটির অভ্যন্তরে একটি অংশ রয়েছে যেখানে গৃহহীন মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করে। তবে আগে থেকেই তাদেরকে নাম নিবন্ধন করতে হয় । মসজিদের পক্ষ থেকে তাদেরকে বিনামূল্যে পানি সরবরাহ করা হয়। গৃহহীনদের মসজিদে আশ্রয় নেয়ার অন্যতম শর্ত হলো- গৃহহীন এসব মানুষ মসজিদে থেকে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করতে পারে।
তবে গৃহহীন আশ্রয়গ্রহণকারীরা মসজিদের মূল ভবনের গেট দিয়ে বরাদ্দকৃত স্থানে প্রবেশ করতে পারবে না। ইবাদতকারীদের যেন নামাজে ব্যঘাত না ঘটে সে জন্য আশ্রয় অংশের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
মসজিদ কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞদের ধারণা, গৃহহীন মানুষ মসজিদে বিশ্রাম কিংবা আশ্রয় নেয়ার ফলে তাদের চলাফেরায় নৈতিক পরিবর্তন আসবে। পাশাপাশি তারা যদি অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে তবে তাদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা হ্রাস পাবে।
তবে মসজিদটিতে শুধু গৃহহীন পুরুষদেরই সার্বিক সহায়তা দেবে কর্তৃপক্ষ। মসজিদের আশ্রয় প্রকল্পের স্থান সীমিত হওয়ায় প্রত্যেক গৃহহীন নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পাওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত কিছুদিন এখানে থাকতে পারবেন।
আশ্রয়হীন ব্যক্তিরা মসজিদে অবস্থান করে রাষ্ট্রীয় সমাজ ও পরিবার উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (এমএসএফ) ও অন্যান্য সামাজিক পরিষেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তারা নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ পাবে।
মালয়েশিয়ানভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ওয়ার্ল্ড অব বাজ’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনের কাছে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সুলতান মসজিদের সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা আইজুদ্দিন জানান, ‘সম্প্রতি সিঙ্গপুরে মানুষের গৃহহীন হওয়ার বিষয়টি নতুনভাবে দেখা দিয়েছে। গৃহহীনদের নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ার আগ পর্যন্ত মসজিদের একটি নির্ধারিত স্থানে থাকার ব্যবস্থা করেছে কর্তৃপক্ষ। তারা গৃহহীনদের স্থায়ী বসবাসের স্থান খুঁজে দেয়ার ব্যবস্থাও অব্যাহত রাখবেন।‘
। মসজিদের পক্ষ থেকে তাদেরকে বিনামূল্যে পানি সরবরাহ করা হয়। গৃহহীনদের মসজিদে আশ্রয় নেয়ার অন্যতম শর্ত হলো- গৃহহীন এসব মানুষ মসজিদে থেকে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করতে পারে।
তবে গৃহহীন আশ্রয়গ্রহণকারীরা মসজিদের মূল ভবনের গেট দিয়ে বরাদ্দকৃত স্থানে প্রবেশ করতে পারবে না। ইবাদতকারীদের যেন নামাজে ব্যঘাত না ঘটে সে জন্য আশ্রয় অংশের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
মসজিদ কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞদের ধারণা, গৃহহীন মানুষ মসজিদে বিশ্রাম কিংবা আশ্রয় নেয়ার ফলে তাদের চলাফেরায় নৈতিক পরিবর্তন আসবে। পাশাপাশি তারা যদি অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে তবে তাদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা হ্রাস পাবে।
তবে মসজিদটিতে শুধু গৃহহীন পুরুষদেরই সার্বিক সহায়তা দেবে কর্তৃপক্ষ। মসজিদের আশ্রয় প্রকল্পের স্থান সীমিত হওয়ায় প্রত্যেক গৃহহীন নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পাওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত কিছুদিন এখানে থাকতে পারবেন।
আশ্রয়হীন ব্যক্তিরা মসজিদে অবস্থান করে রাষ্ট্রীয় সমাজ ও পরিবার উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (এমএসএফ) ও অন্যান্য সামাজিক পরিষেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তারা নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ পাবে।
মালয়েশিয়ানভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ওয়ার্ল্ড অব বাজ’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনের কাছে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সুলতান মসজিদের সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা আইজুদ্দিন জানান, ‘সম্প্রতি সিঙ্গপুরে মানুষের গৃহহীন হওয়ার বিষয়টি নতুনভাবে দেখা দিয়েছে। গৃহহীনদের নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ার আগ পর্যন্ত মসজিদের একটি নির্ধারিত স্থানে থাকার ব্যবস্থা করেছে কর্তৃপক্ষ। তারা গৃহহীনদের স্থায়ী বসবাসের স্থান খুঁজে দেয়ার ব্যবস্থাও অব্যাহত রাখবেন।‘

