সর্ষে ইলিশ
উপকরনঃ
কাঁচা মরিচ, সরিষার পেস্ট, রাঁধুনি হলুদ গুড়া , লবন।
প্রনালিঃ
একটি বাটি নিন, তাতে মাছের সঙ্গে হলুদ, লবন মিশিয়ে নিন। আর একটি প্যান নিন, তাতে তেল গরম করে মাছের টুকরো গুলো ভেজে নিন। ভাজা মাছে সামান্য পানি দিন, লবন, কাঁচামরিচ ও সরিষার পেস্ট দিয়ে মেশান। পানি ফুটে উঠলে কাঁচামরিচ ও সরিষার পেস্ট দিয়ে ঢাকনা দিয়ে
রান্না ক্রুন। ১০ মিনিট পরে ঢাকনা খুলুন, এবং পরিবেশন
করুন।
বাসায় বানান ওভেন ছাড়া কেক
ডিম ৪ টি,
ময়দা ১ কাপ,
তেল ১ কাপ,
বেকিং পাওডার ১ চা চামচ,
গুড়া দুধ ৩ টেবিল চামচ,
চিনি ১ কাপ
কিশমিশ বাদাম অল্প কিছু,
ভ্যানিলা আছেন্স ১ চা চামচ
প্রথমে ডিম এর সাদা অংশ বিট করে নিন তারপর কুসুম দিয়ে আবার ফেটুন।
ময়দা বেকিং পাওডার,গুরা দুধ, এক সাথে চেলে নিন।
এরপর ডিম এর সাথে অল্প অল্প করে চিনি ও তেল মেশান।
এরপর ময়দা বেকিং পাওডার,গুড়া দুধ খামির এর সাথে অল্প অল্প করে মেশান।
এরপর ভ্যানিলা এসেন্স খামির এর সাথে মেশান। প্যান এর চার পাশে কাগজ দিয়ে খামির ঢেলে দিন৷
একটা তলা ভারী সস প্যান নিন৷ খেয়াল রাখবেন সসপ্যানটি যেন একদম শুকনা থাকে।
যদি এতে হালকা পরিমাণেরও তেল বা পানি রয়ে যায় তবে তা থেকে ধোঁয়ার সৃষ্টি হবে।
সসপ্যানটিতে এমন একটি ঢাকনা দিয়ে আটকে দিতে হবে যেন এটা থেকে কোন বাতাস চলাচল করতে না পারে।সসপ্যান চুলায় দিয়ে বেশি আঁচে খুব ভালো করে গরম করুন। (৫ মিনিট)
সস প্যানের মাঝখানে ছোট্ট একট র্যাক অথবা স্ট্যান্ড বসান। এখন কেকের ব্যাটার রাখা বাটিটাকে সাবধানে স্ট্যান্ডের উপর বসিয়ে দিন।সস প্যানের উপর ঢাকনা দিয়ে ভালো করে মুখ বন্ধ করুন। সসপ্যানটিতে এমন একটি ঢাকনা দিয়ে আটকে দিতে হবে যেন এটা থেকে কোন বাতাস চলাচল করতে না পারে।
এভাবে ৩০ মিনিট রাখুন। প্রথম ৫ মিনিট চুলার জ্বাল পুরো বাড়ানো থাকবে, আর পরের ২৫ মিনিটের জন্য চুলার জ্বাল মাঝারী আঁচে থাকবে। ৩০ মিনিট পর কেকে একটি টুথপিক ঢুকিয়ে দেখুন পরিষ্কার হয়ে উঠে আসছে কিনা। পরিষ্কার হয়ে উঠে না আসলে আরো ১০ মিনিট রাখুন।
পুরোপুরি হয়ে গেলে নামিয়ে কেক এর উপর সুগার সিরাপ দিয়ে ব্রাশ করুন। ১ কাপ পানিতে ১/৪ কাপ চিনি দিয়ে জ্বাল করে নিবেন তাহলেই সুগার সিরাপ রেডি৷
সাদা ইলিশ
উপকরনঃ
পেয়াজ কাটা, গুরা বা বাটা হ্লুদ, লবণ, ইলিশ মাছ, পানি
প্রনালিঃ
প্রথমে
