Tuesday, December 29, 2020

salmachowdhury


Salma Chowdhury was born on 14 September in a famous family in Dhaka district. I am a Bangladeshi, my father's name is Abdul Hamed Chowdhury and my mother's name is Nazma Chowdhury. We are four sisters. I am a student of Dhaka Eden Women's College, my hobby is singing, guitar, painting batik, cooking, sewing, poetry, essay writing etc. I like gardening. I am a member of Dhaka YWCA and Guitar Company. For some time I have worked at vorerbarta.com and News24 gonomat.com. Now I am a popular member of the 26th rank of Jeevanpata.com. I am currently writing an article on eshoaykori.com. I am a blogger. I’m involved in a variety of cultural activities, and I’m currently doing an online job on my laptop. As a child, I participated in the drawing section of the Nutunkundi program on Bangladesh Television. I have done essay and drawing work in Kishore Bangla magazine. I have exhibited my paintings at Dhaka Art College. I sell my painting cards at the Jiraj Art Gallery store. When I was younger, I studied at Udayan School and later at Agrani Girls High School. When my father became the ambassador to Qatar, I passed the SSC exam at the Bangladeshi embassy in Qatar and the HSC exam at Dhaka Eden College. I am currently studying for a degree. I did my degree at Shamsunnahar Children's Arts School and Dhaka Art College. I am a life member of Women's Christian Association (Y.W.C.A), Dhaka Guitar Association and Ums Academy. I have regularly performed Rabindra Sangeet at Ummesh Academy. I did a five year guitar course in Dhaka (Y.W.C.A). I have done basic computer courses at Tokyo, Rotary and many more centers. When I was in Qatar I won the International Children's Drawing Competition and the Japanese Foreign Minister Gold and Silver Medal. I have received Gold Medal in Art, Gold Medal for Rabindra Sangeet and Philip Radio, Zainul Abedin Award, Shankar, Online China Certificate etc. I have traveled to Jessore, India, Delhi, Ajmer, Qatar.

দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া ৫ উপায়


দাঁতের সমস্যার কোনো বয়স নেই। পাঁচ বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৬০ বছরের বৃদ্ধেরও এ ব্যথা হতে পারে।

দাঁতের গোড়া বা স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে মারাত্মক যন্ত্রণা হয়। ব্যথা থেকে মাথা, চোখব্যথাও শুরু হয়ে যায়।

কিছু ঘরোয়া উপায় আছে, যা অবলম্বন করলে দাঁতের ব্যথা থেকে অনেকটাই মুক্তি মেলে।

১. এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ টেবিল চামুচ লবণ মিশিয়ে মুখে নিয়ে ১ মিনিট রাখুন। এভাবে দিনে তিনবার কুলি করলে করুন ব্যথা কমে যায়।

২. ১ টেবিল চামুচ লবণ অল্প সরিষার তেলের সঙ্গে অথবা লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মাড়িতে ম্যাসাজ করুন কয়েক মিনিট। তার পর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করে নিন। এভাবে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হবে।

৩. রসুন ঘরোয়া অ্যান্টিবায়োটিক। রসুন দাঁতে তৈরি হওয়া ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ও ব্যথা উপশমেও সহায়ক। একটি-দুটি রসুনের কোয়া নিয়ে থেঁতলে সামান্য লবণ মিশিয়ে ব্যথার জায়গায় লাগান। রসুন চিবিয়েও খেতে পারেন। যন্ত্রণা কম না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন লাগাতে পারেন।

৪. অ্যালোভেরায় থাকে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা দাঁতের জীবাণুকে নষ্ট করে দেয়। অ্যালোভেরা জেল নিয়ে ব্যথার জায়গায় লাগাতে পারেন।

৫. কমানোর করার জন্য হাইড্রোজেন পার অক্সাইড দারুণ কাজ করে। এটি দাঁতে থাকা ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে। এ ছাড়া দাঁতের যন্ত্রণা থেকে দ্রুত মুক্তি দেয়, মাড়ি থেকে রক্তপড়াও আটকায় হাইড্রোজেন পার অক্সাইড। পানি ও হাইড্রোজেন পার অক্সাইড সমপরিমাণ নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। ওই মিশ্রণ দিয়ে কুলকুচি করুন। তবে কোনোভাবেই গিলে ফেলা যাবে না। কুলকুচির পর পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন।