lifestyle

মাড়ি ফোলার সমস্যা

দাঁতের সমস্যার মতোই মাড়ির সমস্যাও বেশ অস্বস্তিকর ও কষ্টদায়ক।
মাড়ি ফোলার সমস্যা হলে খেতে যেমন সমস্যা হয়, তেমনি একটু খোচা বা চাপ লাগলেও মাড়ি থেকে রক্ত বের হতে পারে। মাড়ির সমস্যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। অপুষ্টি, মুখের সংক্রমণ, দাঁতের যত্ন না নেয়া ও ভালো করে মুখের ভেতর নিয়মিত পরিষ্কার না করা। এ ধরনের সমস্যায় ঘরোয়া কিছু উপায় খুব উপকারী।
আদা: মুখের যেকোনো সংক্রমণে আদা সেই প্রাচীনকাল থেকে ঔষধি হিসেবে চলে আসছে। শুধু সংক্রমণ নষ্ট করাই নয়, মুখে নতুন করে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণও অনেকটা রোধ করে।
লবণপানি: লবণপানি দিয়ে কুলকুচি করলে মুখের সংক্রমণ বা জীবাণু নষ্ট হয়। ফলে অনেকটা আরাম মেলে। সংক্রমণ দূর হয় বলে মাড়ির ফোলাভাবটাও সঙ্গে সঙ্গে অনেকটাই কমে যায়।
লবঙ্গ: দাঁতের সমস্যায় লবঙ্গ এককথা
য় সবচেয়ে উপকারী ঘরোয়া টোটকা। দাঁতের ব্যথা হোক বা মাড়ি ফোলা সমস্যায় লবঙ্গ দ্রুত মুক্তি দিতে সাহায্য করে।
ক্যাস্টর অয়েল: ক্যাস্টর অয়েল শুধু চুলের জন্যই ভালো নয়, দাঁতের জন্যও যথেষ্ট উপকারী। এই তেল যদি আক্রান্ত স্থানে লাগানো যায়, তাহলে অবশ্যই উপকার পাওয়া যায়।
সরিষার তেল: সরিষার তেলে যন্ত্রণা উপশমকারী একাধিক দ্রব্য রয়েছে। তেলের সঙ্গে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে মাড়িতে মালিশ করলে উপকার পাওয়া যাবে।
লেবুপানি: সকালে দাঁত মাজার আগে লেবুর টক পানি দিয়ে মুখ ভালো করে কুলকুচি করলে মাড়ির সমস্যা অনেকাংশে রোধ করা যায়।
টি ট্রি অয়েল: মাড়ির সমস্যায় উপকারী উপকরণ হলো টি ট্রি অয়েল। এ তেল দিয়ে দাঁতের গোড়ায় মালিশ করলে ফোলা মাড়ির অস্বস্তির হাত থেকে অনেকটা নিস্তার পাওয়া যায়।





Tuesday, November 26, 2019

News

খাদি বা খদ্দর

কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্রগ্রামে প্রস্তুত খাদি ও খদ্দরের সমাদর শুধু গ্রামজীবনেই নয়, শহরের আধুনিক সমাজেও যথেষ্ট. খাদি কাপড়ের বিশেষত্ব হচ্ছে, এর সবটাই হাতে প্রস্তুত। তুলা থেকে হাতে সুতা কাটা হয়. গ্রাম বাসীরা অবসর সময়ে সুতা কাটে। এদের বলা হয় কাটুনি। গ্রামে বাড়ির আশপাশে তুলার গাছ লাগানোর রীতি আছে. সেই গাছের তুলা দিয়ে সুতা কাটা ও হাতে চালিত তাতে এসব সুতায় যে কাপড় প্রস্তুত করা হয়, সেই কাপড়ই প্রকৃত খাদি বা খদ্দর। স্বদেশী আন্দোলনের যুগে বিদেশি কাপড় বর্জন করে দেশি কাপড় ব্যবহারের যে আদর্শ প্রবর্তিত হয়েছিল তারই সাফল্যের সাক্ষর এই খাদি।

Saturday, November 23, 2019

রেসিপি

ঝটপট জিলাপি

উপকরণ: ১ কাপ ময়দা, ২ কাপ চিনি, প্রয়োজন মতো পানি, ১/৩ চা চামচ লবণ, ৩ টেবিল চামচ টক দই, আধা চা চামচ বেকিং পাউডার ভাজার জন্য তেল, সিরা তৈরির উপকরণ, ২ কাপ পানি, দেড় কাপ চিনি, ৩টি এলাচ, সামান্য ফুড কালার, ১ চা চামচ লেবুর রস

প্রস্তুত প্রণালি: একটি বাটিতে ময়দা, বেকিং পাউডার ও লবণ মিশিয়ে, সামান্য পানি দিয়ে মাখাবো। পরে অল্প অল্প করে পানি ঢেলে দিবো। পরে টক দই দিয়ে আবার মেখে নিতে হবে মিশ্রণটি। এরপর আরও একটু পানি দিয়ে মিহি ডো তৈরি করে নিবো। ডিম ফেটানোর মেশিন দিয়ে ভালো করে ফেটে নিবো। খুব বেশি ঘন বা বেশি পাতলা হবে না মিশ্রণটি। সিরা তৈরি করার জন্য একটি প্যানে পানি, চিনি ও এলাচ একসাথে দিবো। মিডিয়াম আঁচে জ্বাল দিয়ে আঠালো করে নিবো। পরে ফুড কালার দিয়ে দিবো। এখন আঙুল দিয়ে দেখবো  আঠালো হয়েছে কিনা। হয়ে গেলে নামিয়ে লেবুর রস দিবো সিরায়। সিরা উষ্ণ গরম থাকতে থাকতে জিলাপি দিতে হবে। এজন্য ঢেকে রাখতে হবে সিরার পাত্র। জিলাপি ভাজার জন্য প্যান চুলায় দিবো । তেল গরম হলে কেচাপের বোতলের চেপে প্যাঁচ দিয়ে জিলাপির আকৃতি করে নিবো। মাঝারি আঁচে বাদামি করে ভেজে নিবো জিলাপি। ভাজা হয়ে গেলে উঠিয়ে তেল ঝরিয়ে সিরার পাত্রে দিয়ে দিবো। ১০ সেকেন্ড রেখে উঠিয়ে পরিবেশন করবো মচমচে জিলাপি।