চুলায় কড়াই বসিয়ে,তাতে তেল দিতে হবে। পরে অনেক পিয়াজ কাটা দিবো এবং পরে পানি দিব। এবং
সামান্য অল্প একটু হলুদ দিয়ে কশাব পরে কাঁচা মরিচ দিব। পরে ইলিশ মাছের টুকরা গুলি দিব।
সামান্য পানি কমলেই ধনে পাতা দিয়ে নামিয়ে রাখব।
৪।ইলিশ মাছের তেল দিয়ে পুঁইশাক
উপকরণঃ
পেঁয়াজ কাটা, হলুদ, মরিচ,ধনে গুরা বা পেস্ট, পুঁইশাক, ইলিশ মাছের তেল।
প্রনালিঃ প্রথমে পুইশাখ ডাটা থেকে বেশে নিলাম,
৫।গরম গরম ফুলকো পরোটা
উপকরনঃ
ময়দা- ৩ কাঁপ
তেল- ২ টেবিল চাম
৬। কাটবাদাম আর দুধ
৭। সাজান ডাল
উপকরনঃ
মুসুরির ডাল অল্প বা বেসি, পিয়াজ কাটা, কয়েকটা কাঁচা মরিচ সব রকমের মস্ললা,
লবণ, আদা, রসুন বাটা, পানি।
প্রণালীঃ প্রথমে মুসুরের ডালকে ভালমত থুয়ে কোরাই বা ফ্রাইপেনে রাখব।
৮।
১০মিনিটে তৈরি ক্ষীরসা দিয়ে সহজে দারুন স্বাদের পাটিসাপটা পিঠা উপকরনঃ
চালের
গুরা, ময়দা, লবণ, চিনি, তরল দুথ, পানি,
প্রনালিঃ
প্রথমে একটা ফ্রাই প্যানে নিয়ে নিব এক কাপ শুকনা চালের গুরা। ইচ্ছা করলে আপনি কেনা
বা ভেজা চালের গুঁড়া বেভহার করতে পারেন। এর
সাথে দিয়ে দিলাম হাফ কাপ ময়দা
রান্নার গুরুত্বপূর্ণ দশটি টিপস।


যথাসম্ভব পাতিলে ঢাকানা দিয়ে রান্না করুন। এতে খাবারের পুষ্টিমান ঠিক থাকে।

মাংস রান্নার শুরুতেই লবণ না দিয়ে রান্নার মাঝামাঝি সময়ে লবণ দিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন। এর পর দেখে নিন পরিমাণ ঠিক হল কিনা।

তরকারির ঝোল ঘন করতে চাইলে কিছু কর্ণ ফ্লাওয়ার পানিতে গুলে ঢেলে দিন। লক্ষ্য রাখুন- যেন কর্ণ ফ্লাওয়ারের মিশ্রণটি ভালোমতো তরকারির সঙ্গে মিশে যায়।

চাল ধোয়ার পর ১০ মিনিট রেখে দিয়ে তারপর রান্না করুন অথবা রান্নার সময় ১ চা চামচ তেল দিয়ে দিন। দেখবেন ভাত সুন্দর ঝরঝরে হয়েছে।

মুরগির ফ্যাট এড়াতে চাইলে চামড়া ছাড়িয়ে মুরগি রান্না করুন। কারণ মুরগির চামড়াতেই প্রধান ফ্যাট থাকে।

সবুজ সবজি রান্নার সময় সবুজ রং ঠিক রাখতে চাইলে এক চিমটি চিনি দিন।

রান্না করার জন্য একদিন আগেই মাংস সিদ্ধ এবং ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন।

রান্নার সময় গরম পানি ব্যবহার করুন।

ফ্রিজের মধ্যে আঁশটে গন্ধ দূর করতে ফ্রিজে এক টুকরো কাঠ কয়লা রেখে দিন।

মাংস তাড়াতাড়ি সিদ্ধ করতে চাইলে খোসাসহ এক টুকরো কাঁচা পেঁপে তরকারিতে দিন।
লাউ শাক -মুসুর ডালের বড়া

.....রেসিপি......
