Friday, May 12, 2023

সালমা চৌধুরীর ডেইরি

 

সালমা চৌধুরীর ডেইরি

১৯৬০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সালমা চৌধুরী ঢাকা জেলার বিখ্য়াত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। এলিফেন্ট রডের চিত্রা নামে এক বাসাতে আমি জন্ম নিয়েছিলাম, সেখানেই আমার শৈশব কেটেছে।  শৈশবে আমার খেলাধুলা করে ছোটকাল কাটে। পরে এক্টু বড় হলে স্কুলে ভর্তি হলাম, নার্সসারিতে, স্কুল এর নুতুন পরিবেশ দেখে কান্নাকাটি শুরু করে দিয়ে ছিলাম, কিন্তু পরে এই পরিবেশই আমার মানিয়ে অভ্যাস হয়ে গেল। সেখানের পরিবেশ ছিল, ছেলে মেয়ে সব একসাথে পড়াশুনা করেছি, স্কুল এর প্রথম বিষয় ছিল pitty বা drill করা, এরপর রাবিন্দ্রনাথের জাতীও সঙ্গিত, আমার সোনার বাংলা, আমি তোমাই ভালভাসি গানটি সবাই মিলে গাইতে থাকতাম। এই জাতীয় সঙ্গিত্ টি আমার খুব প্রিয়  আমার অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধু বান্ধবীর কথা খুব মনে পরে, তাদের নাম ছিল আইভি, লুলু, হুমি, সারা, মিতা, আমিনুর, আতিক এবং অনেকে। আমার শিক্ষকের নাম ছিল lotrnce, Patcy, Alice, এরা ছিল আমার শিশু শ্রেণীর শিক্ষক। বড় ক্লাস এর শিক্ষকের নাম ছিল মিসেস খান, হাসিব, শ্যামলী চৌধুরী, এবং অনেকে। আমার বেস্ট  যখন স্কুলে পরতাম, তখন আমার পাশের বাড়িতে থাকত আমার খালা, খালু,খালাত ভাই, বোনরা। তাদের বাড়ির নাম ছিল রওশন মঞ্জিল। আমার ছোটকালে আমরা সবাই মিলে একসাথে “ওপেন টি বায়োস্কোপ, নাইন টেন টেস্কোপ। সুলতানা বিবিয়ানা, সাহেব বাবু বৈঠক খানা।  রাজবাড়িতে যেতে। পান সুপারি খেতে!, পানের আগায় মরিচ বাটা, স্প্রিঙে চাবি আঁটা। যার নাম রেণুবালা, তাকে দেবো-মুক্তার মালা। এই খেলাটি খেলেছি। আমার স্কুল এর নাম ছিল English prepertory school. তখন আমি ছোট ছিলাম,যতটুকু মনে পরে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে শুরু হল দিকবিদিক গুলীর আওয়াজ, তখন আমরা থাকতাম এলিফ্যানট রডের এক বাসাতে। জানলার পর্দা সরিয়ে   ১৯৭১ এর  স্বাধীনতার পর নাম হয় উদয়ন বিদ্যালয়। সেখানেই বন্ধু বান্ধবের সাথে খেলাধুলা এবং পড়াশুনা করেছি। এইভাবে ক্লাস সিক্স পর্যন্ত কাটল, পরে বড় ক্লাস  সেভেন এ গিয়ে ভর্তি হলাম অগ্রণী স্কুলে সেখানেও আবার নুতুন পরিবেশ, সেখানে আবার অষ্টম ক্লাস পর্যন্ত পড়াশুনা করেছি, পরে শুনলাম আমরা বির্দেশে যাব কাতারে কারন আমার আব্বা কাতারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হয়েছে, তাই অগ্রণী স্কুল এর হেডমাষ্টারের চিঠি নিয়ে কাতারে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে লাগলাম। সম্ববত  ১৯৮০সালে আমরা ৮জন কাতারে গিয়েছিলাম, আব্বা, আম্মা আমরা চার বোন নিরা, বানি, লিমা ও সীমা এবং দুই কাজের লক রবের মা এবং হান্নান। আমার প্রিয় ফুল গোলাপ, বেলি, বকুল, রজনিগন্ধা,  কাটগোলাপ, মাধবীলতা, দোলনচাঁপা, কৃষ্ণচূড়া, জবা,অপরাজিতা, কদম ফল এবং সব ধরনের ফুল। আমার অরকীট ফুল খুবই ভাল লাগে, কারন এই ফুল বিভিন্ন রঙ এর হয়।  