তবে দাঁতে অতিরিক্ত ব্যথা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই


Thursday, December 24, 2020

ডিঙা

 

 ‘রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে

ডিঙা বায়— রাঙা মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে’

কবি জীবনানন্দ দাশ তাঁর ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতায় এভাবে ডিঙা শব্দটি উচ্চারণ করেছিলেন। ডিঙা হচ্ছে ছোট এক ধরনের নৌকা। সাধারণভাবে ডিঙা হিসেবে যেসব নৌকাকে চিনি সেসব নৌকায় ছাউনি থাকে না। এই নৌকা প্রধানত মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত হলেও প্রয়োজনে এর নকশা পরিবর্তন করে নানাভাবে ব্যবহার করা যায়। এই নৌকাই বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। কাঠে নির্মিত এই নৌকা সমুদ্র ছাড়া সব ধরনের জলাশয়ে চলে। নদী পারাপারে একেই খেয়া নৌকা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা মালপত্র পরিবহনে এই নৌকা ব্যবহার করে। বেদে সম্প্রদায়ের বহরেও এই নৌকা থাকে। বেদে বহরের ডিঙাগুলোতে অবশ্য ছাউনি বা ছই থাকে। কোষা নৌকার মতোই এর দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ৯-১০ মিটার হয়ে থাকে। তবে এর গলুই কোষা নৌকার মতো ভোঁতা নয়। কিছু ডিঙা নৌকায় বিশেষ ব্যবস্থায় কুমাররা মাটির হাঁড়ি-পাতিল সাজিয়ে বিক্রি করে। সে ধরনের ডিঙাকে সরঙ্গা বলে।

এই নৌকা বৈঠা দিয়ে চালানো হয়। অগভীর জলে লগিও ব্যবহার করা যায়। কখনো কখনো পাল তোলা ডিঙা দেখা যায়। এ ছাড়া নদীতে গুণটানা ডিঙিও দেখা যায়।

মাছ ধরার জন্য ছোট ডিঙা নৌকা ছাড়াও বড় নৌকা ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে পদ্মা নদীতে ইলিশ মৌসুমে এই নৌকা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এজাতীয় কিছু নৌকায় দীর্ঘ সময় ধরে জেলেরা নদী বা বিলে কাটায়। এ কারণে বৃষ্টি বা রোদ থেকে রক্ষা পেতে মজবুত ছই থাকে। একই কারণে এই নৌকায় রান্নার ব্যবস্থাও থাকে। ভারী জাল ও মাছ বহন করার উপযোগী করার জন্য এই নৌকায় মাল বহন করার ক্ষমতা সাধারণ ডিঙার চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। থাকে পাল তোলার ব্যবস্থাও। বেশির ভাগ সময় স্বল্প দূরত্ব অতিক্রম করার জন্য এই নৌকায় সাধারণ বৈঠা ব্যবহার করা হয়। স্রোতের প্রতিকূলে চলার জন্য বা দ্রুত চলার জন্য দাঁড় অর্থাৎ বড় বৈঠা ব্যবহার করা হয়।


 

ফুলকপির অসাধারণ ৫ উপকারিতা

 

ফুলকপি শীতকালীন সবজিগুলোর মধ্যে অন্যতম।

এটি খুবই পুষ্টিকর একটি সবজি; যা রান্না কিংবা কাঁচা যে কোন প্রকারে খাওয়া যায়। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম প্রভৃতি রয়েছে। এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে।

১. ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: মূত্রথলি ও নারীদের প্রোস্টেট, স্তন ও ডিম্বাশয় ক্যান্সার প্রতিরোধে ফুলকপির ভূমিকা অপরিসীম। এতে সালফোরাফেন নামে এমন এক উপাদান রয়েছে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই উপাদানটি ক্যান্সারের স্টেম সেল ধ্বংস করে এবং বিভিন্ন ধরনের টিউমারের বৃদ্ধি প্রতিহত করে।