উপকরণ ঃ--
★লাউ শাক।
★মুসুর ডাল।
★কাচা মরিচ কুচি।
★ধনিয়া পাতা কুচি।
★লবন।
★ভাজা জিরার গুড়ো।
★হলুদ গুড়ো।
সবই পরিমান মত --
যেভাবে করতে হবে ঃ--
লাউ শাক কুচি করে কেটে ধুয়ে সামান্য লবন দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। শাক সেদ্ধ করে শাকের পানি একদম শুকিয়ে নিতে হবে।
মুসুর ডাল--২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে পাটায় বেটে নিতে হবে। পেঁয়াজু বানানোর জন্য যেভাবে ডাল বাটা হয় সেভাবেই বাটতে হবে।
এবার সেদ্ধ শাকের সাথে ডাল বাটা, পেঁয়াজ, মরিচ,ধনেপাতা কুচি,লবন,হলুদ গুড়ো, ভাজা জিরার গুড়ো দিয়ে মাখিয়ে নিতে হবে। মাখানো হয়ে গেলে শাক ডালের মিশ্রন পরিমান মত হাতে নিয়ে বড়ার সেপে বানিয়ে গরম তেলে দিতে হবে। বড়া গুলো একটু পাতলা করে বানাতে হবে। তা না হলে ভিতরে কাচা থেকে যাবে।বড়া গুলো শ্যালো ফ্রাই করতে হবে।
বড়া গুলো কিছুক্ষণ পর পর উল্টিয়ে দিয়ে দুই পাশেই সমান ভাবে ভেজে নিতে হবে। গোল্ডেন ব্রাউন কালার করে ভেজে তুলতে হবে। তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে--
.....লাউ শাক-মুসুর ডালের বড়া.....
সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন নিরাপদে থাকুন। ধন্যবাদ। "ঝুমুর'স কিচেন"
মুরগির বুকের মাংস ২০০ গ্রাম বা ১ কাপ (ছোট ছোট করে কাটা)
আদা ও রসুন বাটা ১ চা চামচ করে
সয়া সস ১ টে চামচ
গোল মরিচ গুড়া ১/২ চা চামচ
কাঁচামরিচ ফালি ২/৩ টা (বা ইচ্ছেমতো )
রসুন কুচি ২ টে চামচ
অলিভ অয়েল (বা যে কোন তেল) ২ টে চামচ
লবন স্বাদমতো
প্রনালীঃ
প্রথমে ছোট ছোট করে কেটে রাখা মুরগির বুকের মাংসগুলোকে আদা-রসুন বাটা, সয়া সস, গোল মরিচ গুড়া ও লবন দিয়ে ১৫ মিনিট মেরিনেট করতে হবে।
পালং শাক ধুয়ে কেটে ভাল করে পানি ঝড়িয়ে নিন।
এবার চুলায় কড়াই চড়িয়ে এতে তেল গরম করে রসুন কুচি দিয়ে হালকা বাদামি করে ভাজুন।এবারে এতে মেরিনেট করে রাখা মুরগির মাংস দিয়ে দিন।কয়েক মিনিট নেড়েচেড়ে ভাজুন। চুলার আঁচ কমিয়ে ৩/৪ মিনিট ঢেকে রান্না করুন।কোন পানি দিতে হবে না।
কয়েক মিনিট পর ঢাকনা উঠিয়ে কেটে রাখা পালং শাক দিয়ে দিন।মাঝারি আঁচে কয়েক মিনিট রান্না করুন। শেষে মরিচ ফালি দিয়ে মিনিট খানেক রান্না করে নামিয়ে নিন।গরম থাকতেই পরিবশন করুন।
চাইনিজ খেতে গেলে একটা মজার আইটেম হলো চিলি চিকেন।চিলি চিকেন পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কম পাওয়া যাবে।কিন্তু সব সময় তো আর বাইরে গিয়ে খাওয়া হয় না।মাঝে মাঝে মন চায় বাসায়ও একটু রান্না করি।
তাই আসুন জেনে নেই কি ভাবে চিলি চিকেন তৈরি করা যায়