আমার প্রিয় ফল আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, লেবু, আপেল, মালটা,কমলা, পেয়ারা,কলা। কোণ এক সময় আমরা বেড়াতে গিয়েছিলাম চিরিয়াখানা, বলদদাগার্ডেন, শহিদ মিনার, লাল্ বাগ কেল্লা, সাভার সৃতি সৌধ, শিশু মেলা, শিশু পার্ক, ঘাদুকর  আমার প্রিয় কবি হলেন রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর, রবীন্দ্র নাতের লেখাতে প্রকৃতির সব ভাবের কথা ফুটে উঠেছে। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ততদিন রবীন্দ্রনাথ আলোর দিশারী হয়ে আমাদের চলার পথে থাকবেন  ‘‘আজি হতে শতবর্ষ পরে, কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানি, কৌতুহলভরে, আজি হতে শতবর্ষ পরে। কবিগুরু রীবন্দ্রনাথ ঠাকুর জানতেন তিনি তার সৃষ্টিকর্মের মাঝেই অমর হয়ে থাকবেন। তাই তো তিনি লিখে গেছেন এই কবিতা। অমর হয়ে আছেন তার লেখা কবিতা, গান, উপন্যাস, গল্পের মাধ্যমে। আজো কোটি বাঙালি পড়ছে তার কবিতা। আজ ২২ শ্রাবণ। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৮৬১ সালের ১৭ মে (১২৬৮র ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির যে শ্যামল আঙ্গিনায় জন্মেছিলেন তিনি, সেই শ্যামল প্রাঙ্গণেই শ্রাবণের বর্ষণসিক্ত পরিবেশে ৮০ বছর বয়সে ১৯৪১ সালের এই দিনে চির বিদায় নেন তিনি এই সুন্দর শ্যামল মায়াময় পৃথিবী থেকে। আরেকজন আমার প্রিয় কবি কাজি নজরুল ইসলাম। তার লেখা আমার খুবই প্রিয়। তাছাড়া আমার প্রিয় কবি হলেন, সুকান্ত ভট্টাচার্য, সামসুর রাহমান,এবং অনেকে। আমার বাবার নাম আবদুল হামিদ চৌধুরী,  এবং মাতার নাম নাজমা চৌধুরী। আমরা চার বোন। পাটের সোনালী তন্তুর প্রোজ্জ্বল বিভা ছড়িয়ে দিতে ক্ষুদ্র প্রয়াস জুট ফ্লোরম্যাট। এই জুট ফ্লোরম্যাট গুলো একইসাথে ধুলারোধক পানিরোধক।  পাটের ফাইবার থেকে তৈরী হওয়ায়  এগুলো বেশ নরম এবং আরামদায়ক। বাহারি কারুকাজ নান্দনিক ডিজাইনের জন্য জুট ফ্লোরম্যাআমার ট গুলো বৈচিত্র্যলাম। ১৯২০ সালে সম্ববত ৮ই মার্চ কভিক ১৯, করোনা ভাইরাস মহামারী আকারে দেখা দিল। এই মহামারি রোগ চীন দেশ থেকে শুরু হয়ে ছিল, পরে প্রত্যেক দেশে ছড়িয়ে পরে। তখন মহামারির কোন টিকা আবিস্কার হয়নি। এই মহামারীতে হাজারে হাজারে লাখে লাখে মানুষ মারা যায়। ডাইরির কিছু অংশ- ১৫ই জানুয়ারী শনিবার ২০২২, বাংলাবাজার, আজিমপুর সুপার মার্কেট, সামরিক জাদুকর, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুকর। ২৮সে ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার ২০২৩, আজ ইন্টারনেট ঠিক করলাম, ২০০ টাকা দিয়ে। আজ সকাল পৌনে সাতটায় ঘুম থেকে উঠলাম। ২০২৩ সালে বাংলাদেশে পাদ্মা সেতু এবং মেট্রোরেল চালু হয়েছে। ১৭ই এপ্রিল সোমবার ২০২৩, আজ আমি আলু ভাজি রান্না করেছি। 