২. হজমে সাহায্য করে: ফুলকপিতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও সালফার-জাতীয় উপাদান রয়েছে, যা খাবার হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। এছাড়া এর ফাইবার খাবার হজম করতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।

৩. হৃদযন্ত্র ভালো রাখে: ফুলকপি হৃদযন্ত্র ভালো রাখে। এর সালফোরাফেন নামের উপাদানটি উচ্চ রক্তচাপ কমায় এবং কিডনি সুস্থ রাখে। শুধু তাই নয়, ধমনীর ভেতরে প্রদাহ রোধেও কাজ করে ফুলকপি।

৪. দহন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে: ফুলকপিতে ‘অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি নিউট্রিয়েন্টস’ নামে এমন এক উপাদান রয়েছে; যা শরীরের দহন প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কমে যায়।

৫. মস্তিষ্ক সুস্থ রাখে : ফুলকপিতে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও ভিটামিন-বি রয়েছে, যা মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কেননা ভিটামিন বি কমপ্লেক্স মস্তিষ্কের কগনিটিভ প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। এতে স্মৃতিশক্তি বেড়ে যায়। উচ্চ রক্তচাপ, হাই কোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিসের রোগীরা নিঃসঙ্কোচে ফুলকপি খেতে পারেন। কেননা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এবং কোলেস্টেরল কমাতে এই সবজিটি আমাদের বন্ধু।




Tuesday, December 22, 2020

নতুন করোনাটি দ্রুত ছড়ায়


করোনার প্রতিষেধক দেওয়া যখন পুরোদমে চলছে, তখনই লন্ডনসহ দক্ষিণ ইংল্যান্ডে অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে নতুন ধরনের করোনাভাইরাস; যার জেরে যুক্তরাজ্যে আবার শুরু হয়েছে লকডাউন। ইউরোপের অনেক দেশ যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বিমান পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। ব্রিটিশ সরকারের সংক্রমণবিষয়ক উপদেষ্টারাও মোটামুটি নিশ্চিত যে এটা করোনাভাইরাসের অন্য ভ্যারিয়ান্টের তুলনায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মূলত তিনটি কারণে করোনাভাইরাসের নতুন এই ভ্যারিয়ান্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছেএটি ভাইরাসের অন্য সংস্করণগুলোকে প্রতিস্থাপিত করছে, এর বিভাজন বা রূপান্তর ভাইরাসের কিছু অংশে পরিবর্তন আনে, যা গুরুত্বপূর্ণ এবং এসব বিভাজনের মধ্যে বেশ কিছু ল্যাবে পরীক্ষার পর দেখা গেছে, এগুলো মানুষের দেহের কোষকে সংক্রমিত করার ভাইরাসের সক্ষমতা বাড়ায়।

নতুন স্ট্রেইনটি উপযুক্ত পরিবেশ পেলে দ্রুত হারে ছড়িয়ে পড়তে পারে, যেমনলন্ডনের মতো জায়গা, যেখানে এর আগে পর্যন্ত দ্বিতীয় স্তরের বিধি-নিষেধ ছিল। ভাইরাসটির সংক্রমণ কমিয়ে আনতে এরই মধ্যে চতুর্থ পর্যায়ের বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের কভিড-১৯ জেনোমিকস কনসোর্টিয়ামের অধ্যাপক নিক লোমান বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক পরীক্ষা চালাতে হবে। তবে আমাদের হাতে সময় কম।