উপকরণ:
----------------
*আদা বাটা-আধা টেবিল চামচ,
*রসুন বাটা- আধা টেবিল চামচ,
*গোলমরিচ গুঁড়ো-১ টেবিল চামচ,
*ডিম- ১ টা,
*ভিনিগার– ২ টেবিল চামচ,
*কর্নফ্লাওয়ার– ৩ টেবিল চামচ,
*ময়দা – ২টেবিল চামচ,
*সয়াসস – ১টেবিল চামচ,
*লবণ- স্বাদমতো,
গ্রেভির জন্য :
-------------------
ক্যাপসিকাম – ২ টা (দুই রকম) কিউব করে কাটা,
*পেঁয়াজ – ৪ টা মাঝারি কিউব করে কাটা,
*আদা কুচি –আধা টেবিল চামচ,
*রসুন কুচি – ১ টেবিল চামচ,
*কাঁচামরিচ কুচি- ৪-৫ টা (ফালি)
* সয়া সস
*রেড চিলি সস
*গ্রিন চিলি সস
* টমেটো সস
*ভিনেগার
*গোলমরিচ গুঁড়ো
* কর্ন ফ্লাওয়ার পাউডার
*লবণ
*তেল
প্রস্তুত প্রণালী :
--------------------
চিকেনের মধ্যে আদা-রসুন বাটা, ভিনেগার, সয়া সস, গোলমরিচ গুঁড়ো ও লবণ দিয়ে খুব ভালো করে চিকেনটা মেখে ১ ঘন্টা ম্যারিনেট করে রাখতে হবে।
ম্যারিনেট হয়ে গেলে চিকেনের মধ্যে ডিম, কর্নফ্লাওয়ার, ময়দা ও একটু লবণ দিয়ে মেখে নিবো। ব্যাটারটা বেশি পাতলা করা যাবে না, প্রয়োজনে ময়দা বা কর্নফ্লাওয়ারের পরিমান কম বেশি করে নেওয়া যাবে।
কড়াইতে তেল গরম করে ডুবো তেলে চিকেনের পিস গুলো ভেজে নিবো। খুব কড়া করে ভাজার দরকার নেই। গোল্ডেন ব্রাউন করে ভেজে নিবো।
এবার একটি বাটিতে ৩ টেবিল চামচ সয়া সস, ২ টেবিল চামচ করে গ্রিন চিলি সস ও রেড চিলি সস,১ টেবিল চামচ, টমেটো সস, ২ চা চামচ ভিনেগার দিয়ে মিশিয়ে সসটা রেডি করে নিবো।
একটা শুকনো কড়াইতে ২ টেবিল চামচ সাদা তেল গরম করে তেলের মধ্যে আধা চা চামচ চিনি দিয়ে নেড়েচেড়ে আদা কুচি দিয়ে একটু ভেজে নিবো।
এবার রসুন কুচি দিবো। রসুন ভাজবো না। ৩-৪ সেকেন্ড পরেই পেঁয়াজ, ক্যাপসিকাম ও কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে লবণ দিয়ে নেড়েচেড়ে ১ মিনিট রাখবো।
মনে রাখতে হবে, লবণ সাবধানে দিতে হবে কারণ প্রতিটি সসের মধ্যে লবণ থাকে আর চিকেনেও লবণ দেওয়া আছে।
এবার মিক্সড সসটা দিয়ে আঁচ একটু বেশির দিকে রেখে অনবরত নাড়তে হবে। ১ মিনিট পর ভাজা চিকেন গুলো দিয়ে আরো আধ মিনিট নেড়ে দেড় কাপের মতো পানি দিবো। (যেমন গ্রেভি পছন্দ সেই মতো পানি দিতে পারেন)। আঁচ বেশি থাকবে।
ফুটে উঠলে ৩-৪ মিনিট পর ২ টেবিল চামচ কর্নফ্লাওয়ার সামান্য পানি ছট বাটি বা কাপে গুলে, গ্রেভির মধ্যে দিবো, ভালো করে নাড়াচাড়া করবো। গ্রেভি সুন্দর ঘন হয়ে আসবে। গ্রেভি পছন্দ অনুযায়ী কর্নফ্লাওয়ার কম বেশি করা যাবে।
গ্রেভিটা একবার চেখে নিবো।স্বাদ বুঝে প্রয়োজন হলে এই সময় সস বা লবণ চিনি দিয়ে নিবো।