 ESET Internet Security Single User with 03 Years 02-10-2023 Monday

Bkash
01674321771
1600 taka

 you can call me 01313717074

১৯৬০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সালমা চৌধুরী ঢাকা জেলার বিখ্য়াত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। এলিফেন্ট রডের চিত্রা নামে এক বাসাতে আমি জন্ম নিয়েছিলাম, সেখানেই আমার শৈশব কেটেছে।  শৈশবে আমার খেলাধুলা করে ছোটকাল কাটে। পরে এক্টু বড় হলে স্কুলে ভর্তি হলাম, নার্সসারিতে, স্কুল এর নুতুন পরিবেশ দেখে কান্নাকাটি শুরু করে দিয়ে ছিলাম, কিন্তু পরে এই পরিবেশই আমার মানিয়ে অভ্যাস হয়ে গেল। সেখানের পরিবেশ ছিল, ছেলে মেয়ে সব একসাথে পড়াশুনা করেছি, স্কুল এর প্রথম বিষয় ছিল pitty বা drill করা, এরপর রাবিন্দ্রনাথের জাতীও সঙ্গিত, আমার সোনার বাংলা, আমি তোমাই ভালভাসি গানটি সবাই মিলে গাইতে থাকতাম। এই জাতীয় সঙ্গিত্ টি আমার খুব প্রিয়  আমার অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধু বান্ধবীর কথা খুব মনে পরে, তাদের নাম ছিল আইভি, ও ছিল আমার প্রিয় বান্ধবী, লুলু, হুমি, সারা, মিতা, আমিনুর, আতিক এবং অনেকে। আমার শিক্ষকের নাম ছিল lornce, Patcy, Alice, এরা ছিল আমার শিশু শ্রেণীর শিক্ষক। বড় ক্লাস এর শিক্ষকের নাম ছিল মিসেস খান, মিসেস হাসিব, এবং শ্যামলী নাসরীন চৌধুরী, সে ছিল আমার প্রিয় শিক্ষক। তার স্বামি ছিলেন চোখের ডাক্তার, নাম ডঃ আলীম চৌধুরী ১৯৭১ সালে তাকে আল-বদররা ধরে নিয়ে বধ্ভুমিতে মেরে ফেলে, তার দুই মেয়ে নিপা এবং শম্পা ওরা এখন চোখের ডাক্তার। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমার পাশের বাড়িতে থাকত আমার খালা, খালু,খালাত ভাই, বোনরা। তাদের বাড়ির নাম ছিল রওশন মঞ্জিল। আমরা থাকতাম এলিফেনট রোডের ২২ নাম্বার বাসাতে। আমার ছোটকালে আমরা সবাই মিলে একসাথে “ওপেন টি বায়োস্কোপ, নাইন টেন টেস্কোপ। সুলতানা বিবিয়ানা, সাহেব বাবু বৈঠক খানা।  রাজবাড়িতে যেতে। পান সুপারি খেতে!, পানের আগায় মরিচ বাটা, স্প্রিঙে চাবি আঁটা। যার নাম রেণুবালা, তাকে দেবো-মুক্তার মালা। এই খেলাটি খেলেছি। আমার স্কুল এর নাম ছিল English prepertory school. তখন আমি ছোট ছিলাম,যতটুকু মনে পরে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে শুরু হল দিকবিদিক গুলীর আওয়াজ, তখন আমরা থাকতাম এলিফ্যানট রডের এক বাসাতে। জানলার পর্দা সরিয়ে   ১৯৭১ এর  স্বাধীনতার পর নাম হয় উদয়ন বিদ্যালয়। সেখানেই বন্ধু বান্ধবের সাথে খেলাধুলা এবং পড়াশুনা করেছি। এইভাবে ক্লাস সিক্স পর্যন্ত কাটল, পরে বড় ক্লাস  সেভেন এ গিয়ে ভর্তি হলাম অগ্রণী স্কুলে সেখানেও আবার নুতুন পরিবেশ, সেখানে আবার অষ্টম ক্লাস পর্যন্ত পড়াশুনা করেছি, পরে শুনলাম আমরা বির্দেশে যাব কাতারে কারন আমার আব্বা কাতারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হয়েছে, তাই অগ্রণী স্কুল এর হেডমাষ্টারের চিঠি নিয়ে কাতারে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে লাগলাম। সম্ববত  ১৯৮০সালে আমরা ৮জন কাতারে গিয়েছিলাম, আব্বা, আম্মা আমরা চার বোন নিরা, বানি, লিমা ও সীমা এবং দুই কাজের লক রবের মা এবং হান্নান। কাতারে থাকাকালিন সময়ে আমি সেখানের বাংলাদেশের এমব্যাসিতে মেট্রিক পরীক্ষা দিয়েছিলাম, এবং  আমার প্রিয় ফুল গোলাপ, বেলি, বকুল, রজনিগন্ধা,  কাটগোলাপ, মাধবীলতা, দোলনচাঁপা, কৃষ্ণচূড়া, জবা,অপরাজিতা, কদম ফল এবং সব ধরনের ফুল। আমার অরকীট ফুল খুবই ভাল লাগে, কারন এই ফুল বিভিন্ন রঙ এর হয়।  