রেসিপি

ব্রকলির স্যুপ

উপকরণ: ছোট ব্রকলি ১টি (ছোট করে কাটা), মিষ্টি আলু আধা কাপ (খোসা ছাড়িয়ে কিউব করে কাটা), নারকেল দুধ ১ কাপ, সবজির স্টক ৪ কাপ, পেঁয়াজ ১টি (মাঝারি আকার), রসুন ২ কোয়া, আদা আধা ইঞ্চি, ফিশ সস ১ টেবিল চামচ, থাইপাতা বা লেমন গ্রাসের নরম গোড়া কুচানো ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস পরিমাণমতো, কাঁচা মরিচ পরিমাণমতো, ধনেপাতা ১০০ গ্রাম, লবন পরিমাণমতো, সয়াবিন তেল বা জলপাই তেল ১ টেবিল চামচ ও জল আধ কাপ।

প্রণালী: পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ আর লেমন গ্রাসের নরম গোড়া কুচোনো, অল্প পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। প্যানে তেল গরম করে ব্লেন্ড করা মিশ্রণ মাঝারি আঁচে ৩/৪ মিনিট লালচে করে ভেঁজে নিতে হবে। এবার এতে সবজির স্টক ঢেলে দিবো। কিউব করে কাটা মিষ্টি আলু আর লবণ দিয়ে সেদ্ধ হওয়ার জন্য ঢেকে দিতে হবে। আলু আধা সেদ্ধ হলে কেটে রাখা ব্রকলি দিয়ে দিবো। ১০-১২ মিনিট পর গ্যাস থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে নারকেল দুধ আর ধনেপাতা মিশিয়ে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফিশ সস আর স্বাদমতো লেবুর রস মিশিয়ে আবারও কম আঁচে ফুটতে দিতে হবে। ফুটে উঠলে স্বাদ ও নুন দেখে নিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। পরিবেশন পাত্রে ঢেলে ওপরে ঘন নারকেল দুধ, ধনেপাতা বা সেদ্ধ ব্রকলি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

Tuesday, November 19, 2019

ইসলাম ও ধর্ম

🌺🕋🌺আজ পবিত্র আশুরা🌺🕋🌺
👉আরবী মহররম মাসের দশ তারিখ.!
👉মহররমের ১০ম দিবসে সংঘটিত বহু ঘটনা হতে কয়েকটি হলোঃ-
.
👉1. আশুরার দিনে হযরত আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয়। 🕋
এই দিনে তিনি জান্নাতে প্রবেশ করেন।
এই তারিখেই জান্নাত হতে পৃথিবীতে প্রেরিত হন ও বহু বছর পর এই তারিখেই আরাফাতের ময়দানে জাবালে রহমতে তিনি এবং বিবি হাওয়া (আ:)-এর পুনরায় সাক্ষাৎ লাভ হয় ও তাঁদেরকে মার্জনা করা হয়। 🌺🕋🌺
👉2. হযরত নূহ (আ:) কে তুফান এবং প্লাবনের পানি হতে পরিত্রাণ দেওয়া হয়।🌺🕋🌺
👉3. হযরত আইয়ুব (আ:) কে ১৮ বছর রোগ ভোগের পর রোগ মুক্তি দেওয়া হয়।🌺🕋🌺
👉4. হযরত ইব্রাহিম খালীলুল্লাহ (আঃ) কে অগ্নিকুণ্ড হতে নিষ্কৃতি দেওয়া হয়। 🌺🕋🌺
👉5. হযরত দাউদ (আ:) কে বিশেষ ক্ষমা করা হয় ও হযরত সুলাইমান (আ:) কে স্বীয় হারানো বাদশাহী পুনরায় ফেরত দেওয়া হয়। 🌺🕋🌺
👉6. হযরত ইউনুছ (আ:) কে ৪০ দিন পর মাছের উদরে থাকার পর নিষ্কৃতি দেওয়া হয়।🌺🕋🌺
👉7. এই দিনে হযরত ইয়াকূব (আ:) স্বীয় হারানো পুত্র হযরত ইউসুফ (আ:) এর সাক্ষাৎ লাভ করেন। 🌺🕋🌺
👉8. হযরত মূসা (আ:) ফিরাউনের কবল হতে নিষ্কৃতি লাভ করেন। 🌺🕋🌺
👉9. হযরত ঈসা (আ:) কে আকাশে উত্তোলন করা হয়। 🌺🕋🌺
👉10. আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মাদ (স:)-মক্কা শরীফ হতে হিজরত করে মদীনা শরীফে আশুরার এই তারিখে তাশরীফ নেন। 🌺🕋🌺
👉11. এই ১০ মহররম দিবসে নবী করীম (স:)-এর কলিজার টুকরা ফাতেমা (রা:)-এর নয়নমণি হযরত ইমাম হুসাইন (রা:) ও তাঁর ৭৭ জন পরিজন এবং ঘনিষ্ঠজন জালিম ইয়াজিদের সৈন্য কর্তৃক কারবালা প্রান্তরে, ফোরাত নদীর তীরে নির্মমভাবে শহীদ হন। 😭😭
👉হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেনঃ-
👉 যে ব্যক্তি আশুরার দিন নিজ পরিবার-পরিজনদের জন্য মুক্ত হাতে ব্যয় করবে, আল্লাহ তাকে সারা বছর সচ্ছলতা দান করবেন।
👉আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলকে.!!!🕋🕋🕋
👉এই পবিত্র আশুরা ও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর কলিজার টুকরা ইমাম হাসান হোসাইন (রাঃ) এর উসিলায় আমাদের সকলের গুনাহ গুলো হ্মমা করে দিন.!🤲🕋🤲
🌺🌺🌺🤲 আমিন 🤲🌺🌺🌺