আধা টেবিল চামচ গোল মরিচ গুঁড়ো ছড়িয়ে গ্যাস বন্ধ করে ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন।
গরম গরম স্পাইসি চিলি চিকেন রেডি। পরিবেশন করুন গরম গরম ফ্রাইড রাইস, রুটি,পরোটা বা নানের সাথে।
'%3E%3Cpath d='M15.9963 8c0 4.4179-3.5811 7.9993-7.9986 7.9993-4.4176 0-7.9987-3.5814-7.9987-7.9992 0-4.4179 3.5811-7.9992 7.9987-7.9992 4.4175 0 7.9986 3.5813 7.9986 7.9992Z' fill='url(%23paint0_linear_15251_63610)'/%3E%3Cpath d='M15.9973 7.9992c0 4.4178-3.5811 7.9992-7.9987 7.9992C3.5811 15.9984 0 12.417 0 7.9992S3.5811 0 7.9986 0c4.4176 0 7.9987 3.5814 7.9987 7.9992Z' fill='url(%23paint1_radial_15251_63610)'/%3E%3Cpath d='M7.9996 5.9081c-.3528-.8845-1.1936-1.507-2.1748-1.507-1.4323 0-2.4254 1.328-2.4254 2.6797 0 2.2718 2.3938 4.0094 4.0816 5.1589.3168.2157.7205.2157 1.0373 0 1.6878-1.1495 4.0815-2.8871 4.0815-5.159 0-1.3517-.993-2.6796-2.4254-2.6796-.9811 0-1.822.6225-2.1748 1.507Z' fill='%23fff'/%3E%3C/g%3E%3Cdefs%3E%3CradialGradient id='paint1_radial_15251_63610' cx='0' cy='0' r='1' gradientUnits='userSpaceOnUse' gradientTransform='matrix(0 7.9992 -7.99863 0 7.9986 7.9992)'%3E%3Cstop offset='.5637' stop-color='%23E11731' stop-opacity='0'/%3E%3Cstop offset='1' stop-color='%23E11731' stop-opacity='.1'/%3E%3C/radialGradient%3E%3ClinearGradient id='paint0_linear_15251_63610' x1='2.3986' y1='2.4007' x2='13.5975' y2='13.5993' gradientUnits='userSpaceOnUse'%3E%3Cstop stop-color='%23FF74AE'/%3E%3Cstop offset='.5001' stop-color='%23FA2E3E'/%3E%3Cstop offset='1' stop-color='%23FF5758'/%3E%3C/linearGradient%3E%3CclipPath id='clip0_15251_63610'%3E%3Cpath fill='%23fff' d='M-.001.0009h15.9992v15.9984H-.001z'/%3E%3C/clipPath%3E%3C/defs%3E%3C/svg%3E)
বাংলার বনেদি পরিবারে ঐতিহ্যপূর্ণ রান্নার মধ্যে একটা রান্না হলো কোর্মা। এই রান্নাটা অনেকেই ইউটিউবে দেখিয়েছেন নানা ভাবে। কিন্তু দুঃখের সাথে বলবো তারা ভুল রান্না করেছে।
কোর্মা রান্নায় মাংস ভাজা যাবে না, হলুদ,জিরা,জয়ফল,জয়ত্রী বা দই দেয়া যাবে না। কোর্মা সম্পূর্ণ খাটি ঘি ও দুধের উপর রান্না হয়।
কোর্মার নিজস্ব একটা সুগন্ধ আছে যা রান্না করলেই বুঝতে পারবেন।
এই রেসিপির জন্য রিকুয়েষ্ট এসেছে, তাই মুরগির কোর্মা রেসিপি নিয়ে চলে এসেছি, মজার রান্না পেইজে।
চলুন রান্না শুরু করি......