সেপ্টেম্বরে প্রথম ভাইরাসের নতুন ধরনটি শনাক্ত হয়। নভেম্বরের দিকে লন্ডনে আক্রান্তদের মধ্যে চার ভাগের এক ভাগ ছিল নতুন বৈশিষ্ট্যের এই ভাইরাসের শিকার। আর ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত এটি দুই-তৃতীয়াংশে পৌঁছে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন যা বলেছেন সেটি হচ্ছে, এই বৈশিষ্ট্যের ভাইরাসটি ৭০ শতাংশ বেশি ছড়িয়ে পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে, ভাইরাসের এই স্ট্রেইন যুক্তরাজ্যেই কোনো একজন রোগীর দেহে আবির্ভূত হয়েছে কিংবা এমন একটি দেশ থেকে এসেছে, যেখানে ভাইরাসটিকে পর্যবেক্ষণ করার মতো তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। ভাইরাসটির জেনেটিক কোড নিয়ে কাজ করা নেক্সটস্ট্রেইন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য বলছে, ডেনমার্ক অস্ট্রেলিয়ায় যে ভাইরাসের স্ট্রেইনটি পাওয়া গেছে তা যুক্তরাজ্য থেকে এসেছে। নেদারল্যান্ডসেও নতুন বৈশিষ্ট্যের ভাইরাস পাওয়া গেছে। চীনের উহানে যে ভাইরাসটি প্রথমে শনাক্ত করা হয়েছিল, সেটির সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য স্থানে থাকা ভাইরাসের কোনো মিল নেই। ভাইরাসটিতে ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। নতুন বৈশিষ্ট্যের ভাইরাসটির ক্ষেত্রে টিকা কাজ করবে কি না তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ভাইরাসটির স্পাইক প্রোটিনে পরিবর্তন এসেছেএটা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমেই ভাইরাস মানুষের শরীরে ঢোকে। সূত্র : বিবিসি, ডয়চে ভেলে।

 

Thursday, December 17, 2020

মহাশূন্যে পাথর ও মাটির টুকরো পেয়েছেন জাপানী বিজ্ঞানীরা


মহাশূন্য থেকে গত সপ্তাহে পৃথিবীতে ফিরে আসা একটি ক্যাপসুল খোলার পর তার ভেতরে একটি গ্রহাণুর কুচকুচে কালো পাথর মাটির টুকরো পেয়েছেন জাপানী বিজ্ঞানীরা।রাইয়ুগু নামে এই গ্রহাণুর টুকরো সংগ্রহ করে তা একটি ক্যাপসুলে ভরে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিল জাপানের মহাকাশ সংস্থা আইএসএএস- পাঠানো হায়াবুসা-টু মহাকাশযান। যেসব পদার্থ দিয়ে সৌরজগতের সৃষ্টি হয়েছিল, সেগুলোর যে 'টি এখনো টিকে আছে তার একটি হচ্ছে এই রাইয়ুগু নামের গ্রহাণু।

শুধু তাই নয় - মহাশূন্যের গভীর থেকে (ডিপ স্পেস) এই প্রথম বড় পরিমাণে মাটি-পাথর পৃথিবীতে পাঠানো হলো।

হায়াবুসা-টু মহাকাশযানটি ২০১৮ সালের জুন মাসে প্রথম রাইয়ুগুতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিল। আর ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে হায়াবুসা- প্রথমবারের মত সেই এক কিলোমিটার চওড়া গ্রহাণুটির ওপর অবতরণ করে। তার পর ট্যান্টালাম নামে একটি ধাতুর তৈরি বুলেট দিয়ে গ্রহাণুটির ওপর "গুলি করা হয়।"

এতে যেসব টুকরো ছিটকে পড়ে সেগুলোকে সংগ্রহ করা হয় একটি নল দিয়ে।

বিশুদ্ধ পদার্থ:

গত ৫ই ডিসেম্বর শনিবার হায়াবুসা-টুর নমুনা বহনকারী ক্যাপসুলটি পৃথিবীতে ফিরে আসে প্যারাসুটের সাহায্যে এটি অস্ট্রেলিয়ার উমেরা' মরুভুমিতে নিরাপদে অবতরণ করে। জাপানী বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত ক্যাপসুলটির তিনটি প্রকোষ্ঠের মধ্যে মাত্র একটি খুলেছেন। বাকি দুটি প্রকোষ্ঠের একটিতে রাইয়ুগুর মাটির নিচের পদার্থ সংগৃহীত হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা এই রাইয়ুগু থেকে এমন বিশুদ্ধ পদার্থ সংগ্রহ করতে চেয়েছিলেন যা মহাশূন্যের বিকিরণ বা অন্যান্য কারণে শত কোটি বছরেও পরিবর্তিত হয়ে যায়নি। কারণে তাদেরকে বিস্ফোরক ব্যবহার করে তামার তৈরি একটি ক্ষেপণাস্ত্রের মতো জিনিস নিক্ষেপ করে গ্রহাণুটির উপরিতলে আঘাত করতে হয়েছিল।