Saturday, November 16, 2019

রেসিপি

টমেটো মাশরুম সুপ
উপকরণ: টমেটো পেস্ট ১ কাপ, টমেটো সস ১ কাপ, বাটার ২ টেবিল চামচ, রসুন ১ চা চামচ, মাশরুম ১ কাপ, কর্ন ফ্লাওয়ার ২ চা চামচ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, চিনি স্বাদ মতো, লবণ স্বাদ মতো।
 
প্রণালী: টমেটো পেস্টের সঙ্গে সব উপকরণ মিশিয়ে ফুটাতে হবে। নামানোর আগে কর্ন ফ্লাওয়ার দিতে হবে।

Friday, November 15, 2019

জলপ্রপাত

বর্ষায় রং বদলায় যে জলপ্রপাত

পৃথিবীর সব পাহাড়ি অঞ্চলেই কমবেশি জলপ্রপাত রয়েছে। সেই প্রপাতের পানির কোন রং থাকে না। এ কথা আমরা জানি। তবে এবার  ব্যতিক্রম প্রপাতের সন্ধান পাওয়া গেল কানাডায়। বছরের অন্যান্য সময় স্বাভাবিক থাকলেও বর্ষা এলেই পানির রং হয়ে যায় গোলাপি।
এমনিতে দেখতে সাধারণ জলপ্রপাতের মতো হলেও এর রয়েছে এক বিশেষ আকর্ষণ। বর্ষার সময়ে ক্যামেরন জলপ্রপাতের রং গোলাপি হয়। এমনকি দিনের আলোর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে হ্রদের পানি কখনও হয়ে যায় টুকটুকে লাল, কখনও বা গাঢ় কমলা। ভূতত্ত্ববিদদের মতে, ক্যামেরন জলপ্রপাতের আশেপাশে ‘অ্যাগ্রোলাইট’ নামে এক ধরনের পলি মাটি রয়েছে। বর্ষার সময় এই মাটি পানির সঙ্গে মিশলে তাতে গোলাপি রং ধারন করে।

Monday, November 11, 2019

বাংলাদেশ

বাংলাদেশের নদ ও নদী 

বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে গেছে অসংখ্য নদী। নদীর সঙ্গে তাই এ দেশের মানুষের গভীর মিতালি। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রম্মপুত্র এ দেশের বড় নদী। ছোট ছোট নদ নদী ও রয়েছে অনেক। এদের নাম ও ভারী মিস্টি।তিস্তা, করতোয়া, ঈষামতি, গোড়াই, মহানন্দা, ধলেশ্বরী, শীতলক্ষ্যা, সুরমা, কর্ণফুলী, মাতামুহুরী ইত্যাদি। এসব নদ নদীতে চলে নানা রকম নৌকা। নৌকা গুলোর নাম ও খুব চমৎকার। কোসা, ডিঙ্গি, ছিপ, বালাম, বজরা, পানসি, সাম্পান, ময়ুরপঙ্খী। নদীর বাঁকে বাঁকে রয়েছে জেলেদের গ্রাম। নৌকা আর  জাল দিয়ে সারাদিন তারা নদীর বুকে ভেসে বেড়ায় আর মাছ ধরে। পদ্মা মেঘনায় ধরা পড়ে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। এদেশের, সাগর, নদী, খাল আর বিলে পাওয়া যায় নানা রকমের মাছ। সাগরের মাছের মধ্যে রয়েছে রূপচাঁদা, কোরাল, লাক্ষা, লইট্টা, ছুড়ি ও ফাইসা মাছ। নদী আর খাল-বিলে পাওয়া যায় রুই, কাতলা, মৃগেল, ভেটকি, চিতল, বোয়াল, শোল, কই, মাগুর, শিঙ, পাবদা, পুটি ও আরও নানা জাতের  মাছ। ভাত আর মাছ আমাদের প্রিয় খাবার। এ জন্যই আমরা বলি, 'মাছে ভাতে বাঙালি'।