উপকরণ :
----------------
*মুরগি- দেড় কেজি,
*দুধ- ১ কেজি,
* পেঁয়াজ কুচি- ১কাপ,
*পেঁয়াজ বাটা - আধা কাপ,
*আদা বাটা- দেড় টেবিল চামচ,
*রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ,
* ধনিয়া গুঁড়ো- দেড় চা চামচ,
*মরিচের গুঁড়ো - ১ চা চামচ,
*কাঁচা মরিচ বাটা- ১ চা চামচ,
*কাঁচামরিচ -৪-৫ টা
*তেজপাতা - ২ টা,
*এলাচ - ৫ টা,
*দারুচিনি -৩ টা, ( ২")
*লবঙ্গ- ৩ টি,
*ঘি- ১ কাপ
*সয়াবিন তেল- আধা কাপ।
*লবণ- স্বাদমতো,
*পানি- ১ কাপ,
*চিনি- আধা চা চামচ,
বিঃদ্রঃ
(কোর্মা রান্নায় জিরা ব্যবহার করে না আর তাই আমার রেসিপিতে জিরা ব্যবহার করা হয়নি)
প্রস্তুত প্রণালী :
----------------------
প্রথমেই আমি দেড় কেজি ওজনের মুরগি কেটে ধুয়ে নিবো। ( দেশি বা বয়লার যে কোন একটা নিলেই হবে)।
১ কেজি দুধ জ্বাল দিয়ে আধা কেজি পরিমাণ করে নিবো।
এবার মুরগির মাংসে আদা ও রসুন৷ বাটা আধা চা চামচ পরিমাণ দিয়ে মাখিয়ে নিবো আর এই মাখানো মাংসে আধা কাপ দুধ আর ২ টেবিল চামচ ঘি আর লবণ সামান্য দিয়ে, ভাল করে মেখে ১ ঘন্টার জন্য রেখে দিবো ফ্রিজে।
এক ঘন্টা পর চুলায় প্যান বসিয়ে গরম করে নিবো। এবার তেল আর ঘি দিবো, তেল গরম হলে তেজপাতা দিবো,কিছুক্ষণ পর এলাচ,দারুচিনি, লবঙ্গ দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে ভেজে নিবো।
তারপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে বেরেস্তার মত ভেজে নিবো। কিছুটা বেরেস্তা একটা বাটিতে তুলে রাখবো ডেকুরেশনের জন্য।
এবার চুলার প্যানে রাখা বাকি বেরেস্তার সাথে প্রথম দিবো পেঁয়াজ বাটা। কিছুক্ষণ ভুনবো তারপর দিবো আদা বাটা,রসুন বাটা, কাঁচামরিচ বাটা,মরিচের গুঁড়ো, ধনিয়ার গুঁড়া,আন্দাজ মতো লবণ দিয়ে মসলা ভুনবো, অল্প আঁচে ( মুরগি মাখানোতে লবণ দেয়া আছে তাই বুঝে লবণ দিতে হবে)
মসলা ভুনার সময় পানি দিবো না। ভাল ভাবে মসলা ভুনা হলে মাখানো মুরগি দিয়ে ভাল করে নেড়ে মসলার সাথে মিশিয়ে নিবো।
কিছুক্ষণ মাংস সহ ভুনবো মসলা আর তেল ঘি এর সাথে।
তারপর এক কাপ পরিমাণ পানি দিয়ে, ভাল করে নেড়ে ঢেকে রান্না করবো, পানি টেনে গেলে মাংস ভাল করে নেড়ে এবার মাংসে দুধ আর আস্ত কাঁচামরিচ ৫-৬ দিবো।
১০ মিনিট মাঝারি থেকে অল্প আঁচে রান্না করবো।
১০ মিনিট পর চিনি দিয়ে নেড়ে চুলা বন্ধ করে দিবো আর মাংসের উপর বেরেস্তা ছড়িয়ে দিবো।
এবার পোলাও এর সাথে পরিবেশন করুন মজাদার কোর্মা।
বাংলার বনেদি পরিবারে ঐতিহ্যপূর্ণ রান্নার মধ্যে একটা রান্না হলো কোর্মা। এই রান্নাটা অনেকেই ইউটিউবে দেখিয়েছেন নানা ভাবে। কিন্তু দুঃখের সাথে বলবো তারা ভুল রান্না করেছে।
কোর্মা রান্নায় মাংস ভাজা যাবে না, হলুদ,জিরা,জয়ফল,জয়ত্রী বা দই দেয়া যাবে না। কোর্মা সম্পূর্ণ খাটি ঘি ও দুধের উপর রান্না হয়।
কোর্মার নিজস্ব একটা সুগন্ধ আছে যা রান্না করলেই বুঝতে পারবেন।
এই রেসিপির জন্য রিকুয়েষ্ট এসেছে, তাই মুরগির কোর্মা রেসিপি নিয়ে চলে এসেছি, মজার রান্না পেইজে।
চলুন রান্না শুরু করি......