আমার প্রিয় ফল আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, লেবু, আপেল, মালটা,কমলা, পেয়ারা,কলা। কোণ এক সময় আমরা বেড়াতে গিয়েছিলাম চিরিয়াখানা, বলদদাগার্ডেন, শহিদ মিনার, লাল্ বাগ কেল্লা, সাভার সৃতি সৌধ, শিশু মেলা, শিশু পার্ক, ঘাদুকর  আমার প্রিয় কবি হলেন রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর, রবীন্দ্র নাতের লেখাতে প্রকৃতির সব ভাবের কথা ফুটে উঠেছে। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ততদিন রবীন্দ্রনাথ আলোর দিশারী হয়ে আমাদের চলার পথে থাকবেন  ‘‘আজি হতে শতবর্ষ পরে, কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানি, কৌতুহলভরে, আজি হতে শতবর্ষ পরে। কবিগুরু রীবন্দ্রনাথ ঠাকুর জানতেন তিনি তার সৃষ্টিকর্মের মাঝেই অমর হয়ে থাকবেন। তাই তো তিনি লিখে গেছেন এই কবিতা। অমর হয়ে আছেন তার লেখা কবিতা, গান, উপন্যাস, গল্পের মাধ্যমে। আজো কোটি বাঙালি পড়ছে তার কবিতা। আজ ২২ শ্রাবণ। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৮৬১ সালের ১৭ মে (১২৬৮র ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির যে শ্যামল আঙ্গিনায় জন্মেছিলেন তিনি, সেই শ্যামল প্রাঙ্গণেই শ্রাবণের বর্ষণসিক্ত পরিবেশে ৮০ বছর বয়সে ১৯৪১ সালের এই দিনে চির বিদায় নেন তিনি এই সুন্দর শ্যামল মায়াময় পৃথিবী থেকে। আরেকজন আমার প্রিয় কবি কাজি নজরুল ইসলাম। তার লেখা আমার খুবই প্রিয়। তাছাড়া আমার প্রিয় কবি হলেন, সুকান্ত ভট্টাচার্য, সামসুর রাহমান,এবং অনেকে। আমার বাবার নাম আবদুল হামিদ চৌধুরী,  এবং মাতার নাম নাজমা চৌধুরী। আমরা চার বোন। পাটের সোনালী তন্তুর প্রোজ্জ্বল বিভা ছড়িয়ে দিতে ক্ষুদ্র প্রয়াস জুট ফ্লোরম্যাট। এই জুট ফ্লোরম্যাট গুলো একইসাথে ধুলারোধক পানিরোধক।  পাটের ফাইবার থেকে তৈরী হওয়ায়  এগুলো বেশ নরম এবং আরামদায়ক। বাহারি কারুকাজ নান্দনিক ডিজাইনের জন্য জুট ফ্লোরম্যাআমার ট গুলো বৈচিত্র্যলাম। ১৯২০ সালে সম্ববত ৮ই মার্চ কভিক ১৯, করোনা ভাইরাস মহামারী আকারে দেখা দিল। এই মহামারি রোগ চীন দেশ থেকে শুরু হয়ে ছিল, পরে প্রত্যেক দেশে ছড়িয়ে পরে। তখন মহামারির কোন টিকা আবিস্কার হয়নি। এই মহামারীতে হাজারে হাজারে লাখে লাখে মানুষ মারা যায়। ডাইরির কিছু অংশ- ১৫ই জানুয়ারী শনিবার ২০২২, বাংলাবাজার, আজিমপুর সুপার মার্কেট, সামরিক জাদুকর, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুকর। ২৮সে ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার ২০২৩, আজ ইন্টারনেট ঠিক করলাম, ২০০ টাকা দিয়ে। আজ সকাল পৌনে সাতটায় ঘুম থেকে উঠলাম। ২০২৩ সালে বাংলাদেশে পাদ্মা সেতু এবং মেট্রোরেল চালু হয়েছে। ১৭ই এপ্রিল সোমবার ২০২৩, আজ আমি আলু ভাজি রান্না করেছি।  

No comments:

Post a Comment

কোন গোলাপ কিসের প্রতীক

  ভালোবাসার ফুল গোলাপ। এটি ভালোবাসার ভাষা বুঝতে ও বোঝাতে পারে। তাই উপহার হিসেবে গোলাপেরই চাহিদা এখন সবার উপরে। লাল গোলাপ প্রেমের কবিতা আর গল...