Sunday, November 10, 2019

ইসলাম ও ধর্ম

প্রিয় নবীর পরিবারের যাঁরা সদস্য
নাম : মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ, উপনাম : আবুল কাসেম, পিতা : আবদুল্লাহ ইবনে মুত্তালিব (আবদুল মুত্তালিবের দশম সন্তানের সর্বকনিষ্ঠ), মাতা : আমেনা বিনতে ওহ্হাব, দাদা : আবদুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম, দাদি : ফাতেমা বিনতে আমর, নানা : ওহ্হাব ইবনে আবদে মানাফ, নানি : বোররা বিনতে ওমজা, জন্মস্থান : মক্কা (বর্তমান সৌদি আরবে অবস্থিত), গোত্র : কোরাইশ, বংশ : হাশিমি, জন্ম সময় : রাত অতিবাহিত হয়ে প্রত্যুষকালে।
নবীপত্নীরা : মক্কা থেকে মদিনায় ইতিহাসখ্যাত হিজরতের মাত্র তিন বছর আগে খাদিজা (রা.)-এর ইন্তেকাল হয়। এ সময় নবী (সা.)-এর বয়স ছিল ৪৯ বছর। খাদিজা (রা.)-এর মৃত্যু পর্যন্ত তিনিই ছিলেন নবী (সা.)-এর একমাত্র স্ত্রী। খাদিজা (রা.)-এর মৃত্যুর পর তিনি একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করেন। তাঁদের অনেকেই ছিলেন বিধবা বা যুদ্ধে স্বামীহারা অথবা স্বামী পরিত্যক্তা কিংবা দুস্থ। কোনো বিয়ে অনুষ্ঠিত হয় আল্লাহ পাকের সরাসরি নির্দেশে। নিচে নামের তালিকা রয়েছে :
১.  হজরত খাদিজা (রা.) : নবী করিম (সা.)-এর প্রথম স্ত্রী। তিনি বিধবা, তবে বিদুষী, ধনী নারী ছিলেন। পবিত্র মক্কায় তিনি ‘তাহেরা’ অর্থাৎ পবিত্র বলে পরিচিত ছিলেন। নবী (সা.)-এর চেয়ে কমপক্ষে ১৫ বছরের বড় ছিলেন তিনি। নবুয়তের প্রথম জীবনে নবী (সা.)-এর দাওয়াতের কাজে তিনি বিশেষভাবে পাশে দাঁড়ান।
২.  সাওদা বিনতে জামআ (রা.) : প্রথমে সাকরান ইবনে আমরের স্ত্রী ছিলেন। সাকরানের মৃত্যুর পর নবী (সা.)-এর সঙ্গে তাঁর বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
৩.  আয়েশা (রা.) : আবু বকর (রা.)-এর কন্যা। যাঁদের সঙ্গে মহানবী (সা.)-এর বিয়ে হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শুধু আয়শা (রা.)-ই কুমারী মেয়ে ছিলেন। নবী (সা.)-এর ওফাতের সময় আয়েশা (রা.)-এর বয়স ছিল ১৮ বছর। নবী (সা.)-এর বহু হাদিস আয়েশা (রা.)-এর মাধ্যমে মানবজাতির কাছে পৌঁছেছে। তাঁর প্রখর স্মরণশক্তি এ কাজে সহায়ক হয়েছিল।
৪.  হাফসা (রা.) : ওমর (রা.)-এর কন্যা ছিলেন তিনি। প্রথম জীবনে উনাইস ইবনে হোজাফা (রা.)-এর স্ত্রী ছিলেন। উনাইস (রা.) যুদ্ধে শহীদ হওয়ার পর নবী (সা.) তাঁকে স্ত্রী হিসেবে বরণ করেন।
৫.  জয়নাব বিনতে খুজাইমা (রা.) : তিনি মদিনায় নিঃস্বদের জননী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রথম জীবনে তাঁর বিয়ে হয়েছিল তোফায়েল ইবনে হারিছের সঙ্গে। তালাকপ্রাপ্ত হয়ে তোফায়েলেরই ভাই উবায়দাকে বিয়ে করেন তিনি। উহুদের যুদ্ধে উবায়দা শহীদ হন। পরে অসহায় জয়নাবকে বিয়ে করেন নবী (সা.)। কিন্তু বিবাহিত জীবনের ছয় মাসের মধ্যেই তিনি ইন্তেকাল করেন।
৬.  সালামা (রা.) : প্রথম জীবনে তাঁর বিয়ে হয়েছিল আবু সালামা (রা.)-এর সঙ্গে। উহুদের যুদ্ধে আবু সালামা (রা.) শহীদ হন। বিধবা উম্মে সালামাকে অবশেষে নবী (সা.) স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন। ইতিহাসবিদরা বলেন, নবী (সা.)-এর স্ত্রীদের মধ্যে তিনিই সবার শেষে মৃত্যুবরণ করেন।
৭.  জয়নাব বিনতে জাহাল (রা.) : তিনি ছিলেন নবী (সা.)-এর ফুফাতো বোন। নবী (সা.) প্রথমে তাঁর এই বোনকে তাঁর পালকপুত্র জায়েদ (রা.)-এর সঙ্গে বিয়ে দেন। এ বিয়েতে গোড়া থেকেই জয়নাব (রা.)-এর আপত্তি ছিল। ফলে তাঁদের দাম্পত্য জীবন সুখের হয়নি। পরে তাঁদের পারিবারিক জীবনে বিচ্ছেদ ঘটে। জয়নাব (রা.)-এর আপত্তিতে এ বিয়ে সংঘটিত হওয়ায় এবং পরে বিচ্ছেদ ঘটায় নবী (সা.)-এর মনে কিছুটা অনুশোচনা আসে। এ থেকে জয়নাব (রা.)-কে নিজে বিয়ে করার প্রস্তুতি গ্রহণ করলেও তৎকালীন আরবের কুসংস্কারের জন্য তা অনুষ্ঠিত হতে পারেনি। পরে পবিত্র কোরআনের সুরা আহজাবে আয়াত নাজিল হয়। সেখানে পালক ছেলে ও ঔরসজাত সন্তান সমানতুল্য নয় বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। ফলে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে কুসংস্কার নির্মূল করার উদ্দেশ্যে নবী (সা.)-এর মাধ্যমে সেই বিধান বাস্তবায়ন করে দেখানোর প্রয়োজন অনুভূত হয়। তখনই জয়নাব (রা.)-এর সঙ্গে নবী (সা.)-এর বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
৮.  জুওয়াইরিয়া (রা.) : একটি আরব গোত্রের সরদার হারিছের কন্যা। যুদ্ধে বন্দিনী হয়ে আসেন। মহানবী (সা.) যুদ্ধবন্দির সঙ্গে বিয়ে আবদ্ধ হন। উপহার হিসেবে গোত্রের সব বন্দি মুক্তিলাভ করে। তাঁর পিতা হারিছও ইসলাম গ্রহণ করেন।
৯.  উম্মে হাবিবা (রা.) : মহানবী (সা.)-এর চাচা আবু সুফিয়ানের কন্যা। প্রথমে উবায়দুল্লাহ বিন জাহালের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। দুজনই ইসলাম গ্রহণ করেন এবং আফ্রিকার হাবশায় হিজরত করেন। কিন্তু সেখানে উবায়দুল্লাহ খ্রিস্টান হয়ে যান। উবায়দুল্লাহর থেকে উম্মে হাবিবাকে মুক্ত করতে তিনি হাবশার বাদশাহ নাজ্জাশির মাধ্যমে চাচাতো বোন উম্মে হাবিবা (রা.)-কে বিয়ে করেন।
১০. সাফিয়া (রা.) : তিনি ছিলেন নবীদেরই বংশধর। হজরত মুসা (আ.)-এর ভাই হজরত হারুন (আ.)-এর অধস্তন বংশধারার কন্যা। প্রথমে কিনানা ইবনে আবিলের স্ত্রী ছিলেন তিনি। কিনানার মৃত্যুর পর মহানবী (সা.)-এর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।
১১. মায়মুনা (রা.) : তিনি প্রথমে মাসউদ বিন ওমরের স্ত্রী ছিলেন। তিনি তালাক দিলে আবু রিহামের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। আবু রিহাম মারা যাওয়ার পর মহানবী (সা.)-এর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।
মহানবী (সা.)-এর সন্তানরা
পুত্র :    ১. কাসেম (তাঁর নামানুসারে মহানবী (সা.)-এর উপনাম হয়েছিল আবুল কাসেম)।
    ২. তাহের (অনেক ঐতিহাসিক বলেছেন তাঁর নাম ছিল ‘আবদুল্লাহ’)।
    ৩. ইবরাহিম। (তিনি ছিলেন মারিয়া কিবতিয়া (রা.)-এর গর্ভজাত)।
কন্যা :   ৪.  ফাতিমা ৫. জয়নাব ৬. রোকাইয়া ৭. উম্মে কুলসুম।
জীবনীকারদের কেউ কেউ বলেছেন, জয়নাব ছিলেন মহানবী (সা.)-এর সব সন্তানের মধ্যে বড়। কেউ বলেছেন, রোকাইয়া ছিলেন সবার বড়, আবার কেউ বলেছেন, উম্মে কুলসুম ছিলেন সবার বড়। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, রোকাইয়া ছিলেন সবার বড় এবং উম্মে কুলসুম ছিলেন সবার ছোট। (সূত্র : মুফতি শফি (রহ.), সিরাতে খাতামুল আম্বিয়া, পৃষ্ঠা. ২৭)
ইবরাহিম ছাড়া উল্লিখিত সন্তানদের সবাই ছিলেন খাদিজা (রা.)-এর গর্ভজাত।
মহানবী (সা.)-এর এই তিন পুত্রসন্তানের সবাই শৈশবে মারা যান। তবে কাসেম সওয়ারিতে আরোহণ করতে পারতেন, এমন বয়সেই মৃত্যুবরণ করেন।

লাইফস্টাইল

নারীদের হাড়ক্ষয়ের সমস্যা

অস্টিওপোরোসিস বলতে হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়াকে বোঝায়। হাড়ক্ষয়ের এ সমস্যায় সামান্য আঘাতেই হাড় ভেঙে যেতে পারে। সমস্যা মারাত্মক হলে হাঁচি বা কাশি দিলেও হাড় ভেঙে যেতে পারে। বয়স্ক নারীদের বিকলাঙ্গ বা মৃত্যুর অন্যতম কারণ এটি। বয়স ৫০ বছর পার হওয়ার পর হাড়ক্ষয়ের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে এ সমস্যার সূত্রপাত হতে পারে আরও আগেই। নারীদের মেনোপজ বা মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরবর্তী সময়ে হাড়ক্ষয়ের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এ ছাড়া অনেক কারণে হাড়ক্ষয়ের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। এর মধ্যে সংশোধনযোগ্য ঝুঁকিগুলো হলো-
১। ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি
২। ধূমপান
৩। অপুষ্টি (ক্যালসিয়াম, জিংক, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে ইত্যাদির ঘাটতি)
৪। ক্ষীণকায় শরীর
৫। আমিষনির্ভর খাদ্যাভ্যাস
৬। বেশি বয়সে অতিরিক্ত চা/কফি/চকলেট খাওয়ার অভ্যাস
৭। খাদ্যে বা বাতাসে ভারী ধাতু
৮। কোমল পানীয় ও মদ্যপান
আবার কিছু ঝুঁকি আছে অসংশোধনযোগ্য, মানে চাইলেও এড়ানো যায় না। যেমন- বয়স, জিনগত ত্রুটি, অস্ত্রোপচার করে জরায়ু ফেলে দিলে, সময়ের আগে মেনোপজ, রক্তে সেক্স হরমোনের ঘাটতি, অতি খর্বাকৃতি ইত্যাদি। দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী থাকা, স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবন, হরমোনজনিত রোগ যেমন হাইপারথাইরয়েডিজম, অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির সমস্যা, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো কিছু বাতরোগ, কিডনি অকার্যকর হলে অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়ে।
প্রতিরোধের উপায়
প্রাথমিক অবস্থায় হাড়ক্ষয়ের তেমন উপসর্গ থাকে না। বয়স্ক নারীদের কোমরে বা পিঠে ব্যথা না কমলে মেরুদণ্ডের হাড়ে ফাটল দেখা দিয়েছে কিনা দেখতে হবে। কুঁজো হয়ে যাওয়া, সামনে ঝুঁকে দাঁড়ানো বা হাঁটা এ সমস্যার লক্ষণ। রোগীর ব্যক্তিগত ইতিহাস, উপসর্গ মিলিয়ে চিকিৎসক ঝুঁকি নির্ণয় করতে পারেন।
নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, সচল থাকতে হবে
যথেষ্ট ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে
অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে প্রধান ও প্রথম পদক্ষেপ হলো ঝুঁকি শনাক্ত করা এবং সম্ভব হলে তা দূর করার চেষ্টা করা। অস্টিওপোরোসিজনিত ঝুঁকি কমাতে নারীদের জীবনব্যাপী সচেতন থাকতে হবে। কৈশোর থেকেই খাদ্যাভ্যাসের ব্যাপারে সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, সচল থাকতে হবে। যথেষ্ট ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। কারও সময়ের আগে মেনোপজ হলে (যেমন অস্ত্রোপচার করে জরায়ু ডিম্বাশয় ফেলে দেওয়ার কারণে) অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসা নিন।


Friday, October 4, 2019

ইসলাম ও ধর্ম

ভালো কাজ কবুল হওয়ার পূর্ব শর্ত ইখলাস
মানুষের আমল বা কাজ ভালো হলেই সে আমল বা কাজ আল্লাহ তাআলার দরবারে কবুল হয় না। আমল কবুলের জন্য পূর্ব শর্ত হলো ইখলাস। আন্তরিকতা বা একনিষ্ঠতার সঙ্গে আল্লাহর জন্য কোনো কাজ করাই হলো ইখলাস। সুতরাং ইখলাসবিহীন ইবাদত নিষ্ফল।
নেক আমলে বিন্দু বা অনু পরিমাণ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ব্যতিত অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকলে তা আল্লাহর দরবার কবুল হবে না। নেক আমল কম হোক আর বেশি হোক তা হতে হবে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য। এ অবস্থাটিকে ইসলামের পরিভাষায় বলা হয় ইখলাস।
রণাঙ্গনে মানুষের জীবন উৎসর্গ করা হলেও তা আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না; যদি প্রাণ উৎসর্গকারী ব্যক্তির অন্তরে আল্লাহর সন্তুষ্টি ব্যতিত অন্য কোনো উদ্দেশ্য অন্তর্ভূক্ত থাকে।
ইবাদত বা নেক আমলে ইখলাসের গুরুত্ব একটি দৃষ্টান্তের মাধ্যমে উপলব্দি করতে পারি। আর তাহলো-
হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু একবার একজন ইসলাম বিদ্বেষী অবিশ্বাসীর সঙ্গে যুদ্ধে অবর্তীণ হলেন। অনেকক্ষণ পর তিনি সেই ইসলাম বিদ্বেষীকে কাবু করে ফেললেন। তিনি তার বুকের ওপর বসে পড়লেন এবং তার শিরচ্ছেদের ইচ্ছা করলেন। এমন সময় ইসলাম বিদ্বেষী লোকটি হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুর মুখমণ্ডলে থুথু মারে।
হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে হত্যা না করে সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে দেন। ইসলাম বিদ্বেষী লোকটি হতবাক হয়ে গেল এবং জিজ্ঞাসা করল, এ পর্যন্ত আপনি আমার সঙ্গে যুদ্ধরত ছিলেন। অবশেষে আমাকে পরাজিত করার পর হত্যা না করে এভাবে ছেড়ে দিলেন কেন?
হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘এতক্ষণ পর্যন্ত তোমার সঙ্গে যুদ্ধ করেছি এক আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য। কিন্তু যখনই তুমি আমার মুখে থুথু দিয়েছ তখন তোমার প্রতি আমার ব্যক্তিগত আক্রোশ এসে গেছে। এমন অবস্থায় যদি আমি তোমাকে হত্যা করি তবে তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হতো না। আমার ব্যক্তিগত ক্রোধের আক্রোশে তোমার মৃত্যু হতো। যা আমি চাইনি।’
মূলত এটাই হলো ইখলাস বা একনিষ্ঠতা। মানুষের জীবনের শুরু থেকে আমৃত্যু প্রতিটি কাজই হবে আল্লাহর জন্য। পড়া-লেখা, সংসার জীবন, কর্ম জীবন, সামাজিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন, অর্থনৈতিক জীবনসহ অবসরকালীন সময়ের প্রতিটি কাজই হবে আল্লাহর জন্য। তবেই আসবে দুনিয়ার ও পরকালের চূড়ান্ত সফলতা।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জীবনের প্রতিটি কাজকেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যথাযথভাবে সম্পন্ন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Wednesday, August 7, 2019