উপকরণ :
----------------
*মুরগি- দেড় কেজি,
*দুধ- ১ কেজি,
* পেঁয়াজ কুচি- ১কাপ,
*পেঁয়াজ বাটা - আধা কাপ,
*আদা বাটা- দেড় টেবিল চামচ,
*রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ,
* ধনিয়া গুঁড়ো- দেড় চা চামচ,
*মরিচের গুঁড়ো - ১ চা চামচ,
*কাঁচা মরিচ বাটা- ১ চা চামচ,
*কাঁচামরিচ -৪-৫ টা
*তেজপাতা - ২ টা,
*এলাচ - ৫ টা,
*দারুচিনি -৩ টা, ( ২")
*লবঙ্গ- ৩ টি,
*ঘি- ১ কাপ
*সয়াবিন তেল- আধা কাপ।
*লবণ- স্বাদমতো,
*পানি- ১ কাপ,
*চিনি- আধা চা চামচ,
বিঃদ্রঃ
(কোর্মা রান্নায় জিরা ব্যবহার করে না আর তাই আমার রেসিপিতে জিরা ব্যবহার করা হয়নি)
প্রস্তুত প্রণালী :
----------------------
প্রথমেই আমি দেড় কেজি ওজনের মুরগি কেটে ধুয়ে নিবো। ( দেশি বা বয়লার যে কোন একটা নিলেই হবে)।
১ কেজি দুধ জ্বাল দিয়ে আধা কেজি পরিমাণ করে নিবো।
এবার মুরগির মাংসে আদা ও রসুন৷ বাটা আধা চা চামচ পরিমাণ দিয়ে মাখিয়ে নিবো আর এই মাখানো মাংসে আধা কাপ দুধ আর ২ টেবিল চামচ ঘি আর লবণ সামান্য দিয়ে, ভাল করে মেখে ১ ঘন্টার জন্য রেখে দিবো ফ্রিজে।
এক ঘন্টা পর চুলায় প্যান বসিয়ে গরম করে নিবো। এবার তেল আর ঘি দিবো, তেল গরম হলে তেজপাতা দিবো,কিছুক্ষণ পর এলাচ,দারুচিনি, লবঙ্গ দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে ভেজে নিবো।
তারপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে বেরেস্তার মত ভেজে নিবো। কিছুটা বেরেস্তা একটা বাটিতে তুলে রাখবো ডেকুরেশনের জন্য।
এবার চুলার প্যানে রাখা বাকি বেরেস্তার সাথে প্রথম দিবো পেঁয়াজ বাটা। কিছুক্ষণ ভুনবো তারপর দিবো আদা বাটা,রসুন বাটা, কাঁচামরিচ বাটা,মরিচের গুঁড়ো, ধনিয়ার গুঁড়া,আন্দাজ মতো লবণ দিয়ে মসলা ভুনবো, অল্প আঁচে ( মুরগি মাখানোতে লবণ দেয়া আছে তাই বুঝে লবণ দিতে হবে)
মসলা ভুনার সময় পানি দিবো না। ভাল ভাবে মসলা ভুনা হলে মাখানো মুরগি দিয়ে ভাল করে নেড়ে মসলার সাথে মিশিয়ে নিবো।
কিছুক্ষণ মাংস সহ ভুনবো মসলা আর তেল ঘি এর সাথে।
তারপর এক কাপ পরিমাণ পানি দিয়ে, ভাল করে নেড়ে ঢেকে রান্না করবো, পানি টেনে গেলে মাংস ভাল করে নেড়ে এবার মাংসে দুধ আর আস্ত কাঁচামরিচ ৫-৬ দিবো।
১০ মিনিট মাঝারি থেকে অল্প আঁচে রান্না করবো।
১০ মিনিট পর চিনি দিয়ে নেড়ে চুলা বন্ধ করে দিবো আর মাংসের উপর বেরেস্তা ছড়িয়ে দিবো।
এবার পোলাও এর সাথে পরিবেশন করুন মজাদার কোর্মা।
No comments:
Post a Comment