এর ফলে ২০ মিটার চওড়া একটি গর্ত সৃষ্টি হয় রাইয়ুগুর বুকে। এর পর হায়াবুসা-টু তাতে অবতরণ করে এবং ওই গর্ত থেকে সংগ্রহ করে বিশুদ্ধ মহাজাগতিক পদার্থের কণা। বিজ্ঞানীরা ক্যাপসুলের এই প্রকোষ্ঠটি পরীক্ষা করে দেখবেন আরো পরে। জাপানের মহাকাশ সংস্থা আরো ঘোষণা করেছে, ক্যাপসুলের ভেতর থেকে যে গ্যাস সংগ্রহ করা হয়েছে - তাও ওই গ্রহাণু থেকে পাওয়া।

বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, সম্ভবত সংগৃহীত মাটি-পাথরের ভেতরেই ওই গ্যাস আটকে ছিল এবং সেটাই নির্গত হয়েছে।তার মানে হচ্ছে, ডিপ স্পেস বা মহাশূন্যের গভীর থেকে সংগ্রহ করা এটাই প্রথম গ্যাসের নমুনা।

আমাদের সৌরজগত যা দিয়ে তৈরি হয়েছিল :

গ্রহাণুকে বলা যায় সৌরজগত সৃষ্টির ইঁট-পাথর। সৌরজগতে পৃথিবীর মত পাথুরে গ্রহগুলো যে ধরণের শিলা দিয়ে তৈরি - এই গ্রহাণুগুলোও তৈরি সেই একই শিলা দিয়ে।কিন্ত এগুলো কোন কারণে সূর্যের চারদিকে ঘুরতে থাকা কোন গ্রহের সাথে জোড়া লেগে যায়নি, বরং আলাদা ভাবেই মহাশূন্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এগুলোর মধ্যে আবার রাইয়ুগু হচ্ছে একটি বিশেষ শ্রেণীর গ্রহাণু - যা সবচেয়ে প্রাচীন শ্রেণীর মহাজাগতিক পাথর। এগুলোকে বলে সি-টাইপ বা 'কার্বনেশিয়াস এ্যাস্টরয়েড'

প্রাণ সৃষ্টির আদি মালমশলাও এই গ্রহাণুতেই?

ধারণা করা হয়, সৌরজগতের জন্মের প্রথম দিকে পৃথিবীতে প্রাণ সৃষ্টির জন্য পানিসহ আরো যেসব উপাদান দরকার - তা হয়তো এইসব গ্রহাণু থেকেই এসেছিল। ২০১৮ সালে যখন জাপানি মহাকাশযান হায়াবুসা-টু রাইয়ুগুতে পৌঁছায়, তখন এর কুচকুচে কালো রঙ দেখে বিজ্ঞানীরা অবাক হয়ে গিয়েছিলেন।একারণে মহাকাশযানটি যখন গ্রহাণুটির উপরিতলের কাছাকাছি যায়, তখন নিয়ন্ত্রণকারীদের লেজার সেন্সরগুলোকে এমনকি নতুন করে উচ্চতা মেপে নিতেও হয়েছিল।

 



কোন গোলাপ কিসের প্রতীক

  ভালোবাসার ফুল গোলাপ। এটি ভালোবাসার ভাষা বুঝতে ও বোঝাতে পারে। তাই উপহার হিসেবে গোলাপেরই চাহিদা এখন সবার উপরে। লাল গোলাপ প্রেমের কবিতা আর গল...