বাড়ি থেকে পোকামাকড় দূর করে যেসব গাছ

শীত বা গ্রীষ্ম অথবা বর্ষাকাল, পোকামাকড়ের অত্যাচারে বাড়িতে টেকাই দায়। পোকামাকড়ের ঘেনঘেনানিতে ভুগতে হয় সবাইকে। মশার কারণে জ্বর, এছাড়া বিভিন্ন পোকামাকড়ের কারণে আমাদের বিভিন্ন রোগ দেখা যায়। অনেক চেষ্টা করেও বাড়ি থেকে কিছুতেই পোকামাকড়ের উপদ্রব কমাতে পারছেন না? তাহলে জেনে নিন, বাড়িতে কোন কোন গাছ পুঁতলে পোকামাকড় আপনার ধারেকাছেও ঘেঁষবে না।
*গাঁদা ফুলের গাছ : শীতকাল আসলে অনেকেই বাড়িতে গাঁদা ফুলের গাছ লাগিয়ে থাকে। গাঁদা ফুল দিয়ে ঘর সাজায়। বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে ফুলের চাহিদা মেটাতেও গাঁদা ফুল ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আপনার যদি মনে হয় যে, গাঁদা ফুল শুধুমাত্র সৌন্দর্যের কারণেই ব্যবহার করা হয়, তাহলে ভুল ভাবছেন। গাঁদা ফুল গাছের উপকারিতা অনেক। এই গাছে এমন কিছু উপাদান থাকে, যার ফলে এই গাছের কাছে মশা এবং অন্যান্য পোকামাকড় আসতে পারে না। তাহলে বাড়ি থেকে মশা এবং অন্যান্য পোকামাকড় দূর করতে অবশ্যই গাঁদা গাছ বসান।
*বেসিল পাতা : খাবারে স্বাদ বাড়াতে আমরা বেসিল পাতা ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু শুধুমাত্র খাবারের স্বাদ বাড়ানোই নয়, মশা-মাছি দূর করতেও সাহায্য করে এই গাছ।
*পুদিনা পাতা : পুদিনা পাতা খাবারের স্বাধ বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে হজমেও সহায়তা করে। কিন্তু খাবারের বাইরেও এর আরও অনেক গুণাগুণ রয়েছে। পুদিনা পাতার গন্ধ মশা দূর করতে সাহায্য করে।

Tuesday, July 30, 2019

সীতাকুণ্ড


সীতাকুণ্ড প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম একটি তীর্থস্থান। পূর্বদিকে সুবিশাল সমুদ্র, চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উপরে প্রাচীন মন্দির আর পাহাড়ি ঝরনা। মেঘ-পাহাড়ের সীতাকুণ্ডে সারা বছরই মেঘের খেলা করে। চারদিকে চিরহরিৎ সবুজের বাগান, ছোট-বড় পাহাড়, সীতাকুণ্ড এখন পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে অবস্থান করছে। আমরা সীতাকুণ্ডের দিকে চললাম। পথে একটি সুন্দর জায়গা পেলাম। জায়গাটি পাহাড়ের এক ধারে। কাছেই পাহাড় হতে একটি ঝরনা ঝরছে। পানি খুব স্বচ্ছ বরফের মত ঠান্ডা। ঝরনার কাছেই একটি গাছ। আমরা গাছের ছায়ায় বসলাম। দেখলাম, সামনে একটি দোকান একটি হোটেল। সেখান থেকে কিছু খাবার এনে খেলাম। অল্পক্ষণ বিশ্রামের পর আবার যাত্রা করলাম।

কোন গোলাপ কিসের প্রতীক

  ভালোবাসার ফুল গোলাপ। এটি ভালোবাসার ভাষা বুঝতে ও বোঝাতে পারে। তাই উপহার হিসেবে গোলাপেরই চাহিদা এখন সবার উপরে। লাল গোলাপ প্রেমের কবিতা